মিনিমালই নয়া ট্রেন্ড, পঞ্চমী-ষষ্ঠীতে একরঙা কুর্তির সঙ্গে নজর কাড়বে এই ৪ ধরনের ওড়না
Utsa Tarafdar
অষ্টমীর জন্য শাড়ি তো তোলা রইলই, কিন্তু পঞ্চমী-ষষ্টির হালকা সাজে প্রাধান্য পাবে কোন পোশাক? এমন দিনে চাইলেই কুর্তির সঙ্গে জমকালো ওড়নায় সেজে ওঠা যায়। কেমন ধরনের কুর্তির রূপ খোলতাই হবে কেমন ওড়নার সঙ্গে, সে জানতে বুঝে নিতে হবে সহজ সমীকরণ (4 Dupattas to Pair with Kurti)।
আরও পড়ুন:
বেনারসি ওড়না
বেনারসি শাড়ির মতোই নকশা-কারুকাজে ঠাঁসা হয় বেনারসি ওড়না। সাধারণত চোখ ধাঁধানো লাল, নীল, কালো, গোলাপি জমির উপর উজ্জ্বল সোনালি বা রুপালি জড়ির কাজ থাকে। পাড়ের দিকে দেখা যায় রঙিন বড় বড় মোটিফ। এমন ওড়না নিতে চাইলে সঙ্গে কুর্তিটিকে হতে হয় একরঙা। ওড়নার রঙ ডিপ হলে, কুর্তির রঙ হতে হয় হালকা সাদা, গোলাপি, অফ-হোয়াইট, ঘিয়ে বা ক্রিম। কুর্তি কালো বা নীল হলে, ঘিয়ে বা সোনালি রঙের ওড়না নেওয়া যায়।
চান্দেরি সিল্ক ওড়না
এই কাপড়ের বুনন ঘন নয়, বরং আংশিক সি-থ্রু বলা যায়। ফলে ওড়না জায়গায় ধরে রাখার জন্য পিন করে নিতে হয় কুর্তির সঙ্গে। এক্ষেত্রে সেফটিপিন বদলে সফট ক্লোদ পিন ব্যবহার করুন, যাতে টান লাগলে ওড়না বা কুর্তির ফেব্রিক ছিঁড়ে না যেতে পারে। সাধারণত হালকা রঙেরই হয় এমন ওড়না, তাই কুর্তির রঙ ঘন হলে তা বেশি মানানসই লাগে।
বাঁধনি ওড়না
এই রাজস্থানি কাপড় টাই-ডাই পদ্ধতিতে রাঙানো হয়। এই কাপড়ে থাকে একাধিক রঙের সমাহার। এমন ওড়নার রঙ উজ্জ্বল, তাই হালকা রঙের কুর্তি পরাই যায়। তবে ভুললে চলে না যে রাজস্থানি পোশাক মাত্রেই ম্যাক্সিমালিস্ট। অর্থাৎ একসঙ্গে অনেক রঙ, অনেক নকশার সমাহার। তাই তেমন লুক পুরোপুরি আনতে চাইলে হালকা রঙের বদলে, ওড়নার অনেক রঙের মধ্যে থেকে কোনও একটি রঙেরই কুর্তি পরা যায়।
জরি বা এমব্রয়ডারি করা ওড়না
একেবারে সাধারণ কুর্তিকে উৎসবের সাজে পরিণত করতে চাইলে জরি, সিকুইন বা এমব্রয়ডারি করা ওড়না বেছে নিতে পারেন। ভারী কাজের ওড়নার সঙ্গে কুর্তি হবে একদম সাদামাটা। এতে ওড়নাটিই হয়ে উঠবে সাজের মূল আকর্ষণ।
কেবল পোশাকেই থামলে চলবে না। যে কোনও লুকের শেষ কথাই হল, তার সঙ্গে কী কী অ্যাক্সেসারিজ নেওয়া হচ্ছে। ফলে পোশাকের সঙ্গে মানানসই স্টেটমেন্ট কানের দুল, জুতো ও সাইডব্যাগ বা ক্লাচ নিতে পারলে তবেই সম্পূর্ণ হবে সাজ।