বিশ্বকাপ জিততে না জিততেই নতুন বিতর্কে জড়ালেন হার্দিক পাণ্ডিয়া (Hardik Pandya)। জাতীয় পতাকা অবমাননার দায়ে ভারতীয় অলরাউন্ডারের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে। অভিযোগকারী এক আইনজীবী। তিনি পুলিশকে এই ঘটনার জন্য এফআইআর দায়ের করার কথা জানিয়েছেন।
পুণেতে শিবাজি নগর থানায় হার্দিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন ওয়াজিদ খান নামক এক আইনজীবী। সংবাদসংস্থা এএনআই-কে তিনি বলেন, “আপনারা টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ দেখেছেন। হার্দিক পাণ্ডিয়া তাঁর বান্ধবীর সঙ্গে নাচছিলেন। তাঁর পিঠে জাতীয় পতাকা বাঁধা ছিল। ১৯৭১ সালের জাতীয় পতাকা আইনের ২ নম্বর ধারা অনুযায়ী, জাতীয় পতাকার মর্যাদা রক্ষা করা আমাদের দায়িত্ব। কিন্তু জয়ের আনন্দে তিনি এতটাই ডুবে গিয়েছিলেন যে, জাতীয় পতাকা পরে শুয়ে পড়েছিলেন। যা আমার মতে পতাকার প্রতি অসম্মান।”
তিনি আরও বলেছেন, “হার্দিকের এই কাজ সংশ্লিষ্ট আইনের অধীনে একটি অপরাধ। সেই কারণে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। জাতীয় পতাকার মর্যাদাকে সম্মান করা প্রতিটি নাগরিকের কর্তব্য।” পুণের আইনজীবীর সংযোজন, “আমি শিবাজি নগর থানায় অভিযোগ দায়ের করেছি। প্রথমে পুলিশ জানায় ঘটনাটি অন্য জায়গায় ঘটেছে। আমি তাদের জানাই, জাতীয় পতাকা তো গোটা দেশের প্রতীক। তাই এখানেও অভিযোগ জানানো যায়। পুলিশ আমার অভিযোগ গ্রহণ করেছে। একটি কপিও দিয়েছে। এখন দেখা যাক কী হয়।”
মাঠে এখন হার্দিক পাণ্ডিয়ার ছায়াসঙ্গী মাহিকা শর্মা। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ের পর মাঠেই হার্দিককে চুমু খান মাহিকা। না, এখন আর শুধু বান্ধবী নন। মাহিকা এখন তাঁর ‘স্ত্রী’। বিশ্বকাপ ফাইনালের পর মাঠেই তাঁকে ‘মিসেস’-এর মর্যাদা দেন ভারতীয় অলরাউন্ডার। ২০২৪ সালে নাতাশা স্তানকোভিচের সঙ্গে বিচ্ছেদের পথে হেঁটেছিলেন হার্দিক। তারপর জীবনে বহু উত্থানপতন এসেছে। তারপর তাঁর হাত ধরেছেন মাহিকা। এমনকী ছেলে অগস্ত্যর সঙ্গেও যথেষ্ট ‘ভাব’ মাহিকার। হার্দিকের ম্যাচ থাকলে স্টেডিয়ামে মাহিকাকে দেখা যাওয়াটাই নিয়মিত ঘটনা হয়ে গিয়েছে। সেমিফাইনালেও প্রেমিকের পুত্রকে কোলে নিয়ে ম্যাচ দেখেন মাহিকা। একসঙ্গে টেনশন করলেন, একসঙ্গে সেলিব্রেশনও করলেন। সেই হার্দিকের বিরুদ্ধে এবার দায়ের হল জাতীয় পতাকাকে অবমাননার অভিযোগ।
