মেয়ের নীলছবির ব্যবসায় যুক্ত ছিলেন বাবাও! 'কনটেন্ট ক্রিয়েটর' সুমাইয়াকে জেরা করে বিস্ফোরক তথ্য
Kousik Sinha
বাংলাদেশের বুকে নীলছবি তৈরির বড়সড় কেলেঙ্কারির পর্দাফাঁস! নীলছবি তৈরি এবং বিক্রির অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে সুমাইয়া সাইদ নামে এক যুবতীকে। যিনি একজন কনটেন্ট ক্রিয়েটর বলে খবর। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ঢাকা থেকে সুমাইয়াকে গ্রেপ্তার করে বাংলাদেশের গোয়েন্দা আধিকারিকরা। গ্রেপ্তার করা হয়েছে খাজা সাকলাইন ফারুক নামে এক ব্যক্তিকেও। যিনি সুমাইয়ার সহযোগী বলে জানা গিয়েছে। এবার নীলছবির কেলেঙ্কারিতে নাম জড়াল সুমাইয়া সাইদের বাবারও। অভিযোগ, মেয়ের সমস্ত কর্মকাণ্ড জানার পরেও তিনি কোনও বাধা দেননি। বরং সবরকমভাবে সাহায্য করেছিলেন। বিশেষ করে ভিডিও ছবি বানানোর পর তা বিক্রির বিষয়টি সবটাই সামাইয়ার বাবা দেখতেন বলেও তদন্তে উঠে এসেছে।
ধৃতদের জেরা করে ইতিমধ্যে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে বলে খবর। বিশেষ করে একাধিক সমাজমাধ্যমের খোঁজ পাওয়া গিয়েছে।
ঢাকা গোয়েন্দা গত ১০ আগস্ট সাইবার মনিটরিংয়ের সময় সুমাইয়ার ইনস্টাগ্রাম ও টেলিগ্রাম অ্যাকাউন্টে একাধিক আপত্তিকর কনটেন্ট নজরে আসে। এমনকী মোটা অঙ্কের বিনিময়ে সেগুলি বিক্রির বিজ্ঞাপনও দেওয়া হয়েছে। পুলিশের অভিযোগ, নগদ এবং অনলাইনের মাধ্যমে নির্দিষ্ট অর্থের বিনিময়ে এসব কনটেন্ট বিক্রি করা হতো। এর মধ্যে ৩ হাজার ৫০০ টাকার বিনিময়ে ‘লাইফটাইম প্যাকেজ’ দেওয়ার বিজ্ঞাপনও ছিল বলে জানিয়েছে বাংলাদেশের গোয়েন্দা পুলিশের আধিকারিকরা। যা সম্পূর্ণ বেআইনি বলে দাবি। এরপরই গোপন তথ্যের ভিত্তিতে জধানী ঢাকার ভাটারা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয় সুমাইয়াকে। একইসঙ্গে গ্রেপ্তার করা হয় তাঁর বাবা এবং সহযোগী খাজা সাকলাইন ফারুককে।
আরও পড়ুন:
ধৃতদের জেরা করে ইতিমধ্যে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে বলে খবর। বিশেষ করে একাধিক সমাজমাধ্যমের খোঁজ পাওয়া গিয়েছে। যেখানে নীলছবির বিজ্ঞাপন দেওয়া থেকে শুরু করে আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত বেশ কিছু তথ্য তদন্তকারীদের হাতে এসেছে বলে জানা গিয়েছে। তবে এই চক্রের পিছনে সুমাইয়া কিংবা ফারুক ছাড়া আর কেউ যুক্ত রয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।