হামলার পর অনুব্রতর পাশে ঋতব্রতরা, মহালয়ার আগে সিউড়ির ওই দপ্তরেই ফের বসবেন 'কেষ্ট'
Arpita Mondal
বুধবার সিউড়ির দলীয় কার্যালয়ে হুলস্থুল কাণ্ড। যাঁর কথায় এক সময় বীরভূমের বাঘে-গরুতে নাকি এক ঘাটে জল খেত। সেই 'বাঘের' সামনেই দলীয় কার্যালয়ে তাণ্ডব চালাতে দেখা যায় একদল দুষ্কৃতীকে। কলার ধরে শাসানি। লাঠির বাড়ি মেরে সামনের টেবিলের কাচ ভেঙে গুঁড়ো করে দেওয়া হয়। এই ঘটনার ২৪ ঘণ্টা পর বৃহস্পতিবার বোলপুরে তৃণমূল কার্যালয়ে অনুব্রতর সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় (Ritabrata Banerjee) বলেন, "হামলা করে আটকে রাখা যাবে না। মহালয়ার আগের দিন ফের সিউড়ির পার্টি অফিসে যাবেন কেষ্টদা।" ঋতব্রতর আরও সংযোজন, "অনুব্রত মণ্ডল যে বাঘ, গতকালের ঘটনায় তিনি আবারও সেটা প্রমাণ দিয়েছেন। অন্য কেউ হলে ওই পরিস্থিতিতে কান্নাকাটি করত। কিন্তু কেষ্টদা সেই সময় সেখানেই বসেছিলেন।"
গতকালের ফুটেজের বিবরণ তুলে ধরে ঋতব্রত সাফ জানান, "মহালয়ার আগের দিন ৯ অক্টোবর কেষ্ট মণ্ডল আবার ওই পার্টি অফিসে যাবেন। কেউ ঠেকাতে পারবে না। আক্রমণ হলে যা করার করব।" তাঁর কথায়, "বেছে বেছে আক্রমণ হচ্ছে। রটিয়ে দেওয়া হচ্ছে আমরা বিজেপির বি টিম। আমরাই বারে বারে আক্রান্ত হচ্ছে। এই বক্তব্য খাটছে না।" ঋতব্রতর হুঁশিয়ারি, "আক্রমণ যত ধারালো হবে, প্রতিবাদও তত শানিত হবে।"
এই ঘটনায় অনুব্রতকে পাশে নিয়ে পুলিশকে দুষেছেন ঋতব্রতরা। বিরোধী দলনেতা বলেন, "অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal) শুধু জেলা সভাপতি নন, তিনি একজন বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ। যে ঘটনা ঘটেছে, তার নিন্দার কোনও ভাষা নেই। কয়েকজন কী বললেন, তা গ্রহণযোগ্য নয়।" ঋতব্রত আরও বলেন, "মুখ্যমন্ত্রী বারবার বলেছেন, আইনের শাসন কায়েম হবে। গতকালের ঘটনা প্রমাণ করছে বিজেপি শাসনের আইন কায়েম করতে চাইছে।" গতকালের ফুটেজের বিবরণ তুলে ধরে ঋতব্রত সাফ জানান, "মহালয়ার আগের দিন ৯ অক্টোবর কেষ্ট মণ্ডল আবার ওই পার্টি অফিসে যাবেন। কেউ ঠেকাতে পারবে না। আক্রমণ হলে যা করার করব।" তাঁর কথায়, "বেছে বেছে আক্রমণ হচ্ছে। রটিয়ে দেওয়া হচ্ছে আমরা বিজেপির বি টিম। আমরাই বারে বারে আক্রান্ত হচ্ছে। এই বক্তব্য খাটছে না।" ঋতব্রতর হুঁশিয়ারি, "আক্রমণ যত ধারালো হবে, প্রতিবাদও তত শানিত হবে।"
আরও পড়ুন:
বুধবার রাতে 'কেষ্ট'র জামার কলার ধরে 'হুমকি', পার্টি অফিসে ভাঙচুরের ঘটনায় ৩ যুবককে আটক করেও তারপর ছেড়ে দেয় পুলিশ। কোনও অভিযোগ দায়ের করেননি অনুব্রত মণ্ডল। পুলিশও স্বতঃপ্রণোদিত মামলা করেনি। এই ঘটনায় প্রশাসনকে কাঠগড়ায় তুলে ঋতব্রতর অভিযোগ, "পুলিশকে সুয়োমুটো কেস করতে কে বারণ করেছিল? যে ঘটনা ঘটেছে, অন্য কেউ হলে থানায় গিয়ে কান্নাকাটি করতেন। অনুব্রত জেলা সভাপতি নন, যে ঘটনা ঘটেছে, তা নিন্দার ভাষা নেই। আইনের শাসনের বদলে বিজেপি শাসনের আইন করতে চাইছে।"