বোরখা পরতে পারবেন না নার্সরা! জম্মুর সরকারি হাসপাতালে বিতর্ক, শুরু বিক্ষোভ
Subhodeep Mullick
হাসপাতালের লেবার রুমে বোরখা পরে প্রবেশে বাধা দেওয়ার অভিযোগ। প্রতিবাদে উত্তাল জম্মুর ডোডার একটি সরকারি হাসপাতাল। বিক্ষোভে ফেটে পড়েন নার্সরা। ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে ঘটনার তদন্ত।
ঘটনার সূত্রপাত বুধবার। অভিযোগ, হাসপাতালের লেবার রুমে বোরখা পরার কারণে এক নার্সিং ছাত্রীকে বেরিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেন স্ত্রীরোগ বিভাগের প্রধান ড. মধু চিবের। এরপরই বিক্ষোভে ফেটে পড়েন নার্স এবং নার্সিং ছাত্রীরা। শুধু তাই নয়, তাঁরা কর্মবিরতিও পালন করেন বলে খবর। বিক্ষোভরত এক নার্সিং ছাত্রী বলেন, “বৃহস্পতিবার আমরা দেখেছি যে একই কারণে আরও দু’জন ছাত্রীকে লেবার রুমের বাইরে দাঁড় করিয়ে রাখা হয়েছিল।” বিষয়টিকে তিনি ধর্মীয় বিষয়ে হস্তক্ষেপ বলেও অভিহিত করেন। পরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপে অচলাবস্থার অবসান ঘটে। জানা গিয়েছে, ঘটনার তদন্তে সাত সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।
আরও পড়ুন:
হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত মেডিক্যাল সুপারিনটেনডেন্ট ড. ইরফান তাসাদুক স্পষ্ট করেছেন, স্ত্রীরোগ বিভাগের প্রধান নার্সিং ছাত্রীদের কেবল তাঁদের ঢিলেঢালা পোশাক ঠিক করতে এবং লেবার রুম ও অপারেশন থিয়েটারের জন্য নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী একটি গাউন পরতে বলেছিলেন। তিনি উল্লেখ করেন, রোগীদের সংক্রমণের ঝুঁকি বেশি থাকে এমন সংবেদনশীল এলাকায় চিকিৎসকদেরও কঠোর স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হয়। তবে গোটা ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে বিতর্কের আগুন এখনও নেভেনি। ন্যাশনাল কনফারেন্সের প্রধান মুখপাত্র তানভির সাদিক বলেন, "সংবিধান নাগরিকদের অবাধে ধর্ম পালনের অধিকার দেয়। একজন নারী হিজাব পরবেন কি না, তা তাঁর ব্যক্তিগত পছন্দ ও নিজস্ব সিদ্ধান্তের বিষয়। এখানে কারও কোনও বিধিনিষেধ আরোপ করা উচিত নয়।"