সেপ্টেম্বরে চার্জশিট, এবার শালবনী জমি দুর্নীতি মামলা এমপি-এমএলএ কোর্টে স্থানান্তরের আবেদন সিআইডি-র
Subhankar Patra
শালবনী জমি দুর্নীতি মামলা কলকাতায় স্থানান্তরের আবেদন সিআইডির। মেদিনীপুর থেকে সরিয়ে কলকাতার এমপি-এমএলএ কোর্টে স্থানান্তর করার আবেদন জানাল রাজ্য গোয়েন্দা সংস্থা সিআইডি।
আইনজীবী দেবরঞ্জন বন্দোপাধ্যায় জানিয়েছেন, যেহেতু এই মামলায় মূল আসামী সুজয় হাজরা। তিনি প্রাক্তন বিধায়ক। তাই মামলাটি বিধাননগরের ময়ুখ ভবনে এমপি-এমএলএ কোর্টে স্থানান্তর করা হোক। আবেদনের ভিত্তিতে আগামী ১২ অক্টোবর শুনানি হবে। এই মামলাতেই ,গ্রেপ্তার হয়েছেন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপ্ত-সহায়ক সুমিত রায়।
আরও পড়ুন:
রাজ্যে পালাবদলের পর তৃণমূলেরই এক যুবনেতার করা অভিযোগের ভিত্তিতে শালবনী জমি কেলেঙ্কারির বিষয়টি উঠে আসে। সেই অভিযোগে বলা হয়, প্রাক্তন বিধায়ক সুজয় হাজরা ও তাঁর দলবল সরকারি জমি বেআইনি উপায়ে বিক্রি করেছেন। টাকা নিয়ে জমি দেননি বলেও অভিযোগ ওঠে। গ্রেপ্তার হন প্রাক্তন বিধায়ক সুজয়। তাঁকে জেরা করেই নাম আসে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপ্তসহায়ক সুমিত রায়ের। তদন্তকারী সূত্রে জানা গিয়েছে সুজয় জানিয়েছেন, এই জমি দুর্নীতির টাকা গিয়েছে সুমিত রায়ের কাছে। পরবর্তীকালে সুমিতকে কালীঘাটে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করেন সিআইডি আধিকারিকরা।
এরই মাঝে শালবনীরই বাসিন্দা অমিত ঘোষ-সহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। ইতিমধ্যে ধৃত তিনজনকেও নিজেদের হেফাজতে নিয়েছে সিআইডি। সুজয় ঘনিষ্ঠ এরা তিনজনই মিডলম্যানের ভূমিকা পালন করত বলে তদন্তকারী সূত্রে খবর। জানা যায়, সরকারী জমির চরিত্র বদলের ক্ষেত্রে সক্রিয় ভূমিকা পালন করত অমিত এবং তাঁর দলবল। ২ সেপ্টেম্বর এই মামলার চার্জশিটও দেওয়া হয়েছে। তাতে নাম রয়েছে প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক সুজয় হাজরার নাম। এবার মামলাটি মেদিনীপুর আদালত থেকে কলকাতার এমপি-এমএলএ কোর্টে স্থানান্তরের আবেদন জানাল সিআইডি।