দেবীপক্ষমহানগররাজ্যবিদেশখেলালাইফস্টাইল
Munnar

১২ বছরে একবার ফোটে বিরল এই ফুল, পুজোর ছুটি কাটান দক্ষিণ ভারতের বেগুনি গালিচায়

পর্যটকদের জন্য মুন্নার থেকে গাড়ি করে নীলকুরিঞ্জির বাগানে যাওয়ার বিভিন্ন ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এর মধ্যে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য চোক্রামুড়ি কুরিঞ্জি গার্ডেন।
Utsa Tarafdar
07:47 PM Sep 08, 2026 IST
পর্যটকদের জন্য মুন্নার থেকে গাড়ি করে নীলকুরিঞ্জির বাগানে যাওয়ার বিভিন্ন ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এর মধ্যে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য চোক্রামুড়ি কুরিঞ্জি গার্ডেন।
দেখলে মনে হয় যেন পাহাড়ের গায়ে একের পর এক বেগুনি ঢেউ খেলে গিয়েছে।

বিদেশ নয়, ভারতের দক্ষিণের এক রাজ্য। গাছে গাছে ভরে গিয়েছে নীল-বেগুনি ফুল। দেখে মন্ত্রমুগ্ধের মতো দাঁড়িয়ে থাকেন পর্যটক। কারণ এমন বিরল দৃশ্যের সাক্ষী হতে চাইলে, অপেক্ষা করতে থাকতে হয় এক দশকেরও বেশি!

Advertisement
দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

প্রায় ১২ বছর পর ফের নীল-বেগুনি ফুলে ঢেকে যেতে শুরু করেছে কেরলের মুন্নারের পাহাড়গুলি। পশ্চিমঘাটের উঁচু পাহাড়ি ঘাসজমি এখন নীলকুরিঞ্জির নীল-বেগুনি কার্পেটে মোড়া। নীলকুরিঞ্জির সবচেয়ে আশ্চর্য বৈশিষ্ট্য হল এর ফুল ফোটার চক্র। এই গাছের নির্দিষ্ট কিছু প্রজাতি প্রায় ১২ বছর অন্তর ফুল ফোটায়। হাজার হাজার গাছ একই সময়ে ফুলে ভরে উঠলে পাহাড়ের বিস্তীর্ণ ঢালে যেন রঙের স্রোত নামে (Munnar)।

এই বছর নীলকুরিঞ্জির কেন্দ্র হয়ে উঠেছে চোক্রামুড়ি পাহাড়। এখানকার নির্দিষ্ট অংশ তাই পর্যটকদের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে এবং ফুল দেখতে ইতিমধ্যেই বিপুল সংখ্যক মানুষ ভিড় করছেন সেখানে। এছাড়াও রয়েছে মাট্টুপেট্টি–কোরান্দাক্কাড অঞ্চল। কেরল ট্যুরিজমের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মাট্টুপেট্টি-কান্নিমালা এলাকায় এর আগে ১৯৯০, ২০০২ ও ২০১৪ সালে নীলকুরিঞ্জি ফুটতে দেখা গিয়েছে। এছাড়াও চলতি বছরে মুন্নার শহরের কাছাকাছি ইক্কা নগর, ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ রোড ও আরও কিছু পাহাড়ি এলাকাতে নীলকুরিঞ্জি ফুটেছে বলে খবর পাওয়া গিয়েছে।

নীলকুরিঞ্জি পশ্চিমঘাটের অত্যন্ত সংবেদনশীল উচ্চভূমির বাস্তুতন্ত্রের অংশ। এর ফুল ফোটার সময়টি অত্যন্ত  গুরুত্বপূর্ণ পরিবেশের জন্য। তাই কর্তৃপক্ষ নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে, পর্যটকরা যেন ফুল না ছেঁড়েন, নির্দিষ্ট পথ ছেড়ে গাছেদের খুব কাছে না চলে যান। বেশ কিছু এলাকায় প্রবেশ নিয়ন্ত্রিত করা হয়েছে, যাতে এই বিরল ফুলের আবাসস্থল ক্ষতিগ্রস্ত না হয়।

পর্যটকদের জন্য মুন্নার থেকে গাড়ি করে নীলকুরিঞ্জির বাগানে যাওয়ার বিভিন্ন ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এর মধ্যে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য চোক্রামুড়ি কুরিঞ্জি গার্ডেন। এই ধরনের বাগানগুলিতে প্রবেশ করার জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে ভিন্ন প্রবেশমূল্যও। পর্যটকরা যাতে ভিতরে গিয়ে গাছেদের ক্ষতি না করে, তার জন্যই এমন ব্যবস্থা করা হয়েছে।

পুজোর ছুটির আগেই কেরল বেড়াতে যেতে চাইলে অবশ্যই নীলকুরিঞ্জি চাক্ষুষ করার এই সুযোগ হারাবেন না।

Advertisement
দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Tags :
Durga Puja 2026Durga Puja TravelKeralakerala tourismNatureNature lovers
Advertisement
Tags :
Durga Puja 2026Durga Puja TravelKeralakerala tourismNatureNature lovers

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন