Advertisement

মমতার দিল্লি সফরের পালটা, আগস্টেই রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ BJP নেতাদের

08:45 PM Jul 31, 2021 |
Advertisement
Advertisement

রূপায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (CM Mamata Banerjee) দিল্লি সফরের পর এবার তৎপর বিজেপিও (BJP)। ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে আগস্টের প্রথম সপ্তাহেই রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের সঙ্গে দেখা করবে বাংলার বিজেপি বিধায়কদের প্রতিনিধিদল। যে দলের নেতৃত্বে থাকবেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এই কর্মসূচি আগেই ঠিক করা ছিল। অন্যদিকে বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের (Dilip Ghosh) নেতৃত্বে বাংলার সমস্ত বিজেপি সাংসদ দেখা করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) সঙ্গে।

Advertisement

বিজেপি সাংসদরা রাজ্যে ভোট পরবর্তী হিংসা-সহ একাধিক বিষয় তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রীর কাছে। মোদির সঙ্গে বঙ্গ বিজেপি সাংসদদের সাক্ষাতের দিন এখনও ঠিক না হলেও, আগস্টের প্রথম সপ্তাহেই হতে পারে। ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে বিজেপির জনা পনেরো বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের পাশাপাশি দেখা করবে লোকসভার অধ্যক্ষ ওম বিড়লার সঙ্গে। লোকসভার অধ্যক্ষের সঙ্গে দেখা করার কারণ হচ্ছে পিএসি চেয়ারম্যান (PAC Chairman) নিয়ে বিতর্ক। শুধু তাই নয়, পঞ্চায়েত ও স্বাস্থ্যমন্ত্রকের মন্ত্রীদের সঙ্গেও দেখা করতে পারেন বঙ্গের BJP বিধায়করা।

[আরও পড়ুন: আপনার মোবাইলে কেউ আড়ি পাতছে না তো? Hacking থেকে বাঁচুন এই সহজ উপায়ে]

রাজ্যে বিভিন্ন কেন্দ্রীয় প্রকল্প রূপায়ণে রাজ্য সরকারের বাধা দেওয়ার অভিযোগ তুলেছে বিজেপি। তা নিয়েও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রকের মন্ত্রীদের সঙ্গে কথা বলবেন বিধায়করা। বিজেপি পরিষদীয় দলের মুখ্য সচেতক মনোজ টিগগার বক্তব্য, আগস্টের প্রথম সপ্তাহে দিল্লি যাওয়ার কথা রয়েছে। কবে তা এখনও ঠিক হয়নি। শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস ভোট পরবর্তী হিংসার অভিযোগ মানতে নারাজ। বিজেপি অবশ্য এনিয়ে এক নাগাড়ে অভিযোগ করে আসছে। যে সংক্রান্ত মামলা গড়িয়েছে হাই কোর্ট পর্যন্ত। জাতীয় মানবাধিকার কমিশনও রিপোর্ট দিয়েছে কোর্টে। সেই রিপোর্ট রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে অভিযোগ সরব তৃণমূল।

এই পরিস্থিতিতে তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে সংঘাত চরমে। তখন মুখ্যমন্ত্রীর দিল্লি সফরের পরই শুভেন্দু অধিকারী ও দিলীপ ঘোষদের দিল্লিতে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করার যে পরিকল্পনা, তা রাজনৈতিকভাবে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে। তৃণমূলের উপর পালটা চাপ সৃষ্টির কৌশল বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

[আরও পড়ুন: ‘মুরগি বা পাঁঠা নয়, বেশি করে গোমাংস খান,’ BJP মন্ত্রীর মন্তব্যে তুঙ্গে বিতর্ক]

Advertisement
Next