ইস্তফা রাজ্যের প্রথম মহিলা আইপিএসের, কেরলমে একমাত্র পুরনিগমও হাতছাড়া হবে বিজেপির?
Subhajit Mandal
কেরলম বিজেপিতে (Kerala BJP) অন্তর্দ্বন্দ্ব, বড় ধরনের ফাটল। তিরুবনন্তপুরম পুরসভার শাস্তমঙ্গলম ওয়ার্ডের বিজেপি কাউন্সিলর পদ থেকে ইস্তফা কেরলমের প্রথম মহিলা আইপিএস এবং রাজ্যের প্রাক্তন ডিজি আর শ্রীলেখা। মেয়র পদ না পাওয়ায় দীর্ঘদিনের অসন্তোষ এবং দলীয় কোন্দলের জেরেই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা।
স্বাভাবিকভাবেই অস্বস্তিতে পড়েছে বিজেপি। কারণ, পুরসভায় তাদের গরিষ্ঠতা খুবই সামান্য। এক নির্দল কাউন্সিলরের সমর্থনে ১০১ আসনের পুরসভায় তাদের শক্তি ৫০। ২ নির্দল কাউন্সিলরের সমর্থন করায় ৫২ জন কাউন্সিলরকে নিয়ে কেরলের ওই ঐতিহ্যবাহী পুরনিগমে প্রথমবার বোর্ড গঠন করে বিজেপি। কিন্তু পরে দুই কাউন্সিলরকে বিতর্কিত কাপ্পা আইনে গ্রেপ্তার করেছে সরকার। ফলে এই মুহূর্তে আস্থা ভোট হলে ৫০ জনের বেশি কাউন্সিলর জগায্র করতে পারবে না বিজেপি। শ্রীলেখার ইস্তফা গৃহীত হলে সংখ্যাটা ৪৯-এ নেমে আসবে।
আরও পড়ুন:
অবসরের পর শ্রীলেখা বিজেপিতে যোগ দেন। দলের শীর্ষনেতৃত্বের অনুরোধে ২০২৫ সালের পুর নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে রাজি হয়েছিলেন এই শর্তে যে, তাঁকে তিরুবনন্তপুরম কর্পোরেশনের মেয়র পদপ্রার্থী করা হবে। কিন্তু বিজেপি জয়ী হওয়ার পর আরএসএস ও দলের শীর্ষনেতাদের হস্তক্ষেপে তাঁর বদলে প্রবীণ বিজেপি নেতা ভি ভি রাজেশ-কে মেয়র করা হয়। এর পর থেকেই তিনি দলের ওপর ক্ষুব্ধ ছিলেন। পাশাপাশি শাস্তমঙ্গলম কর্পোরেশন ভবনে অফিস ঘরের বরাদ্দ নিয়ে স্থানীয় নেতাদের সঙ্গে শ্রীলেখার তীব্র মতবিরোধ তৈরি হয়েছিল।
তবে তিনি মেয়রের কাছে ইস্তফা দিয়েছেন। কিন্তু আইন অনুযায়ী, তাঁর পুরসচিবের কাছে চিঠি জমা দেওয়ার কথা। ফলে পরিস্থিতি ঠিক কোন দিকে গড়ায়, সে দিকে নজর রাজনৈতিক মহলের।