বর্জ্য গবেষণায় বিশ্বমানের স্বীকৃতি, আইইএমের সম্মাননা পেলেন দুই বিশিষ্ট গবেষক
Buddhadeb Halder
স্মার্ট সিটি থেকে শিল্পাঞ্চল, বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় জোরালো বার্তা দিল ইনস্টিটিউট অব ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট (আইইএম)। শনিবার সল্টলেকের ম্যানেজমেন্ট হাউসে পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি ও টেকসই বর্জ্য প্রক্রিয়াকরণ সংক্রান্ত পঞ্চম আন্তর্জাতিক সম্মেলনের সূচনা হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠান মঞ্চেই গবেষণায় বিশেষ অবদানের জন্য দেশের দুই প্রথম সারির গবেষকের হাতে তুলে দেওয়া হয় মর্যাদাপূর্ণ ‘আইইএম উৎকর্ষ সম্মাননা ২০২৬’।
সম্মানিতদের তালিকায় রয়েছেন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য এবং সিএসআইআর-সেন্ট্রাল মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং রিসার্চ ইনস্টিটিউটের প্রবীণ বিজ্ঞানী অধ্যাপক অমিত গাঙ্গুলি। দীর্ঘদিন ধরে বৈজ্ঞানিক উদ্ভাবন ও পরিবেশবান্ধব বর্জ্য প্রক্রিয়াকরণের ক্ষেত্রে ধারাবাহিক কাজের স্বীকৃতি দিতেই তাঁদের এই আইইএম সম্মানে ভূষিত করা হল।
আরও পড়ুন:
সম্মেলনে উপস্থিত বিশেষজ্ঞরা জানান, আবর্জনার পাহাড় সাফ করে তাকে কীভাবে পুনর্নবীকরণযোগ্য সম্পদে পরিণত করা যায়, সেটাই বর্তমান সময়ের প্রধান চ্যালেঞ্জ। পরিবেশবিজ্ঞানীদের দাবি, জমে থাকা জঞ্জালকে কাজে লাগিয়ে বিদ্যুৎ তৈরি করা সম্ভব। একই সঙ্গে বর্জ্য প্রক্রিয়াজাত করে তৈরি করা যায় উন্নত মানের সিমেন্ট ও অন্যান্য নির্মাণ সামগ্রী। এই ধারার সফল ব্যবসায়িক মডেল আন্তর্জাতিক স্তরে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে। সঠিক উদ্যোগ নিলে পশ্চিমবঙ্গেও জঞ্জাল থেকে রাজস্ব ও বিদ্যুৎ উৎপাদনের বিশাল সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে।
এদিনের আন্তর্জাতিক আলোচনাচক্রে উপস্থিত ছিলেন আইইএমের নির্দেশক অধ্যাপক সত্যজিৎ চক্রবর্তী, আইইএমের অধ্যক্ষ অধ্যাপক অরুণ কুমার বার, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন ডিন তথা আন্তর্জাতিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সংস্থার (আইএসডব্লিউএমএডব্লিউ) সভাপতি অধ্যাপক সাধন কুমার ঘোষ। মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রধান অধ্যাপক দ্বৈপায়ন দে এবং অধ্যাপক রাহুল বৈদ্যও আলোচনায় অংশ নেন। পরিবেশরক্ষা ও বৈজ্ঞানিক গবেষণায় গতি আনাই এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য।