দেবীপক্ষমহানগররাজ্যবিদেশখেলালাইফস্টাইল
India Artificial Sun

এবার কৃত্রিম সূর্য তৈরি করছে ভারত! বিদ্যুৎ উৎপাদনে নয়া দিগন্ত

ভারতের 'কৃত্রিম সূর্য' তৈরির স্বপ্ন আরও একধাপ এগোল বাস্তবের পথে। ইনস্টিটিউট ফর প্লাজমা রিসার্চ-এর এসএসটি-১ টোকামাক যন্ত্রে সফলভাবে বসানো হল একটি শক্তিশালী জাইরোট্রন। যার ক্ষমতা ৮২.৬ গিগাহার্জ এবং ৪০০ কিলোওয়াট।
Subhodeep Mullick
04:48 PM Sep 15, 2026 IST
ভারতের 'কৃত্রিম সূর্য' তৈরির স্বপ্ন আরও একধাপ এগোল বাস্তবের পথে। ইনস্টিটিউট ফর প্লাজমা রিসার্চ-এর এসএসটি-১ টোকামাক যন্ত্রে সফলভাবে বসানো হল একটি শক্তিশালী জাইরোট্রন। যার ক্ষমতা ৮২.৬ গিগাহার্জ এবং ৪০০ কিলোওয়াট।
প্রতীকী ছবি।

গুজরাটের এক গবেষণাগারে চলছে প্রকৃতির অন্যতম শক্তিশালী এক প্রক্রিয়াকে কৃত্রিমভাবে তৈরির কাজ। লক্ষ্য, নক্ষত্রের শক্তিকে পৃথিবীতে বসেই বন্দি করা। ভারতের এই 'কৃত্রিম সূর্য' (India Artificial Sun) তৈরির স্বপ্ন এবার আরও একধাপ এগোল বাস্তবের পথে। ইনস্টিটিউট ফর প্লাজমা রিসার্চ-এর এসএসটি-১ টোকামাক যন্ত্রে সফলভাবে বসানো হল একটি শক্তিশালী জাইরোট্রন। যার ক্ষমতা ৮২.৬ গিগাহার্জ এবং ৪০০ কিলোওয়াট। এসএসটি-১ বা 'স্টেডি স্টেট সুপারকন্ডাক্টিং টোকামাক' হল ভারতের পরীক্ষামূলক ফিউশন যন্ত্র।

সাধারণ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মতো জ্বালানি পুড়িয়ে শক্তি তৈরি এর লক্ষ্য নয়। চরম তাপ ও চাপে হালকা পরমাণুর নিউক্লিয়াসকে জুড়ে দিয়ে শক্তি উৎপাদনের প্রক্রিয়াকে বলে ফিউশন। ঠিক যে প্রক্রিয়ায় সূর্য ও অন্যান্য নক্ষত্র আলো বিকিরণ করে। ভারতীয় ফিউশন পরীক্ষায় প্লাজমার তাপমাত্রা ইতিমধ্যেই ২০ কোটি ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে গিয়েছে। এই উত্তাপ সূর্যের কেন্দ্রের তাপমাত্রার চেয়েও প্রায় ২০ গুণ বেশি। তবে শুধু তাপমাত্রা বাড়ানোই শেষ কথা নয়। আসল চ্যালেঞ্জ অন্যত্র। এই উত্তপ্ত প্লাজমাকে দীর্ঘক্ষণ স্থিতিশীল ও ধরে রাখাটাই সবচেয়ে কঠিন কাজ।

Advertisement
দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

প্রশ্ন উঠতে পারে, কৃত্রিম সূর্য আসলে ঠিক কী? মহাজাগতিক সূর্যের থেকে এটি কোথায়, কীভাবে আলাদা? ‘আর্টিফিসিয়াল সান’ আসলে হল একটি নিউক্লিয়াল ফিউশন রিঅ‌্যাক্টর, যা সেই বিপুল পরিমাণ শক্তি উৎপাদন করতে পারে এবং তা-ও আবার সেই একই প্রক্রিয়ায়, যা মহাজাগতিক সূর্যের ক্ষেত্রে ঘটে। শুধু তাই নয়। এক্ষেত্রে মহাজাগতিক সূর্যের মতোই হাইড্রোজেন পরমাণুর সংযোজন ঘটিয়ে (প্রায় ১০০ মিলিয়ন ডিগ্রি সেন্টিগ্রেডেরও বেশি তাপমাত্রায়) বিপুল পরিমাণ শক্তি উৎপন্ন করা হয়। তবে এই প্রক্রিয়ার বিশেষত্ব হল, এক্ষেত্রে কার্বন ডাই-অক্সাইড গ‌্যাস নির্গত হয় না। তাই এই প্রক্রিয়াকে ভবিষ্যতের দূষণহীন-পরিচ্ছন্ন শক্তির অন্যতম প্রতিশ্রুতিময় উৎস হিসাবেই দেখা হচ্ছে।

Advertisement
দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Tags :
Gujarat
Advertisement
Tags :
Gujarat

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন