সাদা শাড়ি-রংমিলান্তি ব্লাউজ সঙ্গে নজরকাড়া হেয়ারস্টাইল আর মুখে চওড়া হাসি। গ্ল্যাম অবতারে নিজের আপকামিং সিরিজের প্রচারে দেখা মিলল 'শ্বেতশুভ্র' প্রিয়াঙ্কা সরকারের (Priyanka Sarkar)। আগামী ১২ জুন ওটিটিতে মুক্তি পাচ্ছে বিক্রম চট্টোপাধ্যায় প্রযোজিত প্রথম ওয়েব সিরিজ 'তারকাটা'। মুক্তির প্রাক্কালে জোরকদমে চলছে প্রচার। সোমবার 'তারকাটা' সিরিজের একটি ইভেন্টে উপস্থিত ছিলেন কলাকুশলীরা। সকলের মাঝে প্রিয়াঙ্কাই যেন মধ্যমণি। রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের অকাল মৃত্যুর পর এটাই প্রিয়াঙ্কার প্রথম কাজ। স্বামী হরানোর যন্ত্রণা চেপে বারবার হাসি মুখে পেশাদারিত্বের নজির গড়েছেন। এদিনও তার ব্যতিক্রম হল না।
উপস্থিত সাংবাদিকদের সব প্রশ্নের উত্তর দেওয়া থেকে সকলের সঙ্গে হাসিঠাট্টা সবটাই করেছেন প্রিয়াঙ্কা। সহ অভিনেতা মায়া চ্যাংয়ের সঙ্গে আড্ডার মুহূর্তে লেন্সবন্দি হয়ছেন অভিনেত্রী। প্রত্যেকের মতো তিনিও 'তারকাটা' লেখা সানগ্লাস পরে ট্রেলার দেখে উচ্ছ্বসিত। সিরিজের নাম যখন তারকাটা তখন সেখানে মজাদার চমক থাকবে সেটাই তো স্বাভাবিক। ঠিক যেভাবে বিক্রম সকলকে চমকে দিয়ে বলেছিলেন সিরিজের প্রযোজনা থেকে সরে যাচ্ছেন। ইভেন্টজুড়েও অনেক মজার ঘটনার সাক্ষী থেকেছেন উপস্থিত প্রত্যেকে।
চরিত্রের প্রয়োজনে তো তার কাটতেই হয়েছে, বাস্তবে কখনও প্রিয়াঙ্কা সরকার তারকাটা হয়ে যান? একগাল হেসে সম্মতি জাানিয়ে বলেন, "প্রচণ্ড গরমে মাঝেমধ্যেই হালকা করে তারটা কাটতে শুরু করে। যখন খুব খিদে পায় তখন তারটা কেটে যায়। আমার এখন একটু একা সময় কাটানো ভীষণ প্রয়োজন। সেটা যখন পারি না, অনেকদিন ঘুরতে যাওয়া না হলেও তারকাটা হয়ে যাই।"
'তারকাটা' প্রিয়াঙ্কা
এরকম পরিস্থিতিতে কোন টোটকায় নিজেকে শান্ত করেন? প্রিয়াঙ্কা জানান, "নিজের জন্য একটু সময় বের করে নিই। কী করলে নিজের মনটা একটু ভালো লাগবে সেটা আগে বোঝার চেষ্টা করি। তারপর সেই কাজটা করি। এভাবেই কাটা তারগুলো আবার জুড়ে যায়।" সিরিজের প্রচারে সহজকে নিয়ে বেশ কিছু মজার কথা ভাগ করে সেলেব মম প্রিয়াঙ্কা সরকার বলেন, "আমি ভাগ্যবান যে সহজ তারকাটা হয়েই জন্মেছে। তাই ও আমাকে অনুপ্রেরণা দেয়। আমরা এখন দুজনে মিলে চেষ্টা করি এই ক্রেজিনেসটা এনজয় করতে।"
রাহুলের মৃত্যুর পর প্রথম কাজ প্রিয়াঙ্কার
আরও যোগ করেন, "সত্যি বলতে আমি প্রতিদিন প্রার্থনা করি সহজ যেন আমার থেকেও বেশি তারকাটা হোক। শুধু আমি কেন, সকলের থেকে বেশি তারকাটা হোক যাতে নিজের মতো করে জীবনে চলতে পারে। পারিপার্শ্বিক কথা গায়ে না মেখে নিজের ইচ্ছেয় কাজ করার সাহসটুকু রাখতে পারে।"
