হাই কোর্টে ধাক্কা অভিষেক-শ্যালিকার, ইডির বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া আদালত অবমাননার মামলা খারিজ

12:48 PM Sep 30, 2022 |
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ইডির বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলায় ধাক্কা খেলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) শ্যালিকা মেনকা গম্ভীর। তাঁর দায়ের করা মামলা খারিজ করে দিল কলকাতা হাই কোর্ট (Calcutta HC)। বিচারপতি মৌসুমী ভট্টাচার্য রায়ে জানিয়ে দিলেন, ইডি (ED) ইচ্ছাকৃতভাবে মেনকা গম্ভীরকে বিমানবন্দরে আটকায়নি। ইচ্ছা করে আদালত অবমাননাও করেনি। এরপর মেনকাকে বিদেশ যেতে হলে আলাদা করে আবেদন জানাতে হবে। মামলার রায় অনুযায়ী তিনি পদক্ষেপ করতে পারবেন।

Advertisement

কয়লা পাচার মামলায় (Coal scam) ব্যাংক লেনদেন সংক্রান্ত বিষয়ে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী আধিকারিকদের সন্দেহের তালিকায় ছিল অভিষেকপত্নী রুজিরা ও শ্যালিকা মেনকা গম্ভীর। বিদেশি ব্যাংকে তাঁদের আর্থিক লেনদেন সন্দেহজনক হওয়ায় ইডি ও সিবিআই আধিকারিকরা তাঁদের একাধিকবার ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন। দু’জনকেই জেরার ক্ষেত্রে আদালতের নির্দেশ ছিল, তাঁদের বিদেশযাত্রায় বাধা নেই, কলকাতাতেই (Kolkata) জেরা করতে হবে।

[আরও পড়ুন: হাসপাতালের এমার্জেন্সি ওয়ার্ডে ঢুকে জামিয়া মিলিয়ার পড়ুয়াকে গুলি! আতঙ্ক দিল্লিতে]

কিন্তু মেনকা গম্ভীর (Menoka Gambhir) এর আগে মায়ের সঙ্গে দেখা করতে ব্যাংকক যাওয়ার পথে ইডি আধিকারিকরা তাঁকে বিমানবন্দরে আটকান বলে অভিযোগ করেন। হাই কোর্টে তিনি ইডির বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলা করেন। সেই মামলায় ইডি পরে স্বীকার করে নিয়েছিল, বিমানবন্দরে মেনকাকে আটকানো তাঁদের ‘অনিচ্ছাকৃত ভুল’ ছিল। আর শুক্রবার রায়ে বিচারপতি মৌসুমী ভট্টাচার্য ব্যাখ্যা করে জানালেন, ইডি ইচ্ছা করে আদালত অবমাননা করেনি। আদালতে ইডি জানায়, ওইদিন মেনকা গম্ভীরকে আটকানোর উদ্দেশে কিছু করা হয়নি। তাঁকে সমন ধরানোর জন্য ডাকা হয়েছিল। বিদেশ গেলে কোন ঠিকানায় ইডি যোগাযোগ করবে, তা জানতে চাওয়া হয় তাঁর কাছে।

Advertising
Advertising

[আরও পড়ুন: পুজোর মরশুমেও চলবে দুর্নীতি মামলার তদন্ত, ‘বাতিল’ CBI আধিকারিকদের ছুটি]

এর পরিপ্রেক্ষিতে বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, এটা আটকানো নয়, সামান্য জিজ্ঞাসাবাদ ও রুটিন কাজের জন্য মেনকা গম্ভীরের সঙ্গে বিমানবন্দরে কথা বলেছিলেন ইডি আধিকারিকরা। তাঁর মামলার যৌক্তিকতা নেই। তাই তা খারিজ করা হল। এরপর মেনকা বিদেশ যেতে চাইলে তাঁকে আবেদন করতে হবে বলে জানান বিচারপতি।

Advertisement
Next