দেবীপক্ষমহানগররাজ্যবিদেশখেলালাইফস্টাইল
Dhirendra Shastri

ফের বিতর্কে বাগেশ্বর বাবা, এবার শিখ-মুসলিমদের ভাবাবেগে আঘাত! ক্ষুব্ধ শাহী ইমাম

বাংলার পর এবার পাঞ্জাব। ফের বিতর্কে ধীরেন্দ্র শাস্ত্রী।
Subhajit Mandal
06:30 PM Sep 30, 2026 IST
বাংলার পর এবার পাঞ্জাব। ফের বিতর্কে ধীরেন্দ্র শাস্ত্রী।
ধীরেন্দ্রকৃষ্ণ শাস্ত্রী তথা বাগেশ্বর বাবা।

বাংলার পর এবার পাঞ্জাব। ফের বিতর্কে বাগেশ্বর বাবা। এবার তাঁর বিরুদ্ধে শিখ এবং মুসলিমদের ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাতের অভিযোগ। বাগেশ্বর বাবাকে ক্ষমা চাইতে হবে, দাবি লুধিয়ানের শাহী ইমাম মৌলানা উসমান রেহমানির।

ঠিক কী বলেছিলেন ধীরেন্দ্র শাস্ত্রী?
দিন দুই আগে লুধিয়ানায় হনুমান কথায় প্রবচন দিচ্ছিলেন বাগেশ্বর বাবা। ওই সভায় তিনি পাঞ্জাবের নেশা এবং ধর্মান্তকরণ নিয়ে সরব হন। ধীরেন্দ্র শাস্ত্রী বলেন, "পাঞ্জাবের সবচেয়ে বড় সমস্যা হল নেশা এবং ধর্মান্তকরণ। বিদেশি শক্তি পাঞ্জাবের যুব সমাজকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করছে। এটা আমাকে যন্ত্রণা দেয়। যারা গুরু গ্রন্থ সাহেবে বিশ্বাস করে, যারা গোবিন্দ সিংকে গুরু মানে, তাঁরা ওই আবদুল্লাদের কথা শুনে ধর্ম বদলে ফেলছেন। এই পাগলামো করবেন না। এটা আমাকে ব্যথিত করে। যেভাবেই হোক পাঞ্জাবে ধর্মান্তকরণ রুখতে হবে।" বাগেশ্বর বাবা বলেন, "যারা আমার কথা শুনতে চান না, তাঁরা শুনবেন না। কিন্তু আমরা ধর্মান্তরকণ রুখবই। সমাজসেবীরা কাজ করছেন, সরকার কাজ করছে, রাজনৈতিক কর্মীরা কাজ করছেন। আমি আমার শিখ বন্ধুদের পাশে আছি।"

Advertisement
দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

ধীরেন্দ্র শাস্ত্রীর ওই মন্তব্য নিয়েই বিতর্ক শুরু হয়ে যায়। যেভাবে তিনি পাঞ্জাবীদের ধর্মান্তকরণ এবং 'আবদুল্লা'দের প্রভাবের কথা বলেছেন, তা নিয়ে আপত্তি উঠেছে শিখ এবং মুসলিম দুই সম্প্রদায় থেকেই। লুধিয়ানার শাহী ইমাম মৌলানা উসমান রেহমানি বলছেন, "আমরা সব ধর্মকে সম্মান করি। আপনি আপনার ধর্ম প্রচার করুন। আমাদের কিছু বলার নেই। কিন্তু ধর্মপ্রচারের নামে যদি অন্যের ধর্মকে আঘাত করা হয়, তাহলে সেটা সহ্য করা হবে না।" তাঁর দাবি, লুধিয়ানার মানুষ সেই ১৯৪৭ সাল থেকে সম্প্রীতির সঙ্গে বসবাস করে আসছেন। কিন্তু লুধিয়ানার মানুষকে এভাবে পাগল বলা হলে আমরা সহ্য করব না।

উল্লেখ্য, এই ধীরেন্দ্র শাস্ত্রী দিন কয়েক আগে বাংলায় এসেও বিতর্কে জড়ান। দুর্গাপুজোয় আমিষ খাওয়া নিয়ে মন্তব্য করায় বহু বাঙালি তাঁর মন্তব্যের প্রতিবাদ করেন। শেষপর্যন্ত তাঁকে ক্ষমা চাইতে হয়। পাঞ্জাবের মন্তব্যের জন্যও তিনি পরে ক্ষমা চেয়েছেন। তিনি দাবি করেছেন, কোনও ধর্মকে আঘাত করা তাঁর উদ্দেশ্য নয়।

Advertisement
দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Tags :
BJPPunjab
Advertisement
Tags :
BJPPunjab

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন