Coronavirus Update: পরীক্ষা কমতেই নিম্নমুখী রাজ্যের দৈনিক করোনাগ্রাফ, চোখ রাঙাচ্ছে ডেঙ্গু

08:52 PM Sep 26, 2022 |
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পরীক্ষা কমতেই কমল রাজ্য়ে দৈনিক করোনা আক্রান্ত সংখ্যা। রবিবারের চেয়ে প্রায় অর্ধেক হল রাজ্যে করোনা সংক্রমিতের সংখ্যা। স্বাভাবিকভাবেই কমল পজিটিভিটি রেটও। তবে রাজ্য়বাসীকে করোনাবিধি মেনে চলার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা।

Advertisement

রাজ্য স্বাস্থ্যদপ্তরের কোভিড পরিসংখ্যান বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে নতুন করে করোনায় (Coronavirus) আক্রান্ত হয়েছেন ১৪১ জন। যা আগের দিন ছিল সাড়ে তিনশোর বেশি। ফলে এখনও পর্যন্ত রাজ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হল ২১, ১৩,৩৮৭। মৃত্যু হয়েছে ৩ জনের। মোট করোনার বলি ২১, ৪৯৯ জন। একদিনে মহামারীর কবল থেকে মুক্ত হয়েছেন ২১৬ জন, আগেরদিন তা ছিল সামান্য কম। এই মুহূর্তে রাজ্যে সুস্থতার হার ৯৮.৮৪ শতাংশ। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এখনও পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ২০, ৮৮, ৮৪৩ জন। এই মুহূর্তে অ্যাকটিভ কোভিড রোগীর সংখ্যা ৩০৪৫, যার মধ্যে ১২৩ জন রোগী ভরতি হাসপাতালে।

[আরও পড়ুন: প্রাথমিক টেটের দিনক্ষণ ঘোষণা করল পর্ষদ, ১১ হাজার শূন্যপদে হবে নিয়োগ]

গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে কোভিডের নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৪ হাজার ১০৩টি। এর মধ্যে ৩.৪৪ শতাংশ রিপোর্ট পজিটিভ। এদিকে করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে টিকাকরণ (Corona vaccination) কর্মসূচি চলছে। পুজোর সময়ও তা বন্ধ থাকবে না। রাজ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় ৯৬১  ডোজ টিকা দেওয়া হয়েছে। চলছে প্রিকশন ও বুস্টার ডোজ দেওয়ার কাজ।

Advertising
Advertising

অন্যদিকে পুজোর আগে চোখ রাঙাচ্ছে ডেঙ্গু।  রাজ্যে এদিন পর্যন্ত আক্রান্ত ১৫ হাজারের উপর। এরমধ্যেই উদ্বেগ বাড়িয়ে সোমবার দক্ষিণ ২৪ পরগনার সোনারপুর পঞ্চায়েত এলাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে এক গৃহবধূর ডেঙ্গুতে মৃত্যু হয়েছে । ওই হাসপাতাল থেকে দেওয়া মৃতা মৌমিতা ভট্টাচার্যর ডেথ সার্টিফিকেটে  ডেঙ্গু সংক্রমন উল্লেখ্য করা হয়েছে। মৃতার বয়স ২৬।  এই নিয়ে মৃতের সংখ্যা ১৪ বলে জানাচ্ছেন  স্বাস্থ্য ভবনের এক কর্তা। তবে প্রতিটি  মৃত্যুর  ডেথ অডিট   হচ্ছে বলে ওই কর্তা  জানিয়েছেন। 

প্রসঙ্গত, করোনার দাপট অনেকটা কমেছে। ফলে পুজো প্যাণ্ডেলে অধিকাংশের মুখেই নেই মাস্ক, শারীরিক দূরত্ববিধি মানার বালাইও নেই। এই পরিস্থিতির জন্যই ফের করোনা সংক্রমণ বাড়তে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তাঁদের পরামর্শ, উৎসবে মেতে ওঠার পাশাপাশি সাবধানতা অবলম্বনও জরুরি। জনবহুল জায়গায় ঘোরার সময় অবশ্যই মাস্ক থাকুক মুখে। সামান্য জ্বর বা সর্দি-কাশি হলে অবহেলা নয়, দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে ওষুধ খান।
Advertisement
Next