কখনও চকোলেট-মিষ্টি, পরমুহূর্তেই নোনতার জন্য ছটফট! কীসের সংকেত দিচ্ছে শরীর?
Sayani Sen
ভরপেট খাওয়াদাওয়া করলেন। তারপরেও মন যেন বলছে খাই খাই। কখনও চকোলেট খেতে ইচ্ছা করছে। তো কখনও নোনতার জন্য মন ছটফট। আবার কখনও মনে হচ্ছে মিষ্টি হলে মন্দ হয় না। তবে জানেন কী, আলাদা আলাদা স্বাদ পেতে মন ব্যাকুল হয় কেন। এই আবদারের মাধ্যমেই নাকি শরীর নানা সংকেত দিতে থাকে।
আপনার কি ঘন ঘন চকোলেট খেতে ইচ্ছা করছে? ধরুন বাড়িতে থাকাকালীন বারবার ফ্রিজে খুঁজছেন চকোলেট? পুষ্টিবিদদের মতে, শরীরে অতিরিক্ত ম্যাগনেশিয়ামের ঘাটতি দেখা দিলেই নাকি চকোলেটের চাহিদা তৈরি হয়। এমন পরিস্থিতি তৈরি হলে খাদ্য়তালিকায় বদল আনুন। কাজুবাদাম, বিভিন্ন ধরনের বীজ, কফির মতো খাবারদাবার রাখুন।
আরও পড়ুন:
কেউ কেউ আবার মিষ্টি দেখলে আর নিজেকে স্থির রাখতে পারেন না। পুষ্টিবিদদের মতে, প্রোটিন জাতীয় খাবার কম খাওয়াদাওয়া করলে মিষ্টি খেতে বেশি ইচ্ছা করে। তাই খাদ্যতালিকায় ছোলাভাজা, দই, ডিম এবং প্রোটিন শেক রাখতে পারেন। তাতেই ধীরে ধীরে মিষ্টির প্রতি টান কমবে।
আপনার কি প্রায়ই নোনতা খাবারদাবার খেতে ইচ্ছা করছে? পুষ্টিবিদদের মতে, এই সংকেত শরীরের জন্য মোটেও স্বাস্থ্যকর নয়। কারণ, শরীরে জলের অভাব দেখা দিলেই নাকি নোনতা খাবারদাবার খেতে ইচ্ছা করে। তাই শরীর ভালো রাখতে ডাবের জল, বাটারমিল্ক, লেবুর জল খেতে হবে।
আবার আমাদের শরীর ভিতর থেকে কিছুটা ক্লান্ত হয়ে গেলে কার্বোহাইড্রেট সমৃদ্ধ রুটি, ভাত এবং পাস্তা খেতে ইচ্ছা করে। তাই এমন হলে অবশ্যই মিষ্টি আলু, ওটস, ফল খান। তাতেই শরীর হবে তরতাজা।
সাধারণত মানসিক অবসাদ, ঘুমের অভাব, হরমোনের তারতম্য, নিত্যদিনের জীবনযাপনের অনিয়ম শরীরকে নিঃশব্দে ঝাঁজরা করে দেয়। আর তখনই নানা ধরনের খাবারের চাহিদার মাধ্যমে শরীর জানান দেয়। পুষ্টিবিদদের মতে, তাই খাবারের চাহিদাকে কখনও হেলাফেলা করবেন না। প্রয়োজনমতো ব্যবস্থা নিতে হবে। নইলে বড়সড় কোনও ক্ষতি হতে পারে।