দীর্ঘ বিতর্কের মধ্যেই যুবভারতী স্টেডিয়ামের সামনে থাকা 'বিদঘুটে' মূর্তি ভেঙে ফেলা হয়েছে। রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাবনা এবং নকশায় ওই মূর্তি তৈরি করা হয়। যদিও সরকার বদল হতেই বিতর্কিত মূর্তি সরানোর ইঙ্গিত মিলেছিল। তার মধ্যেই শুক্রবার সেটি ভেঙে ফেলা হয়। এবার এই ইস্যুতে মুখ খুললেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুধু তাই নয়, এহেন সিদ্ধান্তে তিনি যে মর্মাহত তাও এদিন উঠে আসে তাঁর বক্তব্যে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ''আমার খুব খারাপ লেগেছে, একজন আর্টিস্টকে দিয়ে করিয়ে ছিলাম। লোগোটা আমি এঁকেছিলাম।'' কিন্তু নিজেদের স্ট্যাচু বসাবেন বলে সেটা ভেঙে গুঁড়িয়ে দিলেন? প্রশ্ন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ''আমার খুব খারাপ লেগেছে, একজন আর্টিস্টকে দিয়ে করিয়ে ছিলাম। লোগোটা আমি এঁকেছিলাম।'' কিন্তু নিজেদের স্ট্যাচু বসাবেন বলে সেটা ভেঙে গুঁড়িয়ে দিলেন? প্রশ্ন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর।
গত ৪ মে বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশ হয়। আজ ২৪ মে। প্রায় ২০ দিন পর রবিবাসরীয় দুপুরে ফেসবুকে একটি লাইভ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে একের পর এক তৃণমূল কাউন্সিলর গ্রেপ্তার-সহ পুরসভাগুলিতে চলা অচলবস্তা নিয়ে মুখ খোলেন তিনি। আর সেখানেই যুবভারতীর সামনে থেকে মূর্তি ভাঙা প্রসঙ্গে বিজেপিকে আক্রমণ করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ''আমার উপর রাগ থাকতেই পারে। কিন্তু ছোট ছোট ভাই-বোনেরা, স্পোর্টস লাভাররা সেখানে গিয়ে সেলফি তুলতেন। ফিফা আন্ডার ১৭ খেলা করিয়েছিল, সেই সময় ওই মুর্তির প্রশংসা করে গিয়েছিলেন তাঁরা। কিন্তু তা ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হল।'' শুধুমাত্র নিজেদের নামে স্ট্যাচু তৈরি করা হবে বলে এহেন পদক্ষেপ করা হয়েছে বলেও অভিযোগ প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর।
বলে রাখা প্রয়োজন, যুবভারতীতে আইএসএলের ডার্বি ম্যাচ দেখতে গিয়ে স্টেডিয়ামের সামনে বসানো ওই মূর্তি দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন রাজ্যের নতুন ক্রীড়ামন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক। সেই সময়েই তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিলেন, যুবভারতীর ঐতিহ্য নষ্টকারী এই বিদঘুটে মূর্তি সেখানে রাখা হবে না। মন্ত্রীর এহেন বার্তার পরই তা গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়।
