প্রতিরক্ষায় 'আত্মনির্ভর ভারত', সেনার হাত মজবুত করছে কাশীপুরের ঐতিহাসিক কারখানা
Sucheta Sengupta
অ্যাডভান্সড ওয়েপনস অ্যান্ড ইকুপমেন্ট ইন্ডিয়া লিমিটেডের (AWEIL) ষষ্ঠ প্রতিষ্ঠা দিবস পালিত হল কাশীপুরের গান অ্যান্ড শেল ফ্যাক্টরিতে। কলকাতায় ১ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে ছিল তার ৬ বছরের জন্মদিবস। দেশের প্রতিরক্ষায় আত্মনির্ভরতা এবং অস্ত্রশস্ত্রে গুণমানের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য সাফল্য এবং উৎকর্ষ অর্জনের লক্ষ্যে ধারাবাহিকভাবে কাজ করে চলেছে এই ফ্যাক্টরি। তাদের সেই কর্মযজ্ঞের স্বীকৃতিস্বরূপ, AWEIL-এর পক্ষ থেকে গান এন্ড শেল ফ্যাক্টরি শ্রেষ্ঠ গুণমান নিয়ন্ত্রক পুরস্কার পেয়েছে আগে। আজ, ষষ্ঠ জন্মদিনে সেই লক্ষ্যই আরও নিবিড় করার ডাক দিলেন ফ্যাক্টরির মুখ্য মহাপ্রবন্ধক।
ভারতের অর্ডন্যান্স ফ্যাক্টরিগুলির পুনর্গঠনের অংশ হিসেবে ১ অক্টোবর, ২০২১ তারিখে AWEIL প্রতিষ্ঠিত হয়। এর মূল উদ্দেশ্য ছিল কার্যগত স্বায়ত্তশাসন বৃদ্ধি, দক্ষতা উন্নত করা এবং নতুন প্রবৃদ্ধির সম্ভাবনা ও উদ্ভাবনের দ্বার উন্মোচন করা। AWEIL ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনী, দেশীয় বেসামরিক ব্যবহার এবং রপ্তানির জন্য বিভিন্ন ধরনের ছোট ও বড় ক্যালিবারের অস্ত্র উৎপাদনে বিশেষভাবে নিয়োজিত।
ভারতের অর্ডন্যান্স ফ্যাক্টরিগুলির পুনর্গঠনের অংশ হিসেবে ১ অক্টোবর, ২০২১ তারিখে AWEIL প্রতিষ্ঠিত হয়। এর মূল উদ্দেশ্য ছিল কার্যগত স্বায়ত্তশাসন বৃদ্ধি, দক্ষতা উন্নত করা এবং নতুন প্রবৃদ্ধির সম্ভাবনা ও উদ্ভাবনের দ্বার উন্মোচন করা। AWEIL ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনী, দেশীয় বেসামরিক ব্যবহার এবং রপ্তানির জন্য বিভিন্ন ধরনের ছোট ও বড় ক্যালিবারের অস্ত্র উৎপাদনে বিশেষভাবে নিয়োজিত। AWEIL-এর অধীনস্থ একটি ঐতিহ্যবাহী ও মর্যাদাপূর্ণ প্রতিষ্ঠান গান অ্যান্ড শেল ফ্যাক্টরি, ভারতের অর্ডিন্যান্স ফ্যাক্টরিগুলির মধ্যে প্রাচীনতম শিল্প প্রতিষ্ঠান। ২২০ বছরেরও বেশি সমৃদ্ধ ঐতিহ্য বহনকারী গান অ্যান্ড শেল ফ্যাক্টরি প্রতিরক্ষা উৎপাদন ও উদ্ভাবনের ক্ষেত্রে তার উৎকর্ষতার জন্য সুপরিচিত।
আরও পড়ুন:
এই বিশেষ দিনে গান অ্যান্ড শেল ফ্যাক্টরির মাননীয় মুখ্য মহাপ্রবন্ধক সুবীর কুমার সাহা গান অ্যান্ড শেল ফ্যাক্টরির মশাল প্রজ্বলন করেন এবং AWEIL-এর পতাকা উত্তোলন করেন। অনুষ্ঠানে মুখ্য মহাপ্রবন্ধকসহ অন্যান্য বিশিষ্ট আধিকারিকরা 'আত্মনির্ভর ভারত'-এর লক্ষ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সর্বোচ্চ মানের গুণমান ও উৎপাদন দক্ষতা বজায় রাখার লক্ষ্যে গান অ্যান্ড শেল ফ্যাক্টরির চলমান বিভিন্ন প্রচেষ্টা ও উদ্যোগ নিয়ে আলোচনা করেন।
সুবীর কুমার সাহা উৎপাদন ক্ষেত্রে কর্মীদের উৎসাহপূর্ণ অংশগ্রহণেরও প্রশংসা করেন। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, গৃহীত বিভিন্ন উদ্যোগের ফলে গুণমান নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা একটি প্রচলিত পরিদর্শনমূলক কার্যক্রম থেকে রূপান্তরিত হয়ে গুণমান নিশ্চিতকরণ ও ধারাবাহিক উন্নয়নের একটি সমন্বিত ব্যবস্থায় পরিণত হয়েছে। এর ফলে সমগ্র উৎপাদন প্রক্রিয়ার অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে গুণমানকে প্রতিষ্ঠিত করা সম্ভব হয়েছে।