ঝাড়ফুঁকের নামে বধূর শরীরে অশালীন স্পর্শ! তান্ত্রিকের কীর্তিতে ক্ষোভে ফুঁসছে ঝাড়গ্রাম
Kousik Sinha
ঝাড়ফুঁকের নাম করে গৃহবধূর শ্লীলতাহানি! এক তান্ত্রিককে গ্রেপ্তার করল পুলিশ। অভিযুক্ত ওই ব্যক্তির নাম শম্ভু মাহাতো। ধৃতের বাড়ি জামবনি থানার শালপাতড়া গ্রামে। বুধবার এই ঘটনায় অভিযুক্ত শম্ভুর নামে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন ওই মহিলা। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতে শুরু হয় তদন্ত। এরপরেই ওই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
ঝাড়গ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মানব সিংলা বলেন, ''অভিযোগকারী ওই লোকটিকে নিজের বাড়িতে ডেকেছিল। উনি অভিযোগ করেছেন শ্লীলতাহানি হয়েছে। থানায় অভিযোগের পর আমরা অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।''
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার ঘটনার দিন বিকেলে শম্ভু কবিরাজি করতে একটি গ্রামে গিয়েছিল। স্থানীয়রা জানান, শম্ভু গ্রামে ঘুরে ঘুরে বিভিন্ন রোগের জন্য শিকড়বাকড় ওষুধ হিসেবে দেয়। শুধু তাই নয়, করে থাকেন ঝাড়ফুঁকও। তাঁদের কথায়, বেশ কিছুদিন ধরেই ওই গ্রামের এক মহিলার শরীর খারাপ ছিল। সেই সময় ঝাড়ফুঁকের
জন্য ওই তান্ত্রিককে ডাকা হয়। ওই সময় বাড়িতে একটি শিশু ছিল। শম্ভু তাকে বাইরে রেখে বাড়ির ভিতরে যায়। অভিযোগ, সেখানে ঝাড়ফাঁক করার নামে ওই মহিলাকে শ্লীলতাহানি করেন ওই তান্ত্রিক। শরীরের একাধিক জায়গায় অশালীন স্পর্শ করা হয় বলেও অভিযোগ।
আরও পড়ুন:
যদিও প্রথমে লোকলজ্জার ভয়ে কাউকে কিছু বলেননি আক্রান্ত ওই মহিলা। যদিও পরে স্থানীয় জামবনি থানায় অভিযুক্ত তান্ত্রিক শম্ভুর নামে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ পাওয়া মাত্র তদন্তে নামে পুলিশ। জানা যায়, শালপাতড়া এলাকা থেকে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ঘটনা প্রসঙ্গে ঝাড়গ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মানব সিংলা বলেন, ''অভিযোগকারী ওই লোকটিকে নিজের বাড়িতে ডেকেছিল। উনি অভিযোগ করেছেন শ্লীলতাহানি হয়েছে। থানায় অভিযোগের পর আমরা অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।'' জানা গিয়েছে, আজ, বৃহস্পতিবার ধৃতকে ঝাড়গ্রাম (Jhargram) জেলা আদালতে তোলা হয়।