মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় ২৫০ বছরের ইতিহাসে ১৬টি বছর বাদ দিলে সবসময়ই দেখা যাচ্ছে আমেরিকা পৃথিবী জুড়ে কোনও না কোনও সামরিক আগ্রাসন বা যুদ্ধে লিপ্ত। সমরশক্তির প্রসার ঘটাতে মোট ৯৫টি দেশে রয়েছে আমেরিকার ৮৭৭টি ঘাঁটি। দেশে জিনিসের দাম কমানো এবং বিদেশের যুদ্ধে নতুন করে জড়িয়ে না-পড়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েই ট্রাম্প দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় ফিরেছেন। অথচ, মার্কিন কংগ্রেসের আসন্ন অন্তর্বর্তী নির্বাচনের আগে ক্রমাগত দেখা যাচ্ছে হোয়াইট হাউসের যুদ্ধ-যুদ্ধ মনোবৃত্তি। লিখছেন দীপঙ্কর দাশগুপ্ত।
‘And everybody praised the Duke/ Who this great fight did win.’/ ‘But what good came of it at last?’/ Quoth little Peterkin./ ‘Why that I cannot tell’, said he,/ “But ’twas a famous victory.”
After Blenheim, Robert Southey
ইরানের যুদ্ধ একদিন শেষ হওয়ার পরেও, ছোট্ট বালক পিটারকিনের সেই সরল অথচ অস্বস্তিকর প্রশ্নটি– ‘But what good came of it at last?’– প্রাসঙ্গিকভাবেই বিপন্ন বিশ্বকে বিব্রত করে চলবে। ১৭০৪ সালে দানিয়ুব নদীর তীরে ব্লেনহেইম গ্রামের কাছে ফ্রান্স ও বাভারিয়া এবং ইংল্যান্ড ও অস্ট্রিয়ার মধ্যে তীব্র যুদ্ধে হাজার হাজার মানুষের প্রাণহানির অর্থহীনতা উঠে এসেছিল রবার্ট সাদি-র কবিতায়, যুদ্ধের অনেক পরে নদীর ধারে খেলতে খেলতে একটি মাথার খুলি দেখতে পেয়ে বালকটি তার বৃদ্ধ চাষি-দাদু ক্যাস্পারের কাছে জানতে চেয়েছিল, সেটা
ওখানে এল কীভাবে। দাদু তখন বিধ্বংসী যুদ্ধের কাহিনি শোনালেও বলতে পারেননি, যুদ্ধটা কেন হয়েছিল, আর তাতে কী উপকারই-বা হয়েছিল! ডোনাল্ড ট্রাম্পের আমেরিকা আর নেতানিয়াহুর ইজরায়েলের অকল্পনীয় হিংস্রতা এবং ইরান আক্রমণের জেরে কবিতার ওই ‘But what good came of it at last?’ প্রশ্নই অনবরত তাড়া করে বেড়ায়। এভাবে যুদ্ধ বাধিয়ে পৃথিবীকে অশান্ত করে তুলে, এত ক্ষয়ক্ষতির মাধ্যমে, আখেরে কোন লাভ হল?
গত বছর জুন মাসেই তো ইজরায়েল-আমেরিকা একটানা ১২ দিন বোমা মেরে ইরানের পারমানবিক অস্ত্রপ্রকল্প নাকি ধ্বংস করে দিয়েছিল। তাহলে এখন নতুন করে কোন কারণে ইরান আক্রমণ? শাহর রাজতন্ত্রের অবসান ঘটিয়ে ১৯৭৯ সালে মোল্লাতন্ত্রের প্রতিষ্ঠা বা ১৯৮৩ সালে বেইরুটে ইরানের আক্রমণে ২৪১ জন মার্কিন ‘মেরিন’ বা সেনার খতমের পর থেকেই তো আমেরিকার কাছে ইরান বিপজ্জনক। দু’-সপ্তাহ আগের ইরান যা ছিল, দু’-বছর আগেও তো তাই। তার মধ্যে নাটকীয় কিছু পরিবর্তনও হয়নি। তবু আচমকা হানা দিয়ে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা খামেনেই-সহ বহু নেতাকে হত্যা করার পাশাপাশি দক্ষিণ ইরানের মিনাবে মেয়েদের প্রাথমিক স্কুলবাড়ি লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ে শতাধিক শিশু-সহ অন্তত ১৭৫ জন নিরীহ মানুষের হত্যার পরেও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নির্লজ্জের মতো মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে বলতে পারেন, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রই লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে স্কুলে আছড়ে পড়েছে। অথচ সেই ক্ষেপণাস্ত্র যে আমেরিকার তৈরি টোমাহক এবং যা ইরানের কাছে থাকার কথা-ই নয়, তাও এখন জানা যাচ্ছে।
