বন্ধুদের সঙ্গে ঘোরা থেকে সিনেমা দেখার ইচ্ছে, পুজোয় আর কী প্ল্যান 'বীরাঙ্গনা' সন্দীপ্তার?
Kasturi Kundu
সন্দীপ্তা সেন, বাংলা ইন্ডাস্ট্রির অন্যতম জনপ্রিয় মুখ। ধারাবাহিকের গণ্ডি পেরিয়ে ঝুলিতে সিনেমা-সিরিজের একগুচ্ছ কাজ। মুক্তির অপেক্ষায় ওয়েব সিরিজ 'বীরাঙ্গনা ২।' অভিনয় দক্ষতায় বারবার দর্শক মনকে প্রভাবিত করেন সন্দীপ্তা। কাজের হাজার ব্যস্ততার মাঝেও বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গা পুজোর আনন্দের রসদ চেটেপুটে উপভোগ করতে কোনও ত্রুটি রাখেন না। শারদীয়ার আনন্দে ইতিমধ্যেই গা ভাসিয়েছেন সন্দীপ্তা সেন।
সত্যিই তো হাতে মাত্র বাকি কয়েকটা দিন। পুজোর কেনাকাটা, পরিবার-বন্ধুদের সঙ্গে ঘোরা-সহ আরও কত কী প্ল্যানিং করতে হয়। কাজ তো বছরভর, পুজোর এই চার-পাঁচটা দিন ফুল অন মস্তি মুডে থাকাটাই তো স্বাভাবিক। ছাব্বিশের পুজো প্ল্যান নিয়ে কী জানালেন বঙ্গললনা সন্দীপ্তা? তিনি জানান, "প্রত্যেকবারের মতো এবারও পুজো পরিক্রমা রয়েছে। অনেকটা সময় ওখানেই কেটে যায়। তবে সপ্তমীর দুপুরের আমাদের চারজন (মা,বাবা, সৌম্য, সন্দীপ্তা) লাঞ্চটা হবেই। পুজোর চারটে দিন ঠাকুর দেখব। বন্ধুদের সঙ্গে ষষ্ঠী থেকে অষ্টমী প্ল্যান করব। একদিন একেনবাবু সিনেমাটা দেখার ইচ্ছে আছে। আসলে নবমীতে আমাদের ঘুরতে যাওয়ার একটা কথা হচ্ছে। তবে কোথায় যাব সেটা এখনও ঠিক করতে পারিনি।"
আরও পড়ুন:
পুজোর কেনাকাটা কতদূর? এবিষয়ে সন্দীপ্তার সংযোজন, "মা, বাবার জন্য শপিং করে ফেলেছি। নিজের জন্যও কেনাকাটা প্রায় শেষ। তবে সৌম্য এখন খুব ব্যস্ত। ওঁরটা পুরো বাকি। পরের মাসের শুরুতেই সৌম্য একটু ফাঁকা হয়ে শপিং করবে।" পুজোয় কেমন সাজ পছন্দ সন্দীপ্তার? তাঁর কথায়, "পুজোর সময় আমার প্রথম পছন্দ শাড়ি। পুজো পরিক্রমা বা অষ্টমীর অঞ্জলিতে তো শাড়িই পরি। ইস্টার্ন কুর্তিও আছে। বাড়ির আড্ডায় একদম ক্যাজুয়াল ড্রেস। পুজোর শপিং করতে আমার না খুব ভালো লাগে। প্রতিবার নিজে গিয়ে কেনাকাটা করার চেষ্টা করি। গতবার এই সময়টা শুটিংয়ের জন্য চণ্ডীগড়ে ছিলাম। তাই হয়ে ওঠেনি। এবার আর মিস করিনি।"
পুজোর সময়ও কী কড়া ডায়েট? সন্দীপ্তার সাফ জবাব, "আমি পুজোর শপিং করতে গিয়েও খাই। আর ওই চারটে দিন ডায়েট? একদমই না, জমিয়ে খাওয়াদাওয়া করি।"দশ বছরে পুজোয় কোনও বিশেষ পরিবর্তন চোখে পড়েছে? সন্দীপ্তা বলেন, "হ্যাঁ, দশ বছরের হিসেবে পুজো বেশ অনেকটাই বদলে গিয়েছে। এখন থিম পুজো বেশি দেখা যায়। বিজ্ঞাপনের পরিমান বেড়েছে। সেটা অবশ্য আমাদের জন্য ভালো। তবে আগে পুজো উপলক্ষে কলকাতায় অনেক ব্র্যান্ড আসত। সেটা এখন আসে না। প্রফেশনাল দিক থেকে সেটা বেশ লাভবান ছিল।"
সবশেষে আসা যাক পুজোর প্রেমের কথায়। সন্দীপ্তা কখনও ঠাকুর দেখতে গিয়ে প্রেমে পড়েছেন? একগাল হেসে বলেন, "না, পুজোয় কখনও প্রেম হয়নি। আগে যখন কাজিনদের সঙ্গে প্যান্ডেলে যেতাম তখন দেখতাম কে কাকে ঝারি মারছে, কে কার সঙ্গে ফোন নম্বর এক্সচেঞ্জ করছে। তবে ছোটবেলায় আমার কাছে পুজো মানেই রাইড চড়া। ওটা আমার নেশা ছিল।"