Advertisement

আতঙ্ক বাড়িয়েই চলেছে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ, দেশে একদিনে ৫০ জন চিকিৎসকের মৃত্যু

09:10 AM May 18, 2021 |
Advertisement
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: করোনার (Coronavirus) দ্বিতীয় ঢেউয়ের আঘাতে বেসামাল দেশ। দৈনিক সংক্রমণের হার হোক কিংবা মৃত্যুর হিসেব, বেড়েই চলেছে আতঙ্ক। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৫০ জন চিকিৎসকের (Doctor) মৃত্যু হয়েছে। ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন (IMA) জানিয়েছে, এখনও পর্যন্ত দ্বিতীয় ঢেউয়ের আঘাতে ২৪৪ জন চিকিৎসক প্রাণ হারিয়েছেন দেশে। প্রসঙ্গত, এর মধ্যে বিহারে মারা গিয়েছেন ৬৯ জন। এরপরেই উত্তরপ্রদেশ (৩৪) ও দিল্লি (২৭)।

Advertisement

আইএমএ-র সাধারণ সচিব জয়েশ লেলে জানিয়েছেন, ‘‘এইভাবে একদিনে ৫০ জন চিকিৎসক-স্বাস্থ্যকর্মীর মৃত্যু অত্যন্ত বেদনাদায়ক। এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহ থেকে এখন পর্যন্ত দ্বিতীয় ঢেউয়ের প্রকোপে ২৪৪ জন চিকিৎসকের মৃত্যু হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ৩ শতাংশ চিকিৎসকের সম্পূর্ণ টিকাকরণ হয়েছিল।’’ সারা দেশের মাত্র ৬৬ শতাংশ চিকিৎসক-স্বাস্থ্যকর্মীরই সম্পূর্ণ টিকাকরণ হয়েছে। তাই চেষ্টা চলছে যত দ্রুত করোনার সমস্ত ‘ফ্রন্টলাইন’ যোদ্ধাদের টিকাকরণ সম্পূর্ণ করার।

[আরও পড়ুন: কেন করোনার ওষুধ মজুত করেছেন? আদালতের তীব্র ভর্ৎসনার মুখে গম্ভীর]

যে ২৪৪ জন চিকিৎসকের মৃত্যু হয়েছে দ্বিতীয় ঢেউয়ের (Second wave) আঘাতে, তাঁদের মধ্যে সবথেকে কমবয়সি চিকিৎসক আনাস মুজাহিদ। মাত্র ২৬ বছরের আনাস দিল্লির এক কোভিড হাসপাতালের জুনিয়র রেসিডেন্ট ডাক্তার। জানা গিয়েছে, তাঁর হাতে কোভিড পজিটিভ রিপোর্ট আসার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই মারা গিয়েছেন ওই তরুণ চিকিৎসক। মৃত্যুর পরে প্রায় এক সপ্তাহ কেটে গেলেও তাঁর পরিবার ও সহকর্মীরা ধাক্কার অভিঘাত এতটুকু সামলে উঠতে পারেননি। এক সহকর্মী ডা. আমির সোহেলের কথায়, ‘‘ওর কোনও কোমর্বিডিটি ছিল না। ওর অভিভাবকরা জানিয়েছেন, কোনও দিন কোনও বড় ধরনের অসুখে ঘোবেনি আনাস। আমরা এখনও বুঝতে পারছি না কী করে এসব হয়ে গেল!’’

আইএমএ জানাচ্ছে, গত বছর করোনার প্রকোপে প্রাণ হারিয়েছিলেন দেশের ৭৩৬ জন চিকিৎসক। সব মিলিয়ে এখনও পর্যন্ত মারণ ভাইরাসের সংক্রমণের শিকার প্রায় ১০০০ জন চিকিৎসক। যদিও আসল সংখ্যাটা আরও বেশি বলে মনে করা হচ্ছে। কেননা আইএমএ-র পরিসংখ্যানে কেবল সাড়ে তিন লক্ষ চিকিৎসকের হিসেব রয়েছে। সেখানে গোটা দেশে চিকিৎসকদের সংখ্যাটা ১২ লক্ষেরও বেশি।

[আরও পড়ুন: করোনার তৃতীয় ঢেউ ক্ষতি করতে পারে শিশুদের! সংক্রমণ রুখতে বিশেষ পরামর্শ ডা. দেবী শেঠির]

Advertisement
Next