শুধু স্কুল নয়, হাসপাতালেও বোমা পড়েছে। সব মিলিয়ে ইরানে নিরীহ মানুষের প্রাণহানির সংখ্যা ১,৩০০ ছাড়িয়ে গেল। এরই পাশাপাশি বিশাখাপত্তনমে আয়োজিত আন্তর্জাতিক নৌ-মহড়া উৎসব ‘মিলন ২০২৬’-এ যোগ দিয়ে ফেরার সময় পারস্য উপসাগর থেকে কয়েক হাজার মাইল দূরে শ্রীলঙ্কা উপকূলের কাছে ভারত মহাসাগরে ইরানি রণতরি ‘আইআরআইএস ডেনা’-কে বিনা প্ররোচনায় টর্পেডো দেগে ধ্বংস করে দিল মার্কিন ডুবোজাহাজ। প্রাণ হারাল ৮০ জনেরও বেশি তরুণ ইরানি নৌ-সেনা। এই মার্কিন সাবমেরিনের হানার কি আদৌ প্রয়োজন ছিল? কতটা নৃশংস ও বোধশূন্য হলে ট্রাম্প বলতে পারেন, দখল করার বদলে শত্রু দেশের জাহাজ ডুবিয়ে দিতে মজা পাচ্ছিল মার্কিন সেনা!
শুধু স্কুল নয়, হাসপাতালেও বোমা পড়েছে। সব মিলিয়ে ইরানে নিরীহ মানুষের প্রাণহানির সংখ্যা ১,৩০০ ছাড়িয়ে গেল।
ইরানে বোমা মেরে এত খুনখারাপির পরেও আমেরিকা-ইজরায়েল কি নিজেদের লক্ষ্য অনুযায়ী মোল্লাতন্ত্রের জমানা বদল করতে পারল! ট্রাম্পের হুমকিকে পাত্তা না দিয়ে ইরান নতুন সর্বোচ্চ নেতার আসনে বসিয়েছে নিহত আয়াতোল্লা আলি খামেনেইয়ের পুত্র মোজতবা খামেনেইকে। সামরিক হানায় বাবা-মা, স্ত্রী-সন্তান ও পরিজন হারানো মোজতবা আমেরিকা-ইজরায়েলের বিরুদ্ধে যে আরও কঠোর মনোভাব নেবেন, তাতে সন্দেহ নেই। অথচ ট্রাম্প বলছেন, যুদ্ধ মোটামুটি শেষ। এবার থেমে যাবে। আবার পরমুহূর্তেই বলছেন, হরমুজ প্রণালী খুলে না দিলে ইরানের উপর বিশ গুণ বেশি আক্রমণ নেমে আসবে।
অন্যদিকে, ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের প্রধান আলি লারিজানি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, ট্রাম্পের ফঁাকা আওয়াজে তঁারা ডরান না। বরং ট্রাম্প সতর্ক থাকুন, তিনি নিজেও নিকেষ হয়ে যেতে পারেন। ইরানের ‘রেভোলিউশনারি গার্ড’ ইউরোপ ও উপসাগরীয় অঞ্চলে আমেরিকার মিত্র দেশগুলিকে টোপ দিয়েছে, ওয়াশিংটনের সঙ্গে সম্পর্ক চুকিয়ে মার্কিন দূতদের বহিষ্কার করলে, সেই দেশগুলির তৈলবাহী জাহাজ নিরাপদে হরমুজ পেরতে পারবে। আমেরিকার ভিতরেই তীব্র সমালোচনার ঢেউ উঠেছে, ইজরায়েলের উসকানিতে ট্রাম্প নিজস্ব খামখেয়ালে অকারণে এই যুদ্ধে দেশকে জড়িয়েছেন। সাত মার্কিন সেনা নিহত হয়েছে।
আরও শতাধিক সেনার জখম হওয়ার খবর পেন্টাগন চেপে যাওয়ার চেষ্টা করেও চেপে রাখতে পারেনি। সেই ‘খবর’ জানাজানি হতে আমেরিকায় অসন্তোষ বাড়ছে। ট্রাম্পের না-পসন্দ বলে ইরানের নতুন নেতা মোজতবাকেও কি এবার মেরে ফেলার ছক কষা হবে? ইরাকের কুর্দ মিলিশিয়ার হাতে অস্ত্র তুলে দিয়ে ইরানে অভ্যন্তরীণ গোলযোগ পাকানোর ষড়যন্ত্র সফল হবে কি না, তা নিয়েও ট্রাম্প দোলাচলে। আবার ইরানে বিমান বা ক্ষেপণাস্ত্র হানার পাশাপাশি মার্কিন পদাতিক বাহিনী পাঠানো হবে কি না, সে-ব্যাপারেও ট্রাম্প মনস্থির করতে পারছেন না। যুদ্ধের পরিণতি মার্কিন নিয়ন্ত্রণের বাইরে। কূটনৈতিক পলায়নের রাস্তা হিসাবে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘যুদ্ধবিরতি’ ঘোষণার জন্য ট্রাম্পের উপরে প্রশাসনের অন্দর থেকেই চাপ তৈরি হচ্ছে।
মনে রাখা দরকার, ঠিক মাস ছয়েক আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘ডিপার্টমেন্ট অফ ডিফেন্স’-এর নাম বদলে করে দিলেন ‘ডিপার্টমেন্ট অফ ওয়ার’। রাখঢাক নয়, স্পষ্ট ব্যাপার– হাল্লার রাজা যুদ্ধ চান। ট্রাম্পের বক্তব্য, আদতে তো নাম ছিলই ‘ওয়ার ডিপার্টমেন্ট’। সেই সময় দু’টি বিশ্বযুদ্ধে আমেরিকা জয়ী হয়েছিল। কিন্তু দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষে সেই নাম বদলে যখন ‘ডিপার্টমেন্ট অফ ডিফেন্স’ রাখা হল, তখন থেকে যুদ্ধগুলি অনেক দীর্ঘায়িত হতে শুরু করল। আর, তাতে জয় আসার বদলে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সামরিক সংঘর্ষ এক ধরনের অমীমাংসিত অবস্থায় শেষ হতে থাকল। তাই পুরনো নামই আবার আমি ফিরিয়ে আনলাম। কারণ, শব্দরা গুরুত্বপূর্ণ। প্রেসিডেন্টের সঙ্গে তাল মিলিয়ে তঁার ‘সেক্রেটারি অফ ওয়ার’ পিট হেগসেথের মন্তব্য: আইনি মারপ্যাঁচ নয়, চূড়ান্ত আঘাত; রাজনৈতিক শিষ্টাচার নয়, বিধ্বংসী প্রভাব। তাই ন্যায় নীতি, কূটনৈতিক শিষ্টাচারের তোয়াক্কা না করে ট্রাম্প প্রশাসনের চূড়ান্ত আগ্রাসী মনোভাবই ফুটে বেরচ্ছে তাঁর প্রতিটি আচরণে।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় ২৫০ বছরের ইতিহাসে ১৬টি বছর বাদ দিলে সবসময়ই দেখা যাচ্ছে আমেরিকা পৃথিবী জুড়ে কোনও না কোনও সামরিক আগ্রাসন বা যুদ্ধে লিপ্ত। মার্কিন এই যুদ্ধোন্মাদনাই নানাভাবে বিভিন্ন সময়ে আঞ্চলিক স্থিতাবস্থা নষ্ট করে সারা দুনিয়ায় অশান্তি ছড়ানোর মূলে। সমরশক্তির প্রসার ঘটাতে মোট ৯৫টি দেশে রয়েছে আমেরিকার ৮৭৭টি ঘঁাটি। এও ভুললে চলবে না, দেশে জিনিসের দাম কমানো এবং বিদেশের যুদ্ধে নতুন করে জড়িয়ে না-পড়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েই ট্রাম্প দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় ফিরেছেন। অথচ, মার্কিন কংগ্রেসের আসন্ন অন্তর্বর্তী নির্বাচনের আগে ক্রমাগত দেখা যাচ্ছে হোয়াইট হাউসের ‘যুদ্ধং দেহি’ মনোবৃত্তি। বছরের শুরুতেই ভেনেজুয়েলায় সেনা পাঠিয়ে প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে অপহরণ করে আমেরিকায় এনে জেলে ঢোকানো হল। তার সঙ্গে চলছে ট্রাম্পের গ্রিনল্যান্ড দখলের হুমকি। ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধ করতে রাশিয়ার তেল বিক্রির উপর ‘নিষেধাজ্ঞা’ চাপিয়ে ট্রাম্প নতুন করে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করে দিলেন!
