বাংলাদেশে দুর্গাপুজোয় টানা ৫ দিনের ছুটি, সংখ্যালঘু আবেগ মেরামতে অনুদানও বাড়ালেন তারেক
Jaba Sen
শারদীয় দুর্গাপুজো উপলক্ষে বালাদেশে বাড়ছে ছুটি। এ বছরের সরকারি ছুটির তালিকা অনুযায়ী, আগামী ২০ অক্টোবর মঙ্গলবার নবমী উপলক্ষে সরকারের নির্বাহী আদেশে ছুটি থাকবে। ২১ অক্টোবর বুধবার বিজয়া দশমীতে থাকবে সাধারণ ছুটি। পরদিন ২২ অক্টোবর বৃহস্পতিবার অফিস -আদালত খোলা থাকার কথা ছিল। মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী ২২ অক্টোবরও ছুটি ঘোষণা করেন। এরপর ২৩ ও ২৪ অক্টোবর শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি। ফলে ২০ থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত টানা পাঁচ দিন ছুটি ভোগ করবেন সরকারি চাকরিজীবীরা।
সরকারি ছুটির দিনে ব্যাঙ্ক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানও সাধারণত বন্ধ থাকে। তবে বাংলাদেশ ব্যাঙ্কের নির্দেশনা অনুযায়ী, নির্দিষ্ট শাখা বা বিশেষ পরিষেবা চালু থাকতে পারে। এটিএম, কার্ড ও অনলাইন ব্যাঙ্কিঙের মতো ডিজিটাল পরিষেবাও সাধারণত চালু থাকে। তবে হাসপাতাল, পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস, বিদ্যুৎ, গ্যাস ও জল সরবরাহের মতো জরুরি পরিষেবায় নিযুক্ত কর্মীদের ছুটির দিনেও দায়িত্ব পালন করতে হবে। গণমাধ্যম-সহ প্রয়োজনীয় কিছু প্রতিষ্ঠানেও কর্মীরা কাজ করবেন। দুর্গাপুজো ঘিরে টানা পাঁচ দিন ছুটি থাকায় হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের এই উৎসব উদযাপনের সুযোগ বাড়ছে।
আরও পড়ুন:
সেইসঙ্গে এবার হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের দুর্গোৎসব ও বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের ধর্মীয় উৎসবে অনুদান বাড়িয়ে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। দুর্গাপুজোর জন্য হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট প্রধানমন্ত্রীর কাছে চার কোটি টাকা অনুদান চেয়েছিল। প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ বিবেচনায় পাঁচ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। একইভাবে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের কঠিন চীবর দান অনুষ্ঠানের জন্য বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট দুই কোটি টাকা চেয়েছিল, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ বিবেচনায় তাদের তিন কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়।
প্রতিবছর দুর্গোৎসব উপলক্ষে হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টকে রাষ্ট্রীয় তহবিল থেকে বরাদ্দ দেওয়া হয়। এবার সেই বরাদ্দের পরিমাণ এক কোটি টাকা বাড়িয়ে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। ২৫ সেপ্টেম্বর ছিল বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব শুভ প্রবারণা পূর্ণিমা। এ উপলক্ষে কঠিন চীবর দান অনুষ্ঠানের জন্যও চাহিদার চেয়ে এক কোটি টাকা বেশি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।