'হিন্দুত্বের হৃদয় অত্যন্ত বিস্তৃত', ভিএইচপি-র অনুষ্ঠানে ভারতীয় সংস্কৃতির মাহাত্ম্য রাজ্যপালের মুখে
Sucheta Sengupta
বিশ্ব হিন্দু পরিষদের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে কার্যত সংঘের পক্ষে ব্যাট ধরলেন রাজ্যপাল রবীন্দ্র নারায়ণ রবি (RN Ravi)। তাঁর মতে, ভারতের ইতিহাসকে বিকৃত করা হয়েছে। ইংরেজ, পর্তুগিজ এবং ফরাসি থেকে ইসলামিক শক্তি বুঝেছিল, পুরো ভারতকে নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব নয়। তাই ভারতকে দুর্বল করা ও হীনমন্যতা বোধ তৈরি করার চক্রান্ত রয়েছে সেই ইতিহাসে। ভারতীয়দের নিজেদের ইতিহাস, সংস্কৃতি নিয়ে আলোচনায় শুক্রবার বর্ধমানে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের অনুষ্ঠানে যোগ দেন রাজ্যপাল। অনুষ্ঠানে ছিলেন রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল ও বিশ্ব হিন্দু পরিষদের কেন্দ্রীয় প্রমুখ অজয় পারেখ।
শুক্রবার অশোক সিংঘলের জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে বর্ধমানে একটি বেসরকারি স্কুলের অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠানের আয়োজন হয়। সেই অনুষ্ঠানে রাজ্যপালের বক্তব্য, রাষ্ট্রের সংরক্ষণের কেন্দ্রে রয়েছে হিন্দুত্ব। যখন হিন্দু বলা হয়, তখন ভারতের ১৪০ কোটি ভারতীয়কেই তার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। তাঁর কথায়, ‘‘হিন্দুত্বের হৃদয় অত্যন্ত বিস্তৃত। সেখানে কাউকে পর মনে করা হয় না।''
শুক্রবার অশোক সিংঘলের জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে বর্ধমানে একটি বেসরকারি স্কুলের অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠানের আয়োজন হয়। সেই অনুষ্ঠানে রাজ্যপালের বক্তব্য, রাষ্ট্রের সংরক্ষণের কেন্দ্রে রয়েছে হিন্দুত্ব। যখন হিন্দু বলা হয়, তখন ভারতের ১৪০ কোটি ভারতীয়কেই তার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। তাঁর কথায়, ‘‘হিন্দুত্বের হৃদয় অত্যন্ত বিস্তৃত। সেখানে কাউকে পর মনে করা হয় না।''
আরও পড়ুন:
এরপরই ইংরেজ শাসকের মাধ্যমে ভারতের ইতিহাস বিকৃত করে রচিত হয় বলে অভিযোগ করেন রাজ্যপাল। তাঁর বক্তব্য, ইংরেজ, পর্তুগিজ এবং ফরাসিরা ভারতে এসে শুধু সামরিক শক্তির মাধ্যমে দেশ দখলের চেষ্টা করেনি। তাদের উপলব্ধি হয়েছিল, শত শত বছর ধরে বিভিন্ন ইসলামিক শাসক ভারত দখলের চেষ্টা করেও গোটা দেশকে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে আনা যায়নি। তাই ভারত জয় করতে হলে শুধু সামরিক শক্তি যথেষ্ট নয় বলে মনে করেছিল তারা। ভারতকে দুর্বল করতে ইতিহাস পর্যন্ত বদলে দেওয়া হয়।
রাজ্যপাল বলেন, ‘‘তারা প্রথমে ভারতের ইতিহাসকে নিজেদের মতো করে লেখার চেষ্টা করেছিল। অষ্টাদশ শতাব্দীর শেষভাগ এবং উনিশ শতকের গোড়ায় জেমস মিলকে দিয়ে ইতিহাস লেখানো হয়। সেই ইতিহাসের মাধ্যমে হিন্দুত্ব এবং ভারতীয় সভ্যতাকে দুর্বল করে দেখানোর চেষ্টা হয়েছিল। ভারতীয়দের মধ্যে হীনমন্যতা তৈরি করারও পরিকল্পিত প্রয়াস চালানো হয়েছিল।”
রাজ্যপাল বলেন, ‘‘তারা প্রথমে ভারতের ইতিহাসকে নিজেদের মতো করে লেখার চেষ্টা করেছিল। অষ্টাদশ শতাব্দীর শেষভাগ এবং উনিশ শতকের গোড়ায় জেমস মিলকে দিয়ে ইতিহাস লেখানো হয়। সেই ইতিহাসের মাধ্যমে হিন্দুত্ব এবং ভারতীয় সভ্যতাকে দুর্বল করে দেখানোর চেষ্টা হয়েছিল। ভারতীয়দের মধ্যে হীনমন্যতা তৈরি করারও পরিকল্পিত প্রয়াস চালানো হয়েছিল।” এদিন রাজ্যপাল জানান, ভারতের অতীতকে কীভাবে দেখা হবে এবং ভারতীয়দের নিজেদের ইতিহাস ও সংস্কৃতির প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি কী হবে, তা নিয়ে নতুন করে ভাবার প্রয়োজন রয়েছে।