পশ্চিমবঙ্গ-বারাণসী আধ্যাত্মিক যোগ! মোদির কেন্দ্রে প্রাচীন কালীমন্দির সংস্কারের প্রস্তাব শমীকের
Sucheta Sengupta
পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে প্রাচীন শহর বারাণসীর আধ্যাত্মিক যোগ আরও নিবিড় করতে নয়া উদ্যোগ নিলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য (Samik Bhattacharya)। দু'দিনের বারাণসী সফরে রবিবার সকালে তিনি বাঙালিটোলায় কালীমন্দির চত্বরে যান জনসংযোগ সারতে। বাঙালিটোলার ওই কালীমন্দিরটি বহু আগে তৈরি হয়েছিল কোচবিহার দেবোত্তর ট্রাস্টের জমিতে। প্রাচীন সেই মন্দির সংস্কার ও সংরক্ষণের কাজের পাশাপাশি ওই চত্বরে পশ্চিমবঙ্গ ভবন গড়ে তোলার প্রস্তাব দিয়েছেন শমীক। এই মর্মে তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চিঠিও লিখেছেন বলে জানান। বিজেপি রাজ্য সভাপতির বক্তব্য, সেখানে পশ্চিমবঙ্গ ভবন তৈরি হলে বাংলা থেকে যে হাজার হাজার পুণ্যার্থী বারাণসীতে যান তীর্থের উদ্দেশে, তাঁদের সুবিধা হবে।
মন্দিরটির ঐতিহাসিক ও আধ্যাত্মিক গুরুত্ব বর্ণনা করতে গিয়ে শমীকবাবু জানান, কোচবিহার দেবোত্তর ট্রাস্টের এই ঐতিহ্যবাহী সম্পদ কেবল ধর্মস্থানের পরিচয় বহন করছে না। এর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে বাংলার ইতিহাস, সংস্কৃতি ও বারাণসীর সঙ্গে বাংলার দীর্ঘদিনের আত্মিক সম্পর্ক। তাই মন্দিরগুলির পুনরুদ্ধার, সংরক্ষণের পাশাপাশি অব্যবহৃত জমিটি ব্যবহার করে একটি সাংস্কৃতিক কেন্দ্র এবং পশ্চিমবঙ্গ ভবন গড়ে তোলার উদ্যোগ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।
শনিবার দেশের আধ্যাত্মিক রাজধানী বারাণসী গিয়েছেন শমীক ভট্টাচার্য। রবিবার সকালে তিনি বাঙালিটোলার প্রাচীন কালীমন্দিরে যান। মন্দিরটি সংস্কারের দায়িত্ব নিতে চান। সেই কাজ শুরুর আগে বাস্তব পরিস্থিতি পর্যালোচনা এবং সম্ভাব্য উন্নয়নমূলক কাজের রূপরেখা খতিয়ে দেখতেই শমীকের আজ সেখানে যাওয়া। তাঁর সঙ্গে এদিন ছিলেন বিজেপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক সুনীল বনসাল, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পর্যটন দপ্তরের আধিকারিকরা এবং বারাণসী জেলা প্রশাসনের প্রতিনিধিরা। মন্দিরটির ঐতিহাসিক ও আধ্যাত্মিক গুরুত্ব বর্ণনা করতে গিয়ে শমীকবাবু জানান, কোচবিহার দেবোত্তর ট্রাস্টের এই ঐতিহ্যবাহী সম্পদ কেবল ধর্মস্থানের পরিচয় বহন করছে না। এর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে বাংলার ইতিহাস, সংস্কৃতি ও বারাণসীর সঙ্গে বাংলার দীর্ঘদিনের আত্মিক সম্পর্ক। তাই মন্দিরগুলির পুনরুদ্ধার, সংরক্ষণের পাশাপাশি অব্যবহৃত জমিটি ব্যবহার করে একটি সাংস্কৃতিক কেন্দ্র এবং পশ্চিমবঙ্গ ভবন গড়ে তোলার উদ্যোগ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।
আরও পড়ুন:
বিজেপি রাজ্য সভাপতি আরও জানান, এই বিষয়ে একটি প্রস্তাব ইতিমধ্যেই অনুমোদনের জন্য মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর কাছে উপস্থাপন করা হয়েছে। সেইসঙ্গে প্রধানমন্ত্রীকেও চিঠি লিখেছেন শমীক ভট্টাচার্য। তাঁর কথায়, ‘‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রীজিকে আমি একটি চিঠি লিখে জানিয়েছি যে তাঁর নির্বাচনী কেন্দ্রে এই প্রাচীন কালীমন্দিরটির সঙ্গে বাংলার নিবিড় যোগ রয়েছে। তাই তা সংস্কারের দায়িত্ব নেওয়ার পাশাপাশি আমরা এখানকার জমিতে পশ্চিমবঙ্গ ভবন গড়ে তুলতে চাই।''
পরিকল্পনাটি বাস্তবায়িত হলে পশ্চিমবঙ্গ থেকে বারাণসীতে যাওয়া তীর্থযাত্রীদের থাকা ও প্রয়োজনীয় সব সুযোগ-সুবিধা যেমন বৃদ্ধি পাবে, তেমনই বাংলার ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির সঙ্গে বারাণসূ ঐতিহাসিক যোগসূত্র আরও সুদৃঢ় হবে বলে মনে করেন শমীক ভট্টাচার্য, সুনীল বনসালরা।বাংলার ঐতিহ্যকে সংরক্ষণ, বাংলার মানুষের সুবিধা নিশ্চিত করা এবং কাশীর সঙ্গে বাংলার চিরন্তন সাংস্কৃতিক বন্ধনকে আরও শক্তিশালী করাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।