পুজোয় রোড রোমিওদের গলায় রাশ! অসভ্যতা দেখলেই গুলির নিদান ধূপগুড়ির বিধায়কের
Subhankar Patra
অসভ্যতা দেখলেই পুলিশকে গুলি চালিয়ে দেওয়ার নিদান দিলেন ধূপগুড়ির বিধায়ক নরেশচন্দ্র রায়। ইভটিজিং রুখতে বিধায়কের এই মন্তব্যে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। তবে সমর্থনও জানিয়েছেন অনেকেই।
অভিযোগ, গত কয়েক দিন ধরে ধূপগুড়ি শহরে 'বাইকার্স ইভটিজার'দের কারণে রাস্তায় চলাফেরা প্রায় অসম্ভব হয়ে দাড়িয়েছে মহিলাদের। সন্ধ্যা নামলেই একা মহিলা দেখে বাইক নিয়ে গায়ের উপর হুমড়ি খেয়ে পড়ছে। তারপর আবার দ্রুত গতিতে চলে যাচ্ছে। হেলমেট দিয়ে মুখ ঢাকা থাকায় চেনা অসম্ভব হয়ে পড়ছে। ফলে নির্দিষ্ট করে অভিযোগও করা যাচ্ছে না। তবে একের পর এক এই ঘটনায় উদ্বেগ ছড়িয়েছে মহিলাদের মধ্যে। ফলে পুজোর মুখে কেনাকাটার প্রয়োজনে সন্ধ্যার পর একা বাজারে যেতে ভয় পাচ্ছেন মহিলারা। মেয়েদের নিয়েও উদ্বিগ্ন বাবা, মায়েরা।
আরও পড়ুন:
ঘটনার শিকার এক মহিলার আত্মীয়রা জানান, খুবই নক্কারজনক ঘটনা। বাইকে করে এসে যেভাবে শরীরের বিভিন্ন অংশে হাত দিয়ে পালিয়ে গিয়েছে তা ভাবলেই শিউরে উঠতে হয়। এই ঘটনার পর বাইরে বের হতে ভয় পাচ্ছেন তারা। একজনের সঙ্গে নয় একাধিক জনের সঙ্গে এই ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ। তবে লিখিত অভিযোগ দায়ের না হলেও বাইকার্স ইভটিজার বাহিনীর খবর অজানা নয় পুলিশেরও। পালা করে ধূপগুড়ির একাধিক গুরুত্বপূর্ণ রাস্তায় নজরদারি বসিয়েছে পুলিশ। তারপরও ধূপগুড়ি শহর সংলগ্ন বিভিন্ন জায়গায় ঘটনা ঘটেই চলেছে বলে অভিযোগ।
ঘটনার খবরে ক্ষুব্ধ ধূপগুড়ির বিধায়ক নরেশচন্দ্র রায়। যারা মা, বোনেদের সম্মানহানির চেষ্টা করছেন তারা মানসিক বিকারগস্ত, অসুস্থ বলে মন্তব্য করেন তিনি। রীতিমত ক্ষোভ প্রকাশ করে বিধায়ক বলেন, "এদের দেখলেই গুলি করে মেরে ফেলা উচিৎ। পুলিশকেই এদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করতে হবে। এমন পদক্ষেপ করতে হবে যাতে আর কেউ মহিলাদের সঙ্গে এই ধরনের আচরণ করতে সাহস না পায়।" পুলিশের দাবি, পদক্ষেপ করা হবে। অভিযুক্তরা ধরা পড়লেই কড়া শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে।