ব্লক অফিসেই এবার সিএএ আবেদনের শুনানি! বনগাঁর জন কল্যাণ শিবিরে জানালেন খাদ্যমন্ত্রী
Subhankar Patra
এবার সিএএ-এর অধীনে নাগরিকত্বের আবেদনের ভেরিফিকেশন হবে ব্লক অফিসেই। আবেদনকারীদের পুজোর মুখে খুশির খবর শোনালেন খাদ্যমন্ত্রী অশোক কীর্তনিয়া। রাজ্য সরকারের উদ্যোগে শুক্রবার থেকে শুরু হয়েছে ‘সেবা সেতু’ অভিযান। এ দিন বনগাঁ ব্লগ অফিসে সেই কর্মসূচিতে গিয়ে এ কথা জানালেন খাদ্যমন্ত্রী।
বারাসত, বারাকপুর, বনগাঁ, বসিরহাট, বিধাননগর। উত্তর ২৪ পরগনা পাঁচটি মহকুমা নিয়ে তৈরি। জেলা সদর বারসত। জেলাশাসকের অফিস বারসতে। ফলে ২২টি ব্লক থেকে জন সাধারণকে ছুটে যেতে হয় বারাসতে। এই জেলার মূলত বনগাঁ, বসিরহাট মহকুমায় উদ্বাস্তুদের বাস। তাঁরা নাগরিকত্বের জন্য সিএএ অধীনে আবেদন করেছেন। অন্যান্য মহকুমা থেকেও আবেদন জমা পড়ছে। বহু উদ্বাস্তু মতুয়া ফর্ম ফিলাপ করলে তাঁদেরকে শুনানির জন্য জেলাশাসকের অফিসে যেতে হত। এর ফলে দুর্ভোগের মধ্যে পড়তে হয়েছে অনেককেই ৷ সঠিক সময়ে হেয়ারিংয়ে অনেকে উপস্থিত না হতে পারায় সার্টিফিকেট পেতেও অনেক সময় লাগছিল।
আরও পড়ুন:
সেই সুরাহার কথা জানিয়ে, এতদিন জেলাশাসকের অফিসে শুনানি হত অর্থাৎ এখানকার মানুষকে বারাসাতে যেতে হতো৷ এখন থেকে স্থানীয় ব্লক অফিসেই শুনানি হবে ৷ বনগাঁ ব্লগ অফিসে এ দিন মন্ত্রী বলেন, "পূর্ববঙ্গ থেকে আসা উদ্বাস্তু মানুষে একটা সময় অখণ্ড ভারতের নাগরিক ছিলেন ৷ পরবর্তীকালে তাঁদের উদ্বাস্তু করে দেওয়া হয় ৷ কেন্দ্র সরকার তাঁদের জন্য সিএএ করেছে ৷ এতদিন জেলাশাসকের অফিসে শুনানি হত। এখানকার মানুষকে বারাসতে যেতে হত। এখন থেকে স্থানীয় ব্লক অফিসেই শুনানি হবে।"
প্রসঙ্গত, গত লোকসভা ও বিধানসভা নির্বাচনের আগে বাংলায় বসবাসকারী উদ্বাস্তুদের সিএএ-এর ফর্ম ফিলাপ করার আবেদন জানিয়েছিলেন বিজেপি নেতা, সাংসদরা। বনগাঁ, বাগদা, গাইঘাটা, ঠাকুরবাড়ি- সহ একাধিক জায়গায় শিবির করে সিএএ-এর ফর্ম ফিল আপ করা হয়েছিল। বহু উদ্বাস্তু মতুয়া ফর্ম ফিল আপ করলেও তাঁদেরকে শুনানির সময় বারসতে জেলাশাসকের অফিসে যেতে হতো। এর ফলে দুর্ভোগের মধ্যে পড়তে হয়েছে অনেককেই ৷ খাদ্যমন্ত্রী অশোক কীর্তনিয়ার ঘোষণা শুনে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেললেন সিএএ-তে আবেদনকারীরা।