Advertisement

বিজেপির সাংসদরাও কেন বিধানসভায় প্রার্থী? বিধায়ক পদে ইস্তফা দিয়ে জানালেন নিশীথ-জগন্নাথ

07:18 PM May 12, 2021 |
Advertisement
Advertisement

বুদ্ধদেব সেনগুপ্ত: যাবতীয় জল্পনার অবসান ঘটিয়ে রাজ্য বিধানসভায় বিধায়ক পদে ইস্তফা দিলেন বিজেপির (BJP) দুই সাংসদ জগন্নাথ সরকার ও নিশীথ প্রামাণিক। বুধবার দুপুরে একসঙ্গে বিধানসভায় গিয়ে ইস্তফা দিয়ে আসেন বিজেপির দুই সাংসদ তথা বিধায়ক। দলের নির্দেশেই বিধায়ক পদ ছেড়ে সাংসদ পদে বহাল থাকার সিদ্ধান্ত নেন তাঁরা।

Advertisement

এবারে বিধানসভায় মোট পাঁচজন সাংসদকে প্রার্থী করেছিল বিজেপি। চুঁচুড়া থেকে লকেট চট্টোপাধ্যায়, টালিগঞ্জ থেকে বাবুল সুপ্রিয় (Babul Supriyo) এবং তারকেশ্বর থেকে স্বপন দাশগুপ্ত বড় ব্যবধানে হারলেও, কোচবিহারে নিশীথ প্রামাণিক এবং নদিয়ার শান্তিপুরে জগন্নাথ সরকার জেতেছেন। নিশীথ (Nishith Pramanik) তৃণমূলের হেভিওয়েট প্রার্থী উদয়ন গুহকে মাত্র ৫৯ ভোটের ব্যবধানে হারিয়েছেন। সেখানে জগন্নাথ সরকার (Jagannath Sarkar) তৃণমূলের অজয় দেকে হারিয়েছেন প্রায় ১৬ হাজার ভোটে। নিয়ম অনুযায়ী এক ব্যক্তি একই সঙ্গে সাংসদ এবং বিধায়ক পদে থাকলে ৬ মাসের মধ্যে কোনও একটি পদ তাঁকে ছাড়তে হয়। সেই নিয়ম মেনেই বিধায়ক পদ ছাড়লেন তাঁরা।

[আরও পড়ুন: আপার প্রাইমারির ইন্টারভিউয়ের তালিকা প্রকাশের সময় পার, রক্ত দিয়ে চিঠি চাকরিপ্রার্থীদের]

যদিও এই সিদ্ধান্তের জন্য বিরোধীদের সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছে গেরুয়া শিবিরের দুই সাংসদকে। বিরোধীরা বলছেন, এভাবে ইস্তফা দিয়ে মানুষের বিশ্বাস ভেঙেছেন দুই বিজেপি সাংসদ। দুই বিধায়কের ইস্তফার অর্থ, ওই দুই কেন্দ্রে উপনির্বাচন। ভোটের এই ব্যাপক খরচ কে দেবে? প্রশ্ন তুলছেন অনেকেই। সাংসদ হওয়া সত্ত্বেও বিধানসভা ভোটে দাঁড়ানোর যৌক্তিকতা নিয়েও উঠছে প্রশ্ন। এ বিষয়ে অবশ্য এদিন সাফাই দিয়ে বিজেপির দুই নেতা বলছেন, “এটা পুরোপুরি দলের সিদ্ধান্ত। আগের বিধানসভায় বিজেপির বিধায়ক ছিল মাত্র ৩ জন। পরিষদীয় রাজনীতিতে সেভাবে কারও অভিজ্ঞতা ছিল না। সাংসদদের অনেকের সেই অভিজ্ঞতা থাকায় দল তাঁদের প্রার্থী করেছিল।” বিজেপির দুই নেতা স্বীকার করে নিয়েছেন, দলের ফলাফল আশানুরূপ হয়নি। তাই দলের সিদ্ধান্ত মেনেই ইস্তফা দিয়েছেন তাঁরা। তবে, বিজেপির দুই সাংসদের দাবি, উপনির্বাচনে আরও বড় ব্যবধানে জিতবে গেরুয়া শিবির। ভোটের পর তৃণমূল যেভাবে বেলাগাম হিংসা চালাচ্ছে, মানুষ তারই জবাব দেবে। 

Advertisement
Next