মন্দারমণি বিচে ২ কিলোমিটার 'রেড জোন', পুজোয় মরশুমে দুর্ঘটনা এড়াতে একগুচ্ছ নির্দেশিকা
Arpita Mondal
দুর্ঘটনা এড়াতে মন্দারমণি বিচের (Mandarmani Beach) ২ কিলোমিটার সমুদ্র স্নানের জন্য নিষিদ্ধ করল প্রশাসন। মূলত মোহনা এলাকাকে বিপজ্জনক এলাকা বলে চিহ্নিত করা হয়েছে। গত কয়েকদিনে মন্দারমণি সৈকতে একাধিক দুর্ঘটনা ঘটেছে। বারবার সতর্ক করার পরেও পর্যটকদের বেপরোয়া মনোভাবে উদ্বিগ্ন প্রশাসন। গত এক মাসে সমুদ্রে তলিয়ে প্রাণ হারান অন্তত ৫ জন পর্যটক। একের পর এক মর্মান্তিক দুর্ঘটনার পর মন্দারমণিতে পর্যটকদের নিরাপত্তায় এবার কড়া পদক্ষেপ পুলিশের।
পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পুলিশ এবং মন্দারমণি উপকূল থানার উদ্যোগে ৩ নম্বর ঘাট সংলগ্ন প্রায় দু'কিলোমিটার এলাকাজুড়ে বাঁশের খুঁটি পুঁতে দড়ি ও লাল ফিতে দিয়ে ঘিরে এলাকাটিকে চিহ্নিত করা হয়েছে 'রেড জোন'। কোনও পর্যটক যাতে নির্ধারিত সীমানা পেরিয়ে সমুদ্রের বিপজ্জনক অংশে নেমে না পড়েন, সেই লক্ষ্যেই এই বাঁশের ব্যারিকেড তৈরি করা হয়েছে।
এবার প্রশাসনের তরফে, পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পুলিশ এবং মন্দারমণি উপকূল থানার উদ্যোগে ৩ নম্বর ঘাট সংলগ্ন প্রায় দু'কিলোমিটার এলাকাজুড়ে বাঁশের খুঁটি পুঁতে দড়ি ও লাল ফিতে দিয়ে ঘিরে এলাকাটিকে চিহ্নিত করা হয়েছে 'রেড জোন'। কোনও পর্যটক যাতে নির্ধারিত সীমানা পেরিয়ে সমুদ্রের বিপজ্জনক অংশে নেমে না পড়েন, সেই লক্ষ্যেই এই বাঁশের ব্যারিকেড তৈরি করা হয়েছে। প্রশাসনের দাবি, সৈকতে এই কড়াকড়ি এবং 'রেড জোন' চিহ্ন দেখে পর্যটকেরা আরও সতর্ক হবেন। সমুদ্রের বিপজ্জনক অংশে নামা এড়ানো গেলে ভবিষ্যতে এ ধরনের দুর্ঘটনা অনেকটাই কমানো সম্ভব হবে।
আরও পড়ুন:
পূর্ব মেদিনীপুরের পুলিশ সুপার অংশুমান সাহা বলেন, "পর্যটন কেন্দ্রের ঘাটগুলিতে পুলিশ, সিভিক ভলান্টিয়ার, নুলিয়া ও উদ্ধারকারী দল নিযুক্ত রয়েছে। পুজোর মরশুমে সেই সংখ্যা বাড়ানো হচ্ছে। আগে ৬০-৬৫ জন নিযুক্ত ছিলেন। এখন তা বাড়িয়ে ১০০ জন করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে তাঁদের বিশেষ প্রশিক্ষণও দেওয়া হয়েছে।"
অপরদিকে পুজোর আগেই দিঘায় নিরাপত্তা বাড়াতে উদ্যোগী প্রশাসন। গত কয়েকমাসে দিঘার সমুদ্রে স্নান করতে নেমে তলিয়ে গিয়ে নিখোঁজ ও মৃত্যুর একাধিক ঘটনা ঘটেছে। পুজোর মরশুমে যাতে দুর্ঘটনা না বাড়ে তা নিশ্চিত করতেই তৎপরতা। পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পুলিশের তরফে এবিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। জানা গিয়েছে, নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে দিঘার সমুদ্র সৈকতে পুলিশ, সিভিক ভলান্টিয়ার, উদ্ধারকারী দল এবং নুলিয়াদের সংখ্যা বাড়ানো হচ্ছে। এর পাশাপাশি, নতুন স্পিডবোটও দেওয়া হচ্ছে। জেলাশাসক নিরঞ্জন কুমার জানিয়েছেন, " আনন্দ যেন বিপদ না ডেকে আনে তা খেয়াল রাখতে হবে। পর্যটকদের নিজেদেরও সচেতন হতে হবে। তা না হলে মাইকে প্রচার করেও কিছু কাজ হবে না।" এবিষয়ে পূর্ব মেদিনীপুরের পুলিশ সুপার অংশুমান সাহা বলেন, "পর্যটন কেন্দ্রের ঘাটগুলিতে পুলিশ, সিভিক ভলান্টিয়ার, নুলিয়া ও উদ্ধারকারী দল নিযুক্ত রয়েছে। পুজোর মরশুমে সেই সংখ্যা বাড়ানো হচ্ছে। আগে ৬০-৬৫ জন নিযুক্ত ছিলেন। এখন তা বাড়িয়ে ১০০ জন করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে তাঁদের বিশেষ প্রশিক্ষণও দেওয়া হয়েছে।" পর্যটকেরা সমস্যায় পড়লে কী করণীয়, সমুদ্রে তলিয়ে যাওয়া পর্যটকদের কী ভাবে উদ্ধার করতে হবে, সে বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।