আবেগপ্রবণ সলমন খান। মঙ্গলবার চোখে জল নিয়ে মুম্বইয়ের এক বেসরকারি হাসপাতাল থেকে বেরতে দেখা যায় ভাইজানকে। পরনে সাদামাটা পোশাক। উসকো-খুসকো চুল! বিধ্বস্ত চেহারা। চোখেমুখে শোকের ছাপ স্পষ্ট। এদিন হাসপাতালের বাইরে শোকবিহ্বল ভাইজানকে দেখে হতবাক উপস্থিত ছবিশিকারীরা! পাপারাজ্জিদের সুবাদে এহেন ক্যামেরাবন্দি মুহূর্ত সোশাল পাড়ায় দাবানল গতিতে ছড়িয়ে পড়তেই খান পরিবারকে নিয়ে উদ্বিগ্ন অনুরাগীরা। কারণ হাসপাতালে বাইরে পরিবারের বাকি সদস্যদেরও দেখা গিয়েছে এদিন। সেই প্রেক্ষিতেই ভক্তমহলের কৌতূহল, আচমকাই কী হল?
হাসপাতালের বাইরে আবেগপ্রবণ সলমন খান। ছবি- সংগৃহীত
খবর, বিগত কয়েক মাস ধরে সময়টা মোটেই ভালো যাচ্ছে না সলমনের! একের পর এক বন্ধুবিয়োগ ঘটছে। গত মাসেই কাছের বন্ধু সুশীল কুমারকে হারিয়ে সোশাল মিডিয়ায় আবেগঘন পোস্ট করেন ভাইজান। দিন কয়েক যেতে না যেতেই ফের বন্ধুবিয়োগের যন্ত্রণায় কাতর বলিউড সুপারস্টার। মঙ্গলবার প্রয়াত হয়েছেন কুমুদ রানে। যিনি খান পরিবারের খুব ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিলেন। এদিন সকালে তাঁর মৃত্যুর খবর পেয়েই হাসপাতালে ছুটে যান সলমন-সহ খান পরিবারের বাকি সদস্যরা। উপস্থিত ছিলেন ভাইজানের দুই মা সালমা খান, হেলেন, ভাই সোহেল খান এবং বোন অর্পিতা খান শর্মা। সেখানেই ঘনিষ্ঠবৃত্তে সলমনকে আবেগপ্রবণ দেখা যায়। হাসপাতাল থেকে বেরনোর সময়ে কিছুতেই চোখের জল ধরে রাখতে পারেননি তিনি। এরপর শোকবিধ্বস্ত অবস্থাতেই সেখান থেকে শ্মশানে ছুটতে দেখা যায় ভাইজানকে।
শেষকৃত্যে কুমুদ রানের পরিবারের সঙ্গে বার্তালাপের সময় সলমনকে চোখের জল মুছতে দেখা গিয়েছে। পাপারাজ্জিদের সুবাদে সেসব ক্যামেরাবন্দি মুহূর্তই আপাতত সোশাল পাড়ায় ভাইরাল। গত মাসে চার দশকের বন্ধু সুশীল কুমারকে হারিয়েছেন সলমন। এবার কুমুদ রানের প্রয়াণে যেন আরও ভেঙে পড়েছেন তিনি। 'বদমেজাজি' বলে সমালোচিত হলেও সলমন যে বরাবর আবেগপ্রবণ, ঘনিষ্ঠদের সেকথা জানা। দিন কয়েক আগেই হাসপাতালের বাইরে ছবিশিকারীদের উপর মেজাজ হারিয়ে গর্জে উঠেছিলেন। কিন্তু এবার 'টুঁ' শব্দটিও করলেন না। শোকবিধ্বস্ত চেহারায় হাসপাতাল থেকে শ্মশানে গেলেন কাছের বন্ধুকে শেষবারের মতো বিদায় জানাতে। আর সেসব ক্যামেরাবন্দি মুহূর্ত দেখেই উদ্বেগ প্রকাশ করে ভক্তমহল।
