মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের জেরে দেশে রান্নার গ্যাসের সংকট। বুকিং করেও মিলছে না সিলিন্ডার। রাজ্যে রাজ্যে গ্যাসের দোকানগুলির সামনে লম্বা লাইন। ইতিমধ্যেই বন্ধ হয়েছে একাধিক রেস্তরাঁ। এসবের মধ্যেই সংসদে দাঁড়িয়ে মোদি সরকারের পেট্রোলিয়াম মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরীর দাবি, "দেশে গ্যাস বা তেলের কোনও সংকট নেই। সরবরাহও স্বাভাবিক।"
বেশ কিছুদিন ধরেই উপসাগরীয় যুদ্ধ এবং দেশের জ্বালানি সংকট নিয়ে সরকারের বিবৃতি দাবি করছে বিরোধীরা। একদিন আগেই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গ্যাস নিয়ে কেন্দ্রের বিবৃতি দাবি করেছেন। বৃহস্পতিবার সংসদে একযোগে থালাবাসন, প্রতীকী গ্যাস সিলিন্ডার নিয়ে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন বিরোধী সাংসদরা। এদিন সংসদে তৃণমূল সাংসদদের থালাও বাজাতে দেখা গিয়েছে।
এসবের মধ্যেই বিবৃতি দিয়ে পেট্রোলিয়াম এবং শক্তিমন্ত্রী হরদীপ সিং পুরী বলেন, "দেশে পর্যাপ্ত গ্যাস মজুত আছে। পেট্রল-ডিজেল-কেরোসিনের কোনও অভাব নেই। ভারতের হাতে পর্যাপ্ত অপরিশোধিত তেল আছে। তেল এবং গ্যাসের সরবরাহও স্বাভাবিক। সিএনজি ১০০ শতাংশ সরবরাহ হচ্ছে। এলএনজির সরবরাহেও কোনও সমস্যা নেই।" মন্ত্রীর দাবি, " যুদ্ধের জেরে গোটা বিশ্বে যখন জ্বালানি সংকট, সেটার আঁচ ভারতে পড়েনি। গত পাঁচ দিনে এলপিজির উৎপাদন বেড়েছে। সেক্ষেত্রেও সরবরাহের কোনও সমস্যা নেই। বুকিংয়ের আড়াই দিনের মধ্যেই বাড়িতে গ্যাস পৌঁছে যাচ্ছে।" তবে গ্যাসের যে সামান্য সংকট তৈরি হয়েছে, সেটা মেনে নিয়ে এর জন্য মজুতদারি এবং কালোবাজারিকেই দায়ী করেছেন মন্ত্রী।
এদিন মন্ত্রী বিবৃতি দিতে উঠলেই এপস্টেইন ফাইলের প্রসঙ্গ তুলে হরদীপ সিং পুরীকে খোঁচা দেন রাহুল গান্ধী-সহ বিরোধীরা। মন্ত্রীর ভাষণ চলাকালীন একাধিকবার 'এপস্টেইন-এপস্টেইন' বলে স্লোগান দিতে শোনা গিয়েছে বিরোধীদের।
