ডিজে বিটে রাশ, ঢাকের বোলেই আগমনির মেজাজ শহরে! বাড়তি বায়নায় ঢাকির ঘরে 'আলো'
Arpita Mondal
রাজ্য়ে পালাবদলের পর প্রথম পুজো। দুর্গাপুজোর বৈঠকেও মুখ্যমন্ত্রী সাফ জানিয়ে দিয়েছিলেন, পুজোমণ্ডপ বা শোভাযাত্রায় তারস্বরে ডিজে বাজানো যাবে না। এবার পুজোয় ডিজে-মাইকে সরকারের নিষেধাজ্ঞার পরেই বাড়ছে সাবেকি ঢাকের চাহিদা। ঢাকিরা বলছেন, অন্যবারের তুলনায় এ বার বায়নাও আসছে বেশি। তাই ঢাকিদের গ্রামে এখন ব্যস্ততা তুঙ্গে। দিনরাত মহড়া, ঢাকির বোলে মেজাজ বুনছে ঢাকিরা।
পুজোর বাকি আর মাত্র ক'টা দিন। পূর্ব মেদিনীপুরের শহিদ মাতঙ্গিনী ব্লকের একাধিক গ্রামে বছরের পর বছর ধরে ঢাকিদের বাস। পুজোর আগে সেই গ্রাম এখন 'আগমনি'তে ব্যস্ত। ঘরে ঘরে ঢু দিলেই দেখা যাচ্ছে, কেউ ঢাকের খোল মেরামত করছেন, কেউ চামড়ায় টান দিয়ে বোল বাঁধছেন। পুজোর আগে এই সময়টাতেই একে একে বায়না আসতে থাকে গ্রামে। তবে এবার সেই চাপটা অন্যবারের তুলনায় অনেক বেশি জানাচ্ছেন শিল্পীরা। শুধু জেলায় নয়, অন্য জেলা ও ভিনরাজ্য থেকেও বায়না আসছে বলেই জানাচ্ছেন তারা।
আরও পড়ুন:
শিল্পীরা জানাচ্ছেন, কলকাতা, খড়্গপুর, টাটা, জামশেদপুরের পাশাপাশি দিল্লি, মধ্যপ্রদেশ ও মহারাষ্ট্র থেকেও বায়না এসেছে এবার। পুজোর ভিনরাজ্যের বরাত পেয়ে অনেকেই অন্য রাজ্যে চলে যাচ্ছেন। অন্যদিকে, চাহিদা বাড়লেও শিল্পীর সংখ্যা কম হওয়ায় সমস্যা তৈরি হয়েছে। অনেক পুজো কমিটি স্থানীয় শিল্পী না পেয়ে জেলার বাইরে যোগাযোগ করতে বাধ্য হচ্ছেন। ট্রেন্ডিং ডিজেতে যাদের রুজি-রুটিতে টান পড়েছিল, পালাবদলের পুজো এবার তাঁদের মুখেহাসি ফোটাচ্ছে। ঢাকের বোলে ফের প্রাণ পেতে চলছে শারদীয়া।