shono
Advertisement
West Bengal

অনুপ্রবেশকারী বাংলাদেশি-রোহিঙ্গাদের জন্য জেলায় জেলায় 'হোল্ডিং সেন্টার', নির্দেশ শুভেন্দু সরকারের

২০২৫ সালে কেন্দ্রের তরফে এই নোটিস পাঠানো হয়েছিল বাংলায়, এবার সরকার বদল হতেই তা কার্যকর হচ্ছে।
Published By: Sucheta SenguptaPosted: 02:41 PM May 24, 2026Updated: 02:50 PM May 24, 2026

রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদল হতেই ঘোষণামতো অবৈধ বাংলাদেশিদের জন্য 'থ্রি-ডি' নীতি প্রয়োগ শুরু করল শুভেন্দু অধিকারী সরকার। অনুপ্রবেশকারীদের 'ডিটেক্ট, ডিলিট, ডিপোর্ট' অর্থাৎ ওপারে পাঠিয়ে দেওয়ার কাজ শুরু হয়ে গেল। জেলায় জেলায় ডিটেনশন সেন্টারের আদলে হোল্ডিং সেন্টার তৈরির নির্দেশিকা জারি হয়েছে রাজ্য সরকারের তরফে। তাতে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের পর যাঁরা অবৈধভাবে কাঁটাতার পেরিয়ে এদেশে ঢুকেছে, তাঁদের চিহ্নিত করে এই হোল্ডিং সেন্টারে রাখা হবে। এছাড়া একই অভিযোগে এতদিন যাঁরা কারাবন্দি ছিলেন, তাঁদেরও এভাবেই হোল্ডিং সেন্টারে রাখার পর পুশব্যাক করা হবে।

Advertisement

রাজ্যে বিজেপি সরকার প্রতিষ্ঠিত হতেই কেন্দ্রের নীতি মেনে 'ডিটেক্ট, ডিলিট, ডিপোর্ট' পদ্ধতি শুরু করল শুভেন্দু অধিকারীর সরকার। সেইমতো সম্প্রতি সরকারি নির্দেশ জারি হয়েছে, যাতে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রত্যেক জেলায় হোল্ডিং সেন্টার তৈরির কাজ শুরু করতে হবে।  আগেই শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছিলেন, ধরপাকড়ের পর কোনও বিচার প্রক্রিয়ায় আওতায় আনার প্রশ্ন নেই। সেইমতো নোটিসে বলা হয়েছে, বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের ধরে বিএসএফ প্রথমে তাঁদের ওই হোল্ডিং সেন্টারে রাখা হবে, তারপর সোজা ওপারে পুশব্যাক। 

জেলায় জেলায় হোল্ডিং সেন্টার তৈরির নির্দেশিকা

অনুপ্রবেশ ইস্যুতে বরাবর বাংলার দিকে আঙুল তুলেছিল কেন্দ্র। নরেন্দ্র মোদি থেকে অমিত শাহ, বারবারই বাংলায় ভোটের প্রচারে এসে এই সমস্যার কথা উল্লেখ করে তৃণমূল সরকারকে তুলোধোনা করেছেন। ছাব্বিশের নির্বাচনে তো এই অনুপ্রবেশ বড় ইস্যু হয়ে উঠেছিল। এবার রাজ্যে বিজেপি সরকার প্রতিষ্ঠিত হতেই কেন্দ্রের নীতি মেনে 'ডিটেক্ট, ডিলিট, ডিপোর্ট' পদ্ধতি শুরু করল শুভেন্দু অধিকারীর সরকার। সেইমতো সম্প্রতি সরকারি নির্দেশ জারি হয়েছে, যাতে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রত্যেক জেলায় হোল্ডিং সেন্টার তৈরির কাজ শুরু করতে হবে।  আগেই শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছিলেন, ধরপাকড়ের পর কোনও বিচার প্রক্রিয়ায় আওতায় আনার প্রশ্ন নেই। সেইমতো নোটিসে বলা হয়েছে, বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের ধরে বিএসএফ প্রথমে তাঁদের ওই হোল্ডিং সেন্টারে রাখা হবে, তারপর সোজা ওপারে পুশব্যাক। 

২০২৫ সালেই কেন্দ্রের তরফে রাজ্যগুলিকে নোটিস দিয়ে ডিটেনশন সেন্টার তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। সেই নোটিস দেখিয়ে তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, ''বাংলায় কোনও ডিটেনশন ক্যাম্প হবে না। এখান থেকে কাউকে তাড়ানো হবে না। সবাই নাগরিক।'' বিজেপি বিরোধিতার কারণেই কোনও সেন্টার তৈরি হয়নি। কিন্তু এবার বিজেপি আসতেই শুরু হল ডিটেনশন ক্যাম্পের আদলে হোল্ডিং সেন্টার তৈরির কাজ।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement