১৫ বছরের তৃণমূল জমানায় বেহাল অবস্থা বঙ্গ অর্থনীতির। এই পরিস্থিতিতে দিল্লি সফরের শেষ পর্বে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমনের সঙ্গে বৈঠক করলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। শুভেন্দু কলকাতায় ফেরার আগে হওয়া এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে কেন্দ্র ও রাজ্যের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর সঙ্গে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর বৈঠকের পর অর্থমন্ত্রকের তরফে বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে, রাজ্যে কেন্দ্রীয় জনকল্যাণমূলক প্রকল্পগুলির বাস্তবায়ন আরও দ্রুত করার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। কেন্দ্রের বিভিন্ন প্রকল্পের কার্যকর বাস্তবায়ন এবং সাধারণ মানুষের কাছে প্রকল্পগুলির সুবিধা পৌঁছে দিতে কেন্দ্র ও রাজ্যের মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধির ওপর জোর দেওয়া হয়েছে এই বৈঠকে। রাজ্যের বিভিন্ন পরিকাঠামো প্রকল্প, আর্থিক উন্নয়ন এবং বিনিয়োগ সংক্রান্ত বিষয় নিয়েও আলোচনা হয়েছে বলে সূত্রের খবর।
পশ্চিমবঙ্গের উন্নয়নমূলক কর্মসূচির অগ্রগতি এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়েও মতবিনিময় হয়েছে নির্মলা ও শুভেন্দুর।
এছাড়াও এই বৈঠকে পশ্চিমবঙ্গের উন্নয়নমূলক কর্মসূচির অগ্রগতি এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়েও মতবিনিময় হয়েছে নির্মলা ও শুভেন্দুর। এই বৈঠককে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। কেন্দ্র-রাজ্য সমন্বয় বাড়িয়ে উন্নয়নমূলক প্রকল্পের গতি ত্বরান্বিত করার বার্তাই এই বৈঠক থেকে উঠে এসেছে বলে পর্যবেক্ষকদের একাংশের মত।
এদিকে নতুন সরকার গঠনের পর বাংলার রেল প্রকল্পে জোয়ার আসতে চলেছে। গত শনিবার রাজ্যে এসেছিলেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। যৌথ সাংবাদিক সম্মলনে জানান, আগামী দিনে এক লক্ষ কোটি টাকার বিনিয়োগ হবে বঙ্গে। পাশাপাশি এ রাজ্যে চলা রেলপ্রকল্পগুলোতে গতি বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়। জমি অধিগ্রহণ, প্রশাসনিক সমন্বয় ও প্রকল্প বাস্তবায়নে যে জটিলতা রয়েছে, তা দ্রুত মেটাতে টাস্ক ফোর্স গঠন করা হয়েছে। যেখানে প্রতি সপ্তাহে প্রকল্পগুলির অগ্রগতি পর্যালোচনা হবে এবং প্রয়োজনীয় সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে নির্দেশিকায়। মুখ্যসচিব নিজে প্রতি মাসে বৈঠক করে প্রকল্পগুলির অগ্রগতি খতিয়ে দেখবেন বলে নির্দেশিকায় উল্লেখ করা হয়েছে।
