shono
Advertisement
DK Shivakumar

কর্নাটকে কংগ্রেসের কোন্দল থামছে না! এবার ডিকের বিরুদ্ধে নালিশ জানাতে দিল্লিযাত্রা দুই বিধায়কের

কর্নাটকে শিবকুমারের বিরুদ্ধে ধিকি ধিকি জ্বলছে বিদ্রোহের আগুন?
Published By: Biswadip DeyPosted: 12:50 PM Jun 09, 2026Updated: 12:50 PM Jun 09, 2026

'হ্যামলেট'-এর সেই অবিস্মরণীয় সংলাপ 'সামথিং ইজ রটেন ইন দ্য স্টেট অব ডেনমার্ক'-কে মাথায় রেখে বলাই যায় 'সামথিং ইজ রটেন ইন কর্নাটক সরকার'। কংগ্রেস চেষ্টা করেছিল কর্নাটকে ক্ষমতার হাতবদল মসৃণ ভাবে হয়েছে, এমনটাই দেখাতে। কিন্তু যত সময় যাচ্ছে ততই অস্বস্তি বাড়ছে নতুন মুখ্যমন্ত্রী ডিকে শিবকুমারের। তাঁর শপথ নেওয়ার ৩ দিনের মধ্যেই পদত্যাগ করেন মন্ত্রী হিসাবে শপথ নেওয়া রামালিঙ্গা রেড্ডি। যদিও তিনি দাবি করেছিলেন, রামালিঙ্গা ইস্যুর সমাধান হয়ে গিয়েছে। কিন্তু ফের কর্নাটকে কংগ্রেস সরকারের ভিতরের কোন্দল প্রকাশ্যে। শিবকুমারের বিরুদ্ধে ক্ষুব্ধ দুই মন্ত্রী। তাঁদের মধ্যে একজন মন্ত্রিত্ব পেয়েও ক্ষুব্ধ। অন্যজন মন্ত্রী হয়েও অসন্তুষ্ট। দু'জনই পাড়ি দিয়েছেন দিল্লিতে। কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছে নালিশ জানাতে।

Advertisement

জানা গিয়েছে, দুই 'বিদ্রোহী'র একজন কৃষ্ণ বাইর গৌড়া। তিনি এখনও তাঁর দপ্তরের দায়িত্ব নেননি। তার দাবি, বেঙ্গালুরু উন্নয়ন পর্ষদ (বিডিএ) এবং বেঙ্গালুরু মেট্রোপলিটন উন্নয়ন পর্ষদ (বিএমআরডিএ)-কে তাঁর অধীনস্থ দপ্তরের আওতায় আনতে হবে। অন্যজন রিজওয়ান আরশাদ। তাঁর আবদার, মন্ত্রিত্ব চাই। এখন দেখার, শীর্ষ নেতৃত্ব তাঁদের দাবি মেনে নেন কিনা। সেক্ষেত্রে মন্ত্রিসভায় ফের রদবদল হতেই পারে।

প্রসঙ্গত, এর আগে রামালিঙ্গা রেড্ডিকে নিয়ে প্রবল অস্বস্তিতে পড়তে হয়েছিল দলকে। তাঁর দাবি ছিল, তাঁকে বেঙ্গালুরু উন্নয়ন দপ্তরের দায়িত্ব দিতে হবে। সিদ্দারামাইয়া মন্ত্রিসভায় ওই দপ্তরটি ছিল খোদ শিবকুমারের হাতে। আসকে কর্নাটকে অর্থ দপ্তর এবং পুলিশ দপ্তরের পর ওই বেঙ্গালুরু উন্নয়ন দপ্তরটিকেই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হয়। ওই দপ্তরের আর্থিক লেনদেনের পরিমাণও প্রচুর। রামালিঙ্গা রেড্ডি দলের সিনিয়র নেতা। দীর্ঘদিন ধরে তিনি ওই দপ্তরের দাবিতে অনড় ছিলেন। শিবকুমার নাকি মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার আগে ওই দপ্তরটি তাঁকে দেওয়া হবে বলে প্রতিশ্রুতিও দেন। কিন্তু পরে দেখা যায় বেঙ্গালুরু উন্নয়নের বদলে তাঁকে দেওয়া হয়েছে সেচ দপ্তর। এতেই চটে গিয়ে ইস্তফা দেন ৮ বারের বিধায়ক। যদিও মুখে জানান, “আমি সিদ্দারামাইয়া বা শিবকুমার কারও উপরই ক্ষুব্ধ নই।” কিন্তু তাঁর মতো সিনিয়র নেতার ক্ষোভের মুখে পড়ে অস্বস্তি বাড়ে শিবকুমারের। যা নতুন মাত্রা পেল দুই বিধায়কের দিল্লি যাত্রায়। এবং তা স্পষ্ট করে দিল, কর্নাটকের কংগ্রেস সরকারের অন্দরে ধিকি ধিকি জ্বলতে থাকা বিদ্রোহের অগ্নিশিখাকে।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement