Mamata Banerjee: ‘এবার বাংলায় তৈরি হবে ক্রীড়া বিশ্ববিদ্যালয়’, খেলাধূলার প্রসারে নয়া উদ্যোগ মুখ্যমন্ত্রীর

06:00 PM Aug 17, 2022 |
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: খেলাধূলা, গানবাজনা বড়ই প্রিয় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (CM Mamata Banerjee)। খেলাধূলার প্রসারে এবার নয়া ভাবনা রাজ্য সরকারের। বাংলায় ক্রীড়া বিশ্ববিদ্যালয় তৈরির ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর। বুধবার ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের সংগ্রহশালা উদ্বোধনের অনুষ্ঠান মঞ্চ থেকে একথা জানান তিনি।

Advertisement

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, এদিন মঞ্চে বসেই ইমামি, গোয়েঙ্কার মতো ইনভেস্টরদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। ফোনে শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর সঙ্গে কথা হয়। সকলের সঙ্গে আলোচনার পর মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যে ক্রীড়া বিশ্ববিদ্যালয় তৈরির ভাবনার কথা ঘোষণা করেন। তিনি জানান, ইতিমধ্যেই হুগলির চুঁচুড়ায় বেসরকারি স্পোর্টস ইউনিভার্সিটি তৈরি হচ্ছে। যাঁরা খেলাধূলা ভালবাসেন, খেলাধূলা নিয়ে এগোতে চান তাঁদের কথা মাথায় রেখে ক্রীড়া বিশ্ববিদ্যালয় তৈরির ভাবনা রাজ্য সরকারের। এক্ষেত্রে চিনকে উদাহরণ হিসাবে তুলে ধরেছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। তবে বাংলার কোথায় ক্রীড়া বিশ্ববিদ্যালয় তৈরি হবে, তা রাজ্য সরকার খুঁজে দেবে বলেই জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

[আরও পড়ুন: টেট পাশ না করেও শিক্ষকতা, অনুব্রতকন্যার বিরুদ্ধে হাই কোর্টে মামলা আইনজীবীর]

বরাবরই ক্রীড়া এবং সংস্কৃতিপ্রেমী মুখ্যমন্ত্রী। বুধবার ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের সংগ্রহশালা অনুষ্ঠানে এসে মাঠে দাঁড়িয়ে ফুটবল খেলতেও দেখা গিয়েছে তাঁকে। এছাড়া তিনি বলেন, “খেলা হবে কথাটি মনে রাখার জন্য আমি রোজ বাড়িতে ১০০ বার ফুটবল নাচাই। আমি খেলতে ভালবাসি। সিপিএমের আমলে অনেক মার খেয়েছি। দুটো হাত, পায়ে অপারেশন হয়েছে। কোমরে চোট রয়েছে। তা সত্ত্বেও খেলা ভালবাসি। খেলিও। ব্যাডমিন্টন খেলি। ছোটবেলায় গুলি, লাট্টু, কবাডি খেলেছি। আদিগঙ্গায় সাঁতার কেটেছি। ঘরে বাসন মাজা, কাপড় কাচা সব করেছি। বাঁশি, তবলা, পিয়ানোও আমি খুব ভালবাসি।”

Advertising
Advertising

মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণা স্বাভাবিকভাবেই খুশি ক্রীড়াপ্রেমীরা। আর্থিক কষ্টে খেলাধূলা ছাড়তে হন অনেককেই। বহু প্রতিভাবানও হারিয়ে যান। তবে রাজ্যের তরফে ক্রীড়া বিশ্ববিদ্যালয় তৈরি হলে সকলে উপকৃত হবেন বলেই মনে করা হচ্ছে। তাই রাজ্য সরকারের নয়া উদ্যোগকে সাধুবাদ জানাচ্ছেন সকলেই।

[আরও পড়ুন: ৩ বছরেও মেলেনি পেনশন, অবসাদে হেয়ার স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের ‘আত্মহত্যা’]

Advertisement
Next