ফলতার পুনর্নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছিলেন তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির খান। তখনই ছবি অনেকটা পরিষ্কার হয়ে যায়। আজ, রবিবার সকালে ব্যালট বাক্স ও প্রথম রাউন্ডের গণনা শেষ হতেই সেই চিত্র আরও বড় ব্যানারে ফুটে ফুটল। শুরুতেই ৯ হাজারেরও বেশি ভোটে এগিয়ে যান বিজেপি প্রার্থী দেবাংশু পাণ্ডা। চতুর্থ রাউন্ড গণনার শেষে বিজেপি প্রার্থী ১৪০৯৩ ভোটে এগিয়ে। চতুর্থ স্থানে রয়েছেন জাহাঙ্গির। পেয়েছেন ১৪০৫ টি ভোট। গণনা কেন্দ্রের বাইরে সমর্থকদের উল্লাস।
গণনাকেন্দ্রের বাইরে বিজেপি সমর্থকদের উল্লাস।
রবিবার দক্ষিণ ২৪ পরগনার ডায়মন্ড হারবার মহিলা বিশ্ববিদ্যালয়ে ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রের পুনর্নির্বাচনের গণনা চলছে। সকাল আটটা থেকে গণনার কাজ শুরু হয়েছে। প্রথমে খোলা হয় ব্যালট। তাতে অনেকটা এগিয়ে যায় বিজেপি। তারপর শুরু হয় ইভিএম গণনা। প্রথম রাউন্ডের পর দেখা গিয়েছে, বিজেপি প্রার্থী দেবাংশু পাণ্ডা ৯০৮৬ ভোটে এগিয়ে। তাঁর মোট প্রাপ্ত ভোট ৯৫৩৪। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন সিপিএমের শম্ভুনাথ কুর্মি। তাঁর প্রাপ্ত ভোট ৪৪৮। তৃতীয় স্থানে রয়েছেন কংগ্রেস প্রার্থী আবদুর রাজ্জাক মোল্লা। তাঁর প্রাপ্ত ভোট ২২৫। চতুর্থ স্থানে জায়গা হয়েছে তৃণমূলের প্রার্থী জাহাঙ্গির খানের। তাঁর প্রাপ্ত ভোট ২১০।
দ্বিতীয় রাউন্ড গণনার শেষে সেই ব্যবধান আরও বাড়িয়ে নিয়েছেন দেবাংশু। ১২ হাজার ৫৬৩ ভোটে এগিয়ে তিনি। এই রাউন্ডের শেষে বিজেপি প্রার্থীর প্রাপ্ত ভোট ১৫৮৮৩। দ্বিতীয় স্থানে সিপিএম প্রার্থী শম্ভুনাথ কুর্মি। তাঁর প্রাপ্ত ভোট ৩৩২০। কংগ্রেস প্রার্থী আবদুর রাজ্জাক মোল্লা পেয়েছেন ৭০৯টি ভোট। চতুর্থ স্থানেই রয়েছেন তৃণমূলের জাহাঙ্গির খান। তাঁর প্রাপ্ত ভোট ৪৮১।
তৃতীয় রাউন্ড গণনার শেষে বিজেপি প্রার্থী পেয়েছেন ২১৫৮৩ ভোট। নিকটতম প্রার্থী সিপিএমের শম্ভুনাথ কুর্মির থেকে ১৪ হাজার ২৩৭ ভোটে এগিয়ে তিনি। সিপিএম প্রার্থী পেয়েছেন ৭৩৪৬ ভোট। কংগ্রেস পেয়েছে ১৪৭০টি ভোট। তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির খান ১০৬২টি ভোট পেয়েছেন। চতুর্থ রাউন্ড গণনার শেষে বিজেপি প্রার্থী ১৪০৯৩ ভোটে এগিয়ে।বিজেপি প্রার্থী পেয়েছেন ২৫ হাজার ৪৩৮টি ভোট। সিপিএম প্রার্থী পেয়েছেন ১১৩৪৫ টি ভোট। কংগ্রেস প্রার্থী পেয়েছেন ২৯৯৬টি ভোট। তৃণমূল প্রার্থী চতুর্থ স্থানে। তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গীর খান পেয়েছেন ১৪০৫টি ভোট।
গণনার শুরুতেই কেন্দ্রে পৌঁছন বিজেপি প্রার্থী দেবাংশু পাণ্ডা। আত্মবিশ্বাসী সুরে তিনি জানান, দলের কর্মীদের মধ্যে প্রবল উৎসাহ রয়েছে। দেবাংশু বলেন, “আমাদের মানসিক প্রস্তুতি তুঙ্গে রয়েছে। আমরা জয়ের ব্যাপারে ১০০ শতাংশ আশাবাদী। বিজেপির জয় শুধু সময়ের অপেক্ষা।” গণনাকেন্দ্রে কেন্দ্রীয় বাহিনীর কড়া নজরদারি রয়েছে। গণনাকেন্দ্রে তৃণমূলের কোনও এজেন্ট নেই বলে জানা গিয়েছে।
