shono
Advertisement

Breaking News

ac rooms

সারারাত এসি-তে শুলেই সকাল থেকে হাঁচি-শ্বাসকষ্ট? গৃহস্থ এই ৩ ভুল করছেন না তো?

নিয়মিত পরিষ্কার করুন এসির ফিলটার। গায়ের ঘাম ফানের হাওয়ায় শুকিয়ে, তবেই এসি চালু করুন। আর চেষ্টা করুন, সারা রাত একটানা এসির হাওয়ায় থাকার বদলে, নির্দিষ্ট সময়ের পর তা বন্ধ করে ফ্যান চালিয়ে দিতে।
Published By: Utsa TarafdarPosted: 02:45 PM May 27, 2026Updated: 02:45 PM May 27, 2026

সারাদিন অফিসে তো এসির হাওয়াতেই থাকি, তাহলে সারা রাত এসি (ac rooms) চালিয়ে শুলে তখনই কেন ঠান্ডা লেগে যায়? সকালে চোখ খুলে থেকে নাক বন্ধ, কারও আবার ক্রমাগত হাঁচি! বাড়ির বড়রা প্রায়শই বলেন, এসি ছাড়া শোয়ার অভ্যেস করা উচিত। নয়তো গরম সহ্য করার ক্ষমতা একেবারে কমে যায়, অনাক্রম্যতাও চলে যায় তলানিতে। তবে উপায় কী? গরমে যে দু’চোখের পাতা এক করা কঠিন হয়ে পড়ে।

Advertisement

এসির ফিলটার কি পরিষ্কার করানো হয়নি দীর্ঘদিন?

উত্তরোত্তর বাড়ছে তাপমাত্রা। এসি এখন আর বিলাসিতা নয়, বরং একান্ত প্রয়োজনীয় হয়ে পড়েছে সাধারণ মানুষের জীবনে। যেমন-তেমন করে হলেও গ্রীষ্ম আসার আগে যেন একখানা এসি জোগাড় করা যায়, সে চেষ্টায় সারা বছর কেটে যায় মধ্যবিত্তের। আর সারাদিনের পরিশ্রমের পর রাতের ঘুমটুকুও যদি আরামদায়ক না হয়, তবে কি আর পরের দিন চলার মতো এনার্জি জোটানো সম্ভব?

চিকিৎসকেরা অবশ্য বলছেন, এসিতে সারা রাত কাটানোর পর সকালের যে নাক-বন্ধ, শ্বাসকষ্ট অথবা নিরন্তর হাঁচি, তা আসলে ঠান্ডা লাগা নয়। বরং ঠান্ডা লাগার সঙ্গে কোনও সম্পর্কই নেই এর।

এসির ফিলটার কি পরিষ্কার করানো হয়নি দীর্ঘদিন?
বাতাসের নানা ধরনের ধূলিকণা জমা হয় এসির ফিলটারে। ব্যাকটেরিয়া কিংবা অ্যালার্‌জেন তো রয়েছেই, থাকে ছত্রাকের স্পোর, ডাস্ট মাইট, আরও নানা রকমের ক্ষতিকারক উপাদান। ফিলটার দীর্ঘদিন ধরে পরিষ্কার না করেই এসি চালানো হয় যদি, তাহলে ওই ধূলিকণা আবারও এসির হাওয়ার সঙ্গে বেরিয়ে আসে, ছড়িয়ে পড়ে ঘরের ভিতরের হাওয়ায়। ঘরের জানলা-দরজা বন্ধ থাকায়, এই ধূলিকণাই শ্বাসপ্রশ্বাসে ঢুকে যায় আমাদের নাকের ভিতরে। যা থেকে হাঁচি অথবা অন্যান্য সমস্যা শুরু হয়।

শরীরের ঘাম না শুকিয়েই এসিতে ঢুকে পড়েন কি?
অফিস অথবা বাড়ির বাইরে অন্য কোথাও প্রবেশ করার ক্ষেত্রে যে ঘাম শুকিয়ে নেওয়ার সুযোগ পাওয়া যাবে, তা নয়। কিন্তু অনেকেই অভ্যাসবশে বাড়িতেও করে থাকেন এমনটা। ফ্যানের হাওয়ায় বসে গা শুকিয়ে নেওয়ার বদলে, বাইরে এসে থেকেই সরাসরি ঘরের এসি অন করে দেন। এর ফলে ফুসফুসের ভয়াবহ ক্ষতি হতে পারে। যারা আগে থেকেই হাঁপানি, সাইনাসের সমস্যা অথবা অ্যালার্জিক রাইনাইটিসে আক্রান্ত, তাদের বিপদ বাড়ে। তাপমাত্রার আচমকা পরিবর্তনের কারণে দীর্ঘমেয়াদি অস্বস্তি বেড়ে যায়।

শরীরের ঘাম না শুকিয়েই এসিতে ঢুকে পড়েন কি?

তবে এসব ছাড়াও, এসি ঘরের ভিতরের বাতাসের আর্দ্রতা একেবারে শুষে নেয়। ফলে মানুষের নাক-গলা-শ্বাসনালীর যে ভিজে অংশ সাধারণত ধুলো-ব্যাকটেরিয়া প্রভৃতিকে রোধ করে থাকে, তাও শুকিয়ে যায় অনেকখানি। ফলে আচমকা কাশি শুরু হয়। অথবা নাক বন্ধ হয়ে যায় হুট করেই।

এসব এড়াতে চাইলে নিয়মিত পরিষ্কার করুন এসির ফিলটার। গায়ের ঘাম শুকিয়ে, তবেই এসি চালু করুন। আর চেষ্টা করুন, সারা রাত একটানা এসির হাওয়ায় থাকার বদলে, নির্দিষ্ট সময়ের পর তা বন্ধ করে ফ্যান চালিয়ে দিতে। ফ্যানের হাওয়া, এসির বদ্ধ হাওয়াকে চারিদিকে চারিয়ে দিতে সাহায্য করে।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement