মাস্ক পরেই চরণামৃত পান, কটাক্ষের মুখে মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলট, অস্বস্তিতে কংগ্রেস

06:21 PM Sep 07, 2022 |
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মাস্ক পরা অবস্থায় চরণামৃত পান করে বিতর্কে জড়ালেন রাজস্থানের (Rajasthan) মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলট (Ashok Gehlot)। রাজ্যের একটি মন্দির দর্শনে গিয়ে এই কাণ্ড করেন তিনি। এরপরই ট্রোলড হন। সোশ্যাল মি়ডিয়ায় (Social Media) চরম কটাক্ষ করে নেটিজেন। মাস্ক পরা অবস্থায় চরণামৃত পান করা নিয়ে ব্যঙ্গ করতে ছাড়েনি গেরুয়া শিবির। সব মিলিয়ে এই ঘটনায় অস্বস্তিতে পড়েছে গেহলট ও রাজস্থান কংগ্রেস (Congress)।

Advertisement

googletag.cmd.push(function() { googletag.display('div-gpt-ad-1652782001027-0'); });

এদিন জয়সলমিরের (Jaisalmer) একটি মন্দিরে যান রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলট। মুখ্যমন্ত্রীর মন্দির পরিদর্শনের একটি ভিডিও প্রকাশ্যে এসেছে। যা নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়েছে। ওই ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, মন্দিরের বিগ্রহের সামনে জোড়হাতে দাঁড়িয়ে গেহলট। তাঁকে ঘিরে নিরাপত্তারক্ষীরা এবং আরও কয়েকজন। এরমধ্যে মন্দিরের পুরোহিত গেহলটের হাতে চরণামৃত দেন। সঙ্গে সঙ্গে তা পান করার ভঙ্গি করেন গেহলট। যদিও গেহলটের মুখে তখন মাস্ক পরা ছিল।

window.unibots = window.unibots || { cmd: [] }; unibots.cmd.push(()=>{ unibotsPlayer('sangbadpratidin'); });

[আরও পড়ুন: মুক্তিযুদ্ধে শহিদ ভারতীয় জওয়ানদের শ্রদ্ধাজ্ঞাপন হাসিনার, উত্তরসূরিদের জন্য ঘোষণা ছাত্রবৃত্তির]

মাস্ক পরা অবস্থায় এমন ভুয়ো চরণামৃত পান নিয়ে ট্রোলড হচ্ছেন অশোক গেহলট। সোশ্যাল মিডিয়ায় গেহলটকে কটাক্ষ করতে ছাড়ছে না নেটজেন থেকে গেরুয়া শিবির। বিজেপি নেতা-কর্মীরাই গেহলটের ভুয়ো চরণামৃত পান নিয়ে সবচেয়ে বেশি ব্যঙ্গ করেন। এক বিজেপি কর্মীর ব্যঙ্গ, গেহলট ও কংগ্রেস এতটাই ডিজিটাল হয়ে গিয়েছে যে ওয়াইফাইয়ের মাধ্যমে চরণামৃত পান করছেন। এক হিন্দুত্ববাদীর মন্তব্য, লোকটা নাস্তিক, ধর্ম সম্পর্কে ধারণা নেই। সেই কারণেই এমন আচরণ করেছে। সব মিলিয়ে গেহলট কাণ্ডে বেজায় অস্বস্তিতে পড়েছে কংগ্রেস। এখনও অবধি দলের তরফে কোনও সাফাই মেলেনি।

Advertising
Advertising

googletag.cmd.push(function() { googletag.display('div-gpt-ad-1652782050143-0'); });

[আরও পড়ুন: ঋণের বোঝায় ডুবে নেই মোটেই, বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা ওড়াল আদানি গোষ্ঠী]

উল্লেখ্য, কংগ্রেসের সভাপতি নির্বাচনে ভাসছে গেহলটের নাম। গান্ধী পরিবার থেকে কেউ দলের সভাপতি না হলে গেহলটই সর্বোচ্চ পদে বসতে পারেন বলে খবর। যদিও দলের দায়িত্ব বিক্ষুব্ধগোষ্ঠীর কোনও নেতার হাতে যেতে পারে বলেও আশঙ্কা গান্ধী পরিবারের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিতদের। এই অবস্থায় তাঁরা সম্মিলিতভাবে রাহুল গান্ধীকে নতুন করে সভাপতি হওয়ার জন্য চাপ দিচ্ছেন। শেষ পর্যন্ত জল কোন দিকে গড়াবে তা নিয়ে এখনও ধোঁয়াশা রয়েছে।  

Advertisement
Next