নীলছবিই নষ্ট করছে আপনার দাম্পত্য সুখ? এই কারণগুলি জানলে অবাক হবেন
Sayani Sen
নীলছবি দেখা নতুন কিছু নয়। সমীক্ষা বলছে, কমপক্ষে ৫০-৭০ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ক তরুণ-তরুণী কাজের ব্যস্ততা শেষে নাকি নীলছবির দুনিয়ায় ডুব দেন। তাঁরা নাকি নিয়মিত একবার করে নীলছবি দেখেন। সর্বোচ্চ ১০ মিনিটের বেশি অত্যন্ত নীলছবি তাঁরা দেখেন না। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, এই নীলছবির কুপ্রভাব নাকি দাম্পত্য জীবনে পড়ছে। তার ফলে অনেক সময় বিচ্ছেদের মতো সমস্যাও দেখা দিচ্ছে।
আরও পড়ুন:
বিশেষজ্ঞদের মতে, নীলছবি দেখতে দেখতে তা ক্রমশ বাস্তব বলে ভাবতে শুরু করেন অনেকেই। তাঁরা ভুলে যান নীলছবি আর বাস্তব সম্পূর্ণ আলাদা। তার ফলে সঙ্গী কিংবা সঙ্গিনীর থেকে প্রাপ্তির চাহিদা বাড়তে থাকে। নীলছবির মতো নিজের বিছানায় যৌনতা না হওয়ার ফলে তাঁরা ভাবেন বোধহয় যথাযথ যৌনসুখ লাভ হচ্ছে না। তার ফলে দু'পক্ষের মধ্যে মানসিক টানাপোড়েন শুরু হয়। যা একসময় বড়সড় অশান্তির কারণ হয়ে ওঠে।
বেশিরভাগ যুগলের মধ্যে নীলছবি নিয়ে খোলামেলা আলোচনা হয়। কারও কারও ক্ষেত্রে তা হয় না। তাঁরা সঙ্গী কিংবা সঙ্গিনীর কাছ থেকে নীলছবির কথা লুকিয়ে রাখে। কমপক্ষে ৪০ শতাংশ যুগল এরকম করেন। যাঁরা লুকিয়ে রাখেন তাঁরা নীলