অন্নপূর্ণা থেকে আয়ুষ্মানের আবেদন! কবে কোথায় কলকাতার বুকে বসছে শিবির
Kousik Sinha
বাংলার মহিলাদের কাছে ফের অন্নপূর্ণা যোজনায় নাম তোলার সুযোগ। ইতিমধ্যে রাজ্যের প্রায় ১ কোটি ৫৮ লক্ষ মহিলার অ্যাকাউন্টে ঢুকছে এই প্রকল্পের ৩০০০ টাকা। কিন্তু অনেকেই এখনও এই প্রকল্পের সুবিধা পাওয়া থেকে বঞ্চিত। যদিও 'যোগ্য' সমস্ত মহিলাই এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন বলে আগেই জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এবার সেই সমস্ত মহিলাদের কাছে অন্নপূর্ণা যোজনায় নাম তোলার সুযোগ। শুক্রবার থেকেই শুরু হচ্ছে তিনদিনের বিশেষ জনকল্যাণ শিবির বা ‘সেবা সেতু অভিযান’। যেখানে আয়ুষ্মান, প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা, শিক্ষাশ্রী, জয় জোহার, পিএম কিষান ক্রেডিট কার্ড, পিএম কিষান স্বনিধি-সহ কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক ২০টি প্রকল্পের সুবিধা পাওয়ার জন্য আবেদন করা যাবে। শুধু তাই নয়, ফর্ম পাওয়া যাবে অন্নপূর্ণা যোজনারও।
শিবিরের খবর সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য বিধায়কদের সাহায্য করতে ইতিমধ্যে বলা হয়েছে।
কলকাতার ১৬টি বরো তথা রাজ্যের সমস্ত ব্লকেই বিশেষ জনকল্যাণ শিবির বা ‘সেবা সেতু অভিযান' চলবে বলে জানা গিয়েছে। ইতিমধ্যে কলকাতা পুরসভার সমাজমাধ্যমে এই বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়েছে। কোন কোন ওয়ার্ডে কোথায় কোথায় ক্যাম্প বসবে তা বিস্তারিত জানানো হয়েছে। পুরসভার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ওয়ার্ড নম্বর ১,২ এবং ৬ ওয়ার্ডের জন্য ক্যাম্প বসবে উত্তরণ কমিউনিটি হলে। এফসিআই গোডাউনের কাছে গোপাল চন্দ্র চ্যাটার্জি রোডে এই কমিউনিটি হল। ওয়ার্ড নম্বর ৩, ৪ এবং ৫ এর ক্যাম্প বসবে পুবালি কমিউনিটি হলে। খেয়ালি পার্কের কাছে এই কমিউনিটি হল।
আরও পড়ুন:
রইল সম্পূর্ণ তালিকা-
জানা গিয়েছে, প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত এই বিশেষ সেবা সেতু অভিযানে বিভিন্ন প্রকল্পের ফর্ম নিয়ে পরিষেবা দিতে হাজির থাকবেন সরকারি আধিকারিকরা। একাধিক ব্যাঙ্কের তরফে কাউন্টার খোলার কথাও রয়েছে।
বলে রাখা প্রয়োজন, পুজো মিটলেই কলকাতা, হাওড়া-সহ রাজ্যের একাধিক পুরসভায় নির্বাচন হবে। এই ভোটের আগে আরও নিবিড়ভাবে মানুষকে রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকারের সমস্ত প্রকল্প প্রতিটি পরিবারের কাছে পৌঁছে দিতে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নির্দেশে এবারের এই বিশেষ সেবা সেতু অভিযান হচ্ছে। শিবিরের খবর সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য বিধায়কদের সাহায্য করতে ইতিমধ্যে বলা হয়েছে।
তবে সাধারণ মানুষের উৎসাহ ও নানা সরকারি প্রকল্পের কাউন্টারে ভিড় নিয়ন্ত্রণের জন্য তিনদিনই কলকাতা পুরসভার তরফে প্রতিটি শিবিরে বাড়তি পুলিশি নিরাপত্তার জন্য লালবাজারকে বলা হয়েছে। সেই মতো কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে।