দেবীপক্ষমহানগররাজ্যবিদেশখেলালাইফস্টাইল
Jisshu Sengupta

'পরীক্ষা ভালো দিয়েছি বলেই বিশ্বাস', ‘বহুরূপী: দ্য গোল্ডেন ডাকু’ মুক্তির আগে আত্মবিশ্বাসী যিশু

ভালো ছবি হলে দর্শক সেই ছবি দেখবেই। ‘ওয়ার্ড অফ মাউথ’-এ এখনও ছবি সাকসেসফুল হয়, এটা বিশ্বাস যিশুর।
Kasturi Kundu
06:15 PM Oct 02, 2026 IST
ভালো ছবি হলে দর্শক সেই ছবি দেখবেই। ‘ওয়ার্ড অফ মাউথ’-এ এখনও ছবি সাকসেসফুল হয়, এটা বিশ্বাস যিশুর।
যিশু সেনগুপ্ত। ছবি: ফেসবুক

পুজো রিলিজের এক্সাইটমেন্ট না টেনশন বেশি?

আমার এক্সাইটমেন্ট বেশি। টেনশন তো শুটিংয়ের সময় ছিল। এখন পরীক্ষা দিয়ে দিয়েছি। ফলের আশা করছি। পরীক্ষা ভালো দিয়েছি বলেই আমার বিশ্বাস।

Advertisement
দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

‘উইন্ডোজ’-এর সঙ্গে আপনার হ্যাটট্রিক ছবি ‘বহুরূপী : দ্য গোল্ডেন ডাকু’। অ্যাকশন মোডে কীভাবে ধরা দেবেন?

এই ছবিতে প্রচুর অ্যাকশন আছে। ড্রামা আছে। লার্জার দ্যান লাইফ ছবি। ‘উইন্ডোজ’-এর সঙ্গে আমার যে তিনটে কাজ তার মধ্যে এটা বিগেস্ট। তিন বছর পর এটা আমার পুজোর রিলিজ। তবে পুজোর রিলিজ নিয়ে আলাদা অনুভূতি নেই।

শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের পরিচালনায় কাজ করা এবং তাঁর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে অভিনয় করা, কোনটা সহজ?

আমার মনে হয় শিবুকে সেই মার্কসটা খুব কম লোক দেয়। ও ফাইনেস্ট অ্যাক্টর। শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় সিরিয়াসলি অভিনয়টা করলে অনেক অভিনেতার ভাত মারা যেত। শিবপ্রসাদের সঙ্গে অভিনয় করা অনেক বেশি চ্যালেঞ্জিং।

পুজো রিলিজ মানেই বন্ধুরাও প্রতিপক্ষ হয়ে যায়। এবার পুজোতে চারটে ছবি। এই কম্পিটিশন কীভাবে দেখেন?

আমি বিষয়টাকে প্রতিযোগিতা হিসেবেই দেখি না। আমি ব্যক্তিগতভাবে বলব চারটে ছবিই ভীষণ ভালোভাবে ব্যবসা করুক। চারটে ছবিই হলে গিয়ে দর্শক দেখুক। সবাই সবার মতো করে ভালো হওয়াটা ভীষণ জরুরি। সেটা আমাদের ইন্ডাস্ট্রির জন্য ভালো।

'বহুরূপী: দ্য গোল্ডেন ডাকু'

অনেক সময় এই কম্পিটিশন ‘বিলো দ্য বেল্ট’ হয়ে যায়। এগুলো ছবিতে প্রভাব ফেলে বলে মনে করেন?

এটা একেবারেই কাম্য নয়। বিষয়গুলো দর্শকের কাছে যতটা না প্রভাব ফেলে তার থেকে অনেক বেশি প্রভাব ফেলে আমাদের ইন্ডাস্ট্রিতে। ভালো ছবি হলে দর্শক সেই ছবি দেখবেই। ‘ওয়ার্ড অফ মাউথ’-এ এখনও ছবি সাকসেসফুল হয়, এটা আমার বিশ্বাস।

এরকম কোনও চরিত্র আছে যেটা মনে হয়েছে আপনার সহ অভিনেতা করেছেন কিন্তু সেই চরিত্রটা আপনি বেশি ফুটিয়ে তুলতে পারতেন?

আমি আসলে ছবি খুব কম দেখি। এটা আমার খুব নেগেটিভ একটা দিক। ইনফ্যাক্ট আমি নিজের ছবিও দেখিনি। নিজের মাত্র দুটো ছবি দেখেছিলাম। ‘উমা’ এবং ‘ব্যোমকেশ’। ‘উমা’ দেখেছিলাম সারা ছিল বলে। ঋতুদার সঙ্গে আমার করা কোনও ছবিও আমি আজ অবধি দেখিনি। সৃজিতের সঙ্গে করা কোনও কাজও দেখিনি।

‘উমা’-এর সঙ্গে কি আলাদা ইমোশন জড়িয়ে?

সত্যিই তাই। ‘উমা’ আমার কাছে ভীষণ স্পেশাল। জীবনে কটা এরকম সুযোগ পাওয়া যায়! যেখানে নিজের মেয়ের সঙ্গে অভিনয় করছি।

সৃজিত মুখোপাধ্যায় যদি আবার ‘উমা ২’ বানান এবং আপনাদের প্রস্তাব দেন রাজি হবেন?

অবশ্যই। সেখানে যদি আমাকে এবং সারাকে ভাবা হয় আমি অফকোর্স রাজি হব। তবে গল্পের উপর নির্ভর করবে।

টলিউডে অনেক সম্পর্কের সমীকরণ। আজ ভালো, কাল খারাপ। কি মনে হয় এখন বহুরূপীর সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে?

আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা কিন্তু সেই কথা বলে না। আমার যাদের সঙ্গে সম্পর্ক ছিল তাদের সঙ্গে আমার সম্পর্ক এখনও আছে এবং ভালো সম্পর্ক আছে।

'বহুরূপী: দ্য গোল্ডেন ডাকু'তে যিশু

কখনও বন্ধুত্ব হারিয়ে যাওয়ায় কষ্ট পেয়েছেন?

না। আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা এরকমই হয়নি। একতরফা তো হয় না। তাই দু’তরফেই বন্ধুত্ব ভালোভাবে রয়েছে।

বহুরূপী না গিরগিটি কোন ধরনের মানুষদের এড়িয়ে চলা পছন্দ করেন?

গিরগিটি। কারণ রং বদলানো ঠিক নয়। চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য বদল করাটা কাম্য নয়। রূপ তো আমরা সবাই বদলাই। আমরা বাবার সঙ্গে যেরকম ভাবে কথা বলি নিশ্চয়ই দিদির সঙ্গে একই ভাবে কথা বলি না। বহুরূপী আমরা সবাই। কিন্তু আমরা সবাই বহুরূপী গিরগিটি নই। গিরগিটি মানে মানুষ হিসেবে বদলে যাওয়া।

আপনাকে এখন টলিউডে অনেক বেশি সময় পাওয়া যাচ্ছে। আগে অভিযোগ ছিল যিশু বাংলাকে সময় দিচ্ছেন না। কারণ কী? প্যান ইন্ডিয়া কাজ কমছে?

এ বছর আমি একটা ছবি প্রযোজনা করেছি। যার নাম ‘অভিমান’। অভিনেতা, প্রযোজক হিসেবে প্রায় ছয় মাসেরও বেশি সময় দিতে হয়েছে। গত বছর আমি ‘বহুরূপী : গোল্ডেন ডাকু’-র জন্য হ্যাঁ করেছিলাম। এই ছবির পিছনেও সময় দিতে হয়েছে। সৃজিতের ‘কানাইচরণ’-এর শুটিং করেছি। এগুলো নিয়ে অনেক কথা ‘গসিপ’ আমিও শুনছি। এর বাইরে আমার বাংলাতে এখন আর কোনও কাজ নেই। একটা হিন্দির কাজ চলছে। তেলুগু ছবির কাজও শুরু হবে।

তাহলে যে গসিপগুলো শোনা যাচ্ছে সেগুলোকে ফুৎকারে উড়িয়ে দিলেন?

আমিও বিভিন্ন কথা শুনছি। গসিপ করা যাদের কাজ তারা করবেই। আমি এগুলোতে কান দিই না। কারণ কেউ তো আমার বাড়ির ইলেকট্রিসিটি বিলটা পেমেন্ট করে দেবে না। তারা যদি এগুলো করে আনন্দ পায়, তাদের ব্যবসা বাড়ে, তাহলে করুক।

যিশু সেনগুপ্ত

কৈশোরের পুজো মিস করেন?

মাকে মিস করি। আমার ছোটবেলার পুজো একই রকম আছে। আমার পাড়ার পুজোতে আমি ভীষণভাবে জড়িয়ে থাকি। তাদের কাছে আমি পাড়ার ছেলে। তবে এবার কলকাতায় থাকব না। ‘বহুরূপী’র হল ভিজিট মিস করব।

Advertisement
দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Tags :
Jisshu Sengupta
Advertisement
Tags :
Jisshu Sengupta

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন