‘ক্ষমতায় এলে সিএএ কার্যকর হতে দেব না’, অসমের জনসভায় গর্জে উঠলেন রাহুল

07:16 PM Feb 14, 2021 |
Advertisement
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: অসমকে (Assam) বিভাজিত করার ক্ষমতা বিশ্বের কোনও শক্তির নেই। অসমকে যারা ভাঙতে চায়, তাদের শিক্ষা দেবে অসমের মানুষ। এইভাবেই রবিবার অসমের জনসভায় বিজেপি ও আরএসএসকে কাঠগড়ায় তুললেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi)। সেই সঙ্গে জানিয়ে দিলেন কংগ্রেস ক্ষমতায় এলে রাজ্যে কোনও ভাবেই CAA কার্যকর হতে দেবে না।

Advertisement

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

বাংলা, কেরল, তামিলনাড়ুর মতোই এবছর অসমেও বিধানসভা নির্বাচন। বেজে গিয়েছে ভোটের দামামা। আজ থেকেই এখানে প্রচার শুরু করে দিলেন রাহুল। আর প্রথম জনসভাতেই রীতিমতো আক্রমণাত্মক মেজাজে দেখা গেল তাঁকে। রাহুলকে বলতে শোনা গেল, ”অসম ভেঙে গেলে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কিংবা অমিত শাহর কিছু যাবে আসবে না। কিন্তু অসমের মানুষদের ক্ষতি হয়ে যাবে। ক্ষতি হবে দেশের বাকি অংশেরও।”

[আরও পড়ুন: ইস্তফার দিন দীনেশকে রাজ্যসভায় বক্তব্য রাখার অনুমতি কেন? চেয়ারম্যানকে চিঠি সুখেন্দুশেখরের]

মোদি-অমিত শাহর পাশাপাশি তিনি বিঁধেছেন সর্বানন্দ সোনোয়ালকেও। রাহুলের মতে, অসমের প্রয়োজন একজন ‘নিজেদের’ মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর অভিযোগ, সর্বানন্দ নামেই মুখ্যমন্ত্রী হলেও নাগপুর ও দিল্লির নির্দেশ মেনেই চলতে হয় তাঁকে। রাহুলের কটাক্ষ, ”রিমোট কন্ট্রোলে টিভি চলে। মুখ্যমন্ত্রিত্ব চলে না। এমন মুখ্যমন্ত্রী দিয়ে অসমের চলবে না। রাজ্যের যুব সম্প্রদায়ের এমন এক মুখ্যমন্ত্রী প্রয়োজন, যিনি তাঁদের জন্য চাকরির ব্যবস্থা করবেন।” তাঁর কথায় উঠে আসে অসম চুক্তির প্রসঙ্গও। রাহুলের দাবি, আটের দশকে ওই চুক্তির পরে রাজ্যে শান্তি ফিরেছিল।

পাশাপাশি প্রয়াত কংগ্রেস নেতা তরুণ গগৈ মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন অসমে হিংসার পরিবেশ পুরোপুরি শেষ হয়ে গিয়েছিল বলেও দাবি করেন রাহুল। এদিকে সিএএ প্রসঙ্গে উঠে আসে বেআইনি অনুপ্রবেশের কথাও। রাহুল জানান, তাঁর বিশ্বাস আলাপ আলোচনার মাধ্যমে এই সমস্যার সমাধানের ক্ষমতা রাজ্যবাসীর রয়েছে।

[আরও পড়ুন: ইস্তফার দিন দীনেশকে রাজ্যসভায় বক্তব্য রাখার অনুমতি কেন? চেয়ারম্যানকে চিঠি সুখেন্দুশেখরের]

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
Advertisement
Next