কিন্তু যেভাবে আমেরিকা-ইজরায়েল নৃশংসভাবে ঝঁাপিয়ে পড়ল ইরানের ওপর, তার আন্তর্জাতিক বৈধতা নিয়েই জোরালো প্রশ্ন উঠে গিয়েছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর পরবর্তী প্রজন্মকে যুদ্ধের বীভৎসতা থেকে রক্ষা করা এবং দুনিয়ায় শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখার জন্য ১৯৪৫ সালে তৈরি হয়েছিল রাষ্ট্র সংঘের সনদ। তাতে স্পষ্ট বলা রয়েছে, কোনও সদস্য দেশ আন্তর্জাতিক শান্তি ভঙ্গ করলে তার বিরুদ্ধে বল প্রয়োগ করা যাবে রাষ্ট্র সংঘের নিরাপত্তা পরিষদ অনুমতি দিলে। একমাত্র ব্যতিক্রম ৫১ নম্বর ধারা– সশস্ত্র হানা থেকে আত্মরক্ষার প্রয়োজনেই শুধু পাল্টা শক্তিপ্রয়োগ করা যাবে। ইরান তো নিজে থেকে কাউকে আক্রমণ করেনি, তাহলে আমেরিকা ও ইজরায়েল যুদ্ধ শুরু করল কোন যুক্তিতে? রাষ্ট্র সংঘ পুরোপুরি নখদন্তহীন, স্বরহীন। আন্তর্জাতিক এই সংগঠনের প্রকৃত ক্ষমতা থাকলে বিশ্বে একের পর এক এমন যুদ্ধ কি হত?
কূটনৈতিক শিষ্টাচারের তোয়াক্কা না করে ট্রাম্প প্রশাসনের চূড়ান্ত আগ্রাসী মনোভাবই ফুটে বেরচ্ছে মার্কিন নীতিতে।
ভয়ানক ব্যাপার হল, ট্রাম্প এবং তঁার যুদ্ধসচিব হেগসেথ আন্তর্জাতিক কোনও নিয়ম বা রীতিনীতির পরোয়াই করছেন না। যে কোনও যুদ্ধে নিরীহ মানুষের প্রাণহানি ও সম্পত্তির ক্ষয়ক্ষতি নিয়ন্ত্রণ করার সুস্পষ্ট নির্দেশিকা রয়েছে। কিন্তু হেগসেথ সেগুলিকে স্রেফ ‘স্টুপিড রুল্স অফ এনগেজমেন্ট’ বলে ব্যঙ্গ করছেন। ইরানে প্রাণহানি ও ধ্বংস নিয়ে পেন্টাগনে চলছে বিকৃত উল্লাস। আবার, ইরানের ইসলামিক জমানার বিরুদ্ধে মার্কিন সেনাদের উজ্জীবিত করতে আমেরিকাতেও অভাবনীয়ভাবে চলছে ধর্মান্ধ চরমপন্থার চাষ। আগেই মার্কিন পত্রিকায় খবর বেরিয়েছিল, সরকারি কাজে যাওয়ার পথে হেগসেথ ও তঁার সঙ্গী এক পানশালায় মত্ত অবস্থায় চিৎকার করছিলেন, ‘সব মুসলমানকে খতম করো’। হেগসেথের বুকে রয়েছে জেরুজালেমের ক্রুশ অঁাকা ট্যাটু– যা হল মধ্যযুগীয় ক্রুসেডের প্রতীক। পেন্টাগনের মঞ্চে দঁাড়িয়ে সেনা কমান্ডরদের তাতানোর জন্য বললেন, ইরানের জমানা হল ইসলামি নবির আজব চিন্তার ফসল। ওটা একটা ‘ডেথ কাল্ট’। ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ দৈবনির্দেশিত। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প স্বয়ং যিশু খ্রিস্টের প্রতিনিধি রূপে ইরানে যুদ্ধের সূচনার মাধ্যমে পবিত্র মশাল জ্বালিয়ে শুভ ও অশুভের সংঘর্ষের চূড়ান্ত নিষ্পত্তি করবেন। এই প্রসঙ্গে বাইবেল থেকে আর্মাগেডনের দৃষ্টান্তও তুলে ধরেন।
কিছু দিন আগে এক বিতর্কিত জাতীয়তাবাদী খ্রিস্টান যাজককে হেগসেথ আমন্ত্রণ জানিয়ে পেন্টাগনে মাসিক প্রেয়ার সার্ভিসের সূচনা করেন। দু’টি ঘটনার বিরুদ্ধেই বহু অভিযোগ পেশ হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসন যে এমন খ্রিস্টীয় ধর্মীয় মৌলবাদ উসকে দিচ্ছে, তার হাত ধরেই কি আগামী দিনে দুনিয়া জুড়ে নতুন করে সেই শ্বেতাঙ্গ সাম্রাজ্যবাদ বিস্তারের কদর্য খেলার প্রসার ঘটবে?
(মতামত নিজস্ব)
লেখক প্রাবন্ধিক
dipankar.dg62@gmail.com
