স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকে ঘুষকাণ্ড! বিপুল টাকার বিনিময়ে লাইসেন্স, গ্রেপ্তার ২ আধিকারিক
Amit Kumar Das
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকে ঘুষের কারবার! 'ফরেন কন্ট্রিবিউশন রেগুলেশন অ্যাক্ট' (FCRA)-এর অধীনে এক সংস্থাকে লাইসেন্স পাইয়ে দেওয়ার বিনিময়ে ঘুষ (FCRA Bribery Case) নেওয়ার অভিযোগ উঠল অমিত শাহের দপ্তরের ২ আধিকারিকের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় শীর্ষ ২ আধিকারিককে গ্রেপ্তার করেছে দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল। গোটা ঘটনা সামনে আসতেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
মঙ্গলবার এই তথ্য প্রকাশ্যে এনেছে খোদ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। জানানো হয়েছে, ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে গত ২৮ সেপ্টেম্বর দিল্লির দুই সিনিয়র আধিকারিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এদের মধ্যে একজন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের ফরেনার্স ডিভিশনে কর্মরত এবং দ্বিতীয় জন পূর্বে ফরেনার্স ডিভিশনের দায়িত্বে থাকলেও বর্তমানে পে অ্যান্ড অ্যাকাউন্টস অফিসে কর্মরত। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, এই দুই আধিকারিক বেশ কয়েকটি সংস্থার সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতেন। এবং এফসিআরএ-র অধীনে সেই সংস্থাগুলিকে লাইসেন্স পাইয়ে দেওয়া ও পুনর্নবীকরণ করার জন্য ঘুষ নিতেন।
আরও পড়ুন:
ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে গত ২৮ সেপ্টেম্বর দিল্লির দুই সিনিয়র আধিকারিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এদের মধ্যে একজন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের ফরেনার্স ডিভিশনে কর্মরত এবং দ্বিতীয় জন পূর্বে ফরেনার্স ডিভিশনের দায়িত্বে থাকলেও বর্তমানে পে অ্যান্ড অ্যাকাউন্টস অফিসে কর্মরত।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের পাশাপাশি তাঁদের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়েছে। অভিযুক্ত আধিকারিকদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী কড়া পদক্ষেপ করা হবে। মন্ত্রক আরও জানিয়েছে, যে কোনও দুর্নীতির বিষয়ে সরকার জিরো টলারেন্স নীতি নিয়েছে। এফসিআরএ-সম্পর্কিত সমস্ত পরিষেবা এফসিআরএ পোর্টালের মাধ্যমে অনলাইনেই প্রদান করা হয়ে থাকে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে সতর্কবার্তা দিয়ে জানানো হয়েছে, "কোনও মধ্যস্থতাকারী, এজেন্ট বা ব্যক্তি কোনও এফসিআরএ পরিষেবা প্রদানে অনুমোদিত নয়।"