Advertisement

পঞ্চভূতে বিলীন, কেওড়াতলা মহাশ্মশানে সম্পন্ন বুদ্ধদেব গুহর শেষকৃত্য

06:44 PM Aug 30, 2021 |

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কেওড়াতলা মহাশ্মশানে সম্পন্ন হল বুদ্ধদেব গুহর (Buddhadeb Guha) শেষকৃত্য। পঞ্চভূতে বিলীন হলেন ‘ঋজুদা’র স্রষ্টা। কোভিডকে (COVID-19) হার মানিয়েছিলেন প্রখ্যাত সাহিত্যিক। তবে কোভিড পরবর্তী জটিলতাই কাল হল। রবিরার রাত ১১টা ২৫ নাগাদ বেলভিউ হাসপাতালে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।

Advertisement

 

সহজ ভাষায় পাঠকের মনে পৌঁছে যেতেন বুদ্ধদেব গুহ। “ছোট্ট জীবনে বাঁচার মতো বাঁচতে হবে প্রতিটি মানুষকে”, একথাই বিশ্বাস করতেন ‘মাধুকরী’র লেখক। বাস্তব জীবনেও সেই কথা মেনে চলতেন। শুধু লেখার গণ্ডির মধ্যে তাঁর প্রতিভা সীমাবদ্ধ ছিল না। ছিলেন প্রসিদ্ধ চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট। গানের গলা শুনলে মুগ্ধ হয়ে যেতেন শ্রোতারা। এই গানই তাঁকে জুড়েছিল জীবনসঙ্গিনী ঋতু গুহর সঙ্গে। খেলাধুলাতেও দক্ষ ছিলেন বুদ্ধদেব গুহ। প্রয়াত ফুটবলার চুনি গোস্বামীর সঙ্গে ক্রিকেট খেলেছিলেন। দু’জনে খুব ভাল বন্ধুও ছিলেন। টেনিসও খেলেছেন বুদ্ধদেব গুহ।

[আরও পড়ুন: শেষ জীবনযুদ্ধ, কোভিড পরবর্তী অসুস্থতায় প্রয়াত সাহিত্যিক Buddhadeb Guha]

৮৫ বছরের সাহিত্যিকের প্রয়াণে শোকপ্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi) লিখেছেন, “শ্রী বুদ্ধদেব গুহর লেখা ছিল বহুমাত্রিক। তাঁর রচনায় পরিবেশ অন্য মাত্রা পেয়েছে। প্রতিটা প্রজন্ম, বিশেষ করে উঠতি বয়সের পাঠকরা তাঁর লেখায় সমৃদ্ধ হয়েছে। বুদ্ধদেববাবুর চলে যাওয়া সাহিত্য জগতের অপূরণীয় ক্ষতি। তাঁর পরিবার ও অনুরাগীদের জন্য সমবেদনা রইল।”

শোকপ্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও (CM Mamata Banerjee)। “বুদ্ধদেব গুহর প্রয়াণের খবরে আমি গভীরভাবে শোকাহত। বাংলার মানুষের অত্যন্ত প্রিয় লেখক তিনি। সাহিত্য জগতে এক বিশাল শূণ্যতা রেখে চলে গেলেন। বুদ্ধদেববাবুর পরিবার ও অনুরাগীদের প্রতি আমার সমবেদনা রইল।”

সোমবার সকালে প্রথমে বালিগঞ্জের বাসভবনে নিয়ে যাওয়া হয় প্রয়াত সাহিত্যিকের নশ্বর দেহ। সেখানে তাঁকে শ্রদ্ধা জানান অনুরাগীরা। চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট হিসেবে যাঁদের সঙ্গে কাজ করতেন, সেই সহকর্মীরা এসেও শ্রদ্ধা জানান। কেওড়াতলা মহাশ্মশানে বাঙালির বড় প্রিয় লেখকের শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়। শ্রদ্ধা জানান ফিরহাদ হাকিম, ইন্দ্রনীল সেনরা।

[আরও পড়ুন: Buddhadeb Guha: বন্ধুর পিঠে খাওয়ার গল্প শোনালেন শীর্ষেন্দু, স্মৃতিমেদুর বাণী বসু, শংকরও]

Advertisement
Next