Advertisement

উত্তরপ্রদেশ ভোটের আগে ঘর গোছাচ্ছে বিজেপি, গেরুয়া শিবিরে যোগ ‘রাহুল ঘনিষ্ঠ’কংগ্রেস নেতার

03:12 PM Jun 09, 2021 |
Advertisement
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিজেপিতে যোগ দিলেন উত্তরপ্রদেশের কংগ্রেস নেতা জিতিন প্রসাদ (Jitin Prasada)। আজ কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী পীযুষ গোয়েলের (Piyush Goyal) হাত ধরে গেরুয়া শিবিরে নাম লেখান তিনি। ইতিমধ্যেই কংগ্রেসের প্রথম সারির এই নেতা একাধিক কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। জিতিন প্রসাদ এতদিন কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক পদে ছিলেন। একুশের নির্বাচনে বঙ্গ কংগ্রেসের পর্যবেক্ষকও ছিলেন তিনি। জিতিনের বিজেপি (BJP) যোগের ফলে উত্তরপ্রদেশ ভোটের আগে আরও দুর্বল হল কংগ্রেস। অন্যদিকে, শক্তি বাড়ল বিজেপির।

Advertisement

জিতিন প্রসাদ একসময় রাহুল গান্ধীর ঘনিষ্ঠ ছিলেন। কংগ্রেস আমলে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীও হন। তবে, গত দু’বছরে গান্ধীদের ঘনিষ্ঠ বৃত্ত থেকে সরে গিয়েছিলেন তিনি। এমনকী কংগ্রেসের অন্দরের বিদ্রোহী G-23 শিবিরেও নাম লেখান। তা সত্ত্বেও একুশের বিধানসভা নির্বাচনের আগে জিতিনকে সাধারণ সম্পাদক করে কংগ্রেস। ভোটের মুখে বাংলার পর্যবেক্ষকের দায়িত্বও দেওয়া হয় তাঁকে। আসলে, উত্তরপ্রদেশ কংগ্রেসের সবচেয়ে প্রভাবশালী ব্রাহ্মণ নেতা জিতিনই ছিলেন। তাই উত্তরপ্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনের (Uttar Pradesh Assembly Elections) আগে তাঁকে চটাতে চাইছিল না কংগ্রেস। এর আগেও একবার তাঁর দল ছাড়ার জল্পনা শোনা গিয়েছিল। সেবারে কংগ্রেসের শীর্ষ নেতারা রীতিমতো ফুসলিয়ে তাঁকে নিরস্ত করেন। কিন্তু তাতে লাভ হল না। উত্তরপ্রদেশ ভোটের ঠিক আগে আগে বিজেপিতে নাম লেখালেন তিনি। জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়ার পর একদা রাহুল ঘনিষ্ঠ আরও এক নেতার দলত্যাগের ফলে শচীন পাইলটকে (Sachin Pilot) নিয়ে বাড়ছে জল্পনা।

[আরও পড়ুন: ১ জুলাই থেকে DA বাড়ছে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের, তবে রয়েছে খারাপ খবরও]

এদিকে, জিতিনের বিজেপি যোগে রাজ্য কংগ্রেসের অন্দরের টানাপোড়েন আরও স্পষ্ট হল। প্রদেশ কংগ্রেসের অন্যতম সাধারণ সম্পাদক তথা প্রয়াত প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি সোমেন মিত্রর ছেলে রোহন মিত্র (Rohan Mitra) অভিযোগ করলেন, বাংলার দুই নেতার সঙ্গে হাত মিলিয়ে জিতিন এরাজ্যেও বিজেপির হয়ে কাজ করছিলেন। তাঁর দলত্যাগে কংগ্রেসেরই মঙ্গল হল। বাংলার কোন দুই কংগ্রেস নেতার কথা তিনি বলতে চাইছেন, সেটা স্পষ্ট করেননি রোহন। তবে, তাঁর ইশারা অধীর চৌধুরী এবং আবদুল মান্নানের দিকে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

Advertisement
Next