মুকুটে নয়া পালক, ফের দেশের সেরাদের তালিকায় কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়, অভিনন্দন মুখ্যমন্ত্রীর

04:25 PM Aug 16, 2022 |
Advertisement

গৌতম ব্রহ্ম: ফের কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের মুকুটে নয়া পালক। ভারতীয় বেসরকারি সংস্থা ইন্ডিয়া টুডে’র সমীক্ষায় গোটা দেশের সেরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলির তালিকায় ষষ্ঠ স্থান অধিকার করল ইউনিভার্সিটি অফ ক্যালকাটা।

Advertisement

১৫ আগস্ট অর্থাৎ স্বাধীনতার হীরক জয়ন্তীতে প্রকাশিত হয় ভারতীয় বেসরকারি সংস্থাটির সমীক্ষার রিপোর্ট। সেখানেই দেখা যাচ্ছে, দেশের সেরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলির তালিকায় ছয় নম্বরে রয়েছে ঐতিহ্যবাহী কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় (University of Calcutta)। বাংলার সমস্ত সরকারি অনুমোদনপ্রাপ্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ই সর্বোচ্চ স্থান দখল করেছে। যা নিঃসন্দেহে বিরাট সাফল্যের। সম্প্রতি কেন্দ্রের তরফে সেরা বিদ্যালয়ের যে তালিকা প্রকাশ করা হয়েছিল, সেখানেও ভাল স্থানে ছিল কলকাতা। এবার বেসরকারি সংস্থাটিও জানিয়ে দিল, প্রথম দশেই রয়েছে কলকাতা।

[আরও পড়ুন: অ্যাডমিট কার্ড ছাড়া পরীক্ষা কেন? দুর্নীতির অভিযোগে উত্তাল বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়, আটকে সহ-উপাচার্য]

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, গত দিন বছরে PhD ডিগ্রি দেওয়ার ক্ষেত্রে দেশের সমস্ত সরকারি অনুমোদনপ্রাপ্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়। অর্থাৎ এই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সংখ্যক পড়ুয়া PhD ডিগ্রি পেয়েছেন। এছাড়াও গবেষণা করার জন্য গবেষকদের যে পেটেন্ট দিতে হয়, গত তিন বছরে সেই পেটেন্ট দেওয়ার ক্ষেত্রেও দু’নম্বরে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়।

Advertising
Advertising

কেরিয়ারের সার্বিক উন্নতি এবং কর্মসংস্থানের দিক থেকেও এগিয়ে এই সুপ্রাচীন বিশ্ববিদ্যালয়। এক্ষেত্রে সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলির মধ্যে কলকাতার স্থান তিন নম্বরে। উল্লেখ্য, চলতি বছরই টাইমস হায়ার এডুকেশন ইমপ্যাক্ট র‌্যাঙ্কিং অনুযায়ী (THE) সার্বিক উন্নয়ন এবং প্রসারের নিরিখে দেশে প্রথম স্থান দখল করেছিল এই বিশ্ববিদ্যালয়। এবার ইন্ডিয়া টুডে’র সমীক্ষাও প্রমাণ করে দিচ্ছে, আজও কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাশ করার গুরুত্ব ঠিক কতখানি। এমন সাফল্যের জন্য টুইট করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ থেকে পড়ুয়া, প্রত্যেককে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।  

[আরও পড়ুন: ‘হর ঘর তেরঙ্গা’র ফলে দেশে ৫০০ কোটি টাকার ব্যবসা, কর্মসংস্থান অন্তত দশ লক্ষ মানুষের]

Advertisement
Next