ব্যক্তি মালিকানাধীন জমি দখল করে পুরসভার পার্ক তৈরির অভিযোগ ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল কামারহাটিতে (Kamarhati)। অভিযোগের তির কামারহাটি পুরসভার বিরুদ্ধে। স্থানীয় কাউন্সিলর ও তাঁর অনুগামীরা গায়ের জোরে জমি দখল করে পার্ক তৈরি করেছেন বলে দাবি জমির মালিক পরিবারের। দক্ষিণেশ্বর থানায় অভিযোগ জানিয়েও কোনও সুরাহা হয়নি বলেও অভিযোগ।
পালাবদলের আবহে এবার বেদখল জমি ফেরতের আশায় নতুন করে সরব হয়েছেন তাঁরা। ঘটনাকে কেন্দ্র করে কামারহাটির ৯ নম্বর ওয়ার্ডে রাজনৈতিক চাপানউতোরও শুরু হয়েছে। অভিযোগকারী শ্যামলী চন্দ্রের দাবি, ২৮ নম্বর গোপাল মল্লিক রোডের জমিটি তাঁদের পরিবারের বৈধ কেনা সম্পত্তি। কয়েক বছর আগে আচমকাই সেখানে পুরসভার উদ্যোগে পার্ক তৈরির কাজ শুরু হয়। জমির কাগজপত্র দেখিয়েও কোনও লাভ হয়নি বলে অভিযোগ। দক্ষিণেশ্বর থানা ও পুরসভায় লিখিত অভিযোগ জানানো হলেও উল্টে ভয় দেখানো হয় বলেও দাবি পরিবারের। শেষপর্যন্ত ওই জমিতে পার্ক তৈরি করে উদ্বোধনও করা হয়। যদিও বর্তমানে রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে পার্কটি কার্যত পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে।
দক্ষিণেশ্বর থানা ও পুরসভায় লিখিত অভিযোগ জানানো হলেও উল্টে ভয় দেখানো হয় বলেও দাবি পরিবারের। শেষপর্যন্ত ওই জমিতে পার্ক তৈরি করে উদ্বোধনও করা হয়। যদিও বর্তমানে রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে পার্কটি কার্যত পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে।
যদিও কাউন্সিলর মায়া দাস দাবি করেছেন, পার্ক তৈরির সময় তিনি কাউন্সিলর ছিলেন না। কামারহাটি পুরসভার চেয়ারম্যান গোপাল সাহা বলেন, “অন্যের জমিতে পুরসভার পার্ক কীভাবে হতে পারে, সেটাই প্রশ্ন। অভিযোগ উঠেছে, তাই জমির মালিকানা খতিয়ে দেখা হবে। কোনও অন্যায় বরদাস্ত করা হবে না।” এই ঘটনা নিয়ে জোর গুঞ্জন ছড়িয়েছে। রাজ্যের পালাবদলে বিজেপি ক্ষমতায় এসেছে। জমি দখল, তোলাবাজি, দুষ্কৃতীরাজ চলবে না বলে বিজেপি সরকার ঘোষণা করেছে। এবার ওই জমি কি ফিরিয়ে দেওয়া হবে? সেই প্রশ্ন উঠেছে।
