Advertisement

করোনায় বেসামাল ভারত, সমবেদনা জানিয়ে মোদিকে চিঠি হাসিনার

03:29 PM May 10, 2021 |
Advertisement
Advertisement

সুকুমার সরকার, ঢাকা: করোনা সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউয়ে বেসামাল দেশ। মহামারীর কোপে ভারতে নজিরবিহীন ক্ষয়ক্ষতিতে ভুক্তভোগীদের জন্য শোক ও প্রার্থনা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চিঠি লিখলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (Sheikh Hasina)।

Advertisement

[আরও পড়ুন: বাংলাদেশে বন্ধ ফেরি পরিষেবা, ইদের আগে নদী সাঁতরেই বাড়ি ফেরার ঢল]

মহামারীর শুরুর দিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকলে দ্বিতীয় ধাক্কায় বিপন্ন দেশ। এহেন সংকট কালে চিঠিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতের প্রতি বাংলাদেশের দৃঢ় সহমর্মিতার বিষয়টি পুনর্ব্যক্ত করেছেন বলে সোমবার জানিয়েছে বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রক। মন্ত্রকের ফেসবুক পেজে আরও বলা হয়, “বাংলাদেশের সর্বাত্মক সহযোগিতায় একসঙ্গে করোনা মোকাবিলার বিষয়েও অঙ্গীকার করেন শেখ হাসিনা। গত ২৪ ঘণ্টায় বিশ্বে করোনায় মোট সংক্রমিত ও মৃতদের প্রায় অর্ধেকই ভারতের। এই সময়ে দেশটিতে ৩ লক্ষ ৬৬ হাজার ৪৯৯ জন রোগী শনাক্ত হয়েছেন। একই সময়ে মৃত্যু হয়েছে ৩ হাজার ৭৪৮ জনের। অক্সিজেনের অভাবে বহু রোগী মারা গিয়েছেন।

উল্লেখ্য, ইতিমধ্যে ভারতে জরুরি চিকিৎসা সহায়তা পাঠিয়েছে বাংলাদেশ। করোনা মহামারী মোকাবেলায় ভারতে জরুরি ওষুধ ও চিকিৎসা সামগ্রীর অংশ হিসেবে প্রথম দফায় ১০ হাজার ইনজেক্টেবল অ্যান্টি-ভাইরাল রেমডেসিভির পাঠিয়েছে বাংলাদেশ। হরিদাসপুর-বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে এই ওষুধ পাঠানো হয়। ভারতে এখন প্রচুর রেমডেসিভির প্রয়োজন। সেই কারণে এই ওষুধ পাঠানো হয়। এ ছাড়া ভারতের আর কী কী প্রয়োজন, তা নিয়ে দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশন ভারতের বিদেশমন্ত্রকের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে। বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছে, ইনজেক্টেবল অ্যান্টি-ভাইরালের পাশাপাশি ওরাল অ্যান্টি-ভাইরাল, ৩০ হাজার পিপিই কিটস এবং কয়েক হাজার জিঙ্ক, ক্যালসিয়াম, ভিটামিন-সি এবং প্রয়োজনীয় ট্যাবলেটও পাঠানো হয়।

এদিকে বাংলাদেশেও করোনা সংক্রমণের হার সরকারকে চিন্তায় ফেলেছে। ভারত থেকে সময়মতো টিকা না আসায় রাশিয়া, চিন, আমেরিকা-সহ বিভিন্ন দেশ থেকে টিকা পেতে দরবার করে যাচ্ছে ঢাকা। জানা গিয়েছে, ভ্যাকসিন উৎপাদনের জন্য বাংলাদেশের বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালসের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে ভারত। অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় এবং অ্যাস্ট্রাজেনেকা সংস্থার গবেষণালব্ধ করোনার টিকা তৈরি করছে পুনের সেরাম ইনস্টিটিউট। কিন্তু ভ্যাকসিনের চাহিদা যে হারে বৃদ্ধি পেয়েছে, সেই হারে তা উৎপাদন করতে পারছে না প্রতিষ্ঠানটি। এ কারণে ভারতেই ঠিকমতো যোগান দিতে পারছে না সেরাম। সেই প্রেক্ষিতে ভ্যাকসিন উৎপাদনের জন্য বাংলাদেশের বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালসের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

[আরও পড়ুন: অবশেষে আগুন নিভল সুন্দরবনে, রক্ষা পেল বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ অরণ্য]

Advertisement
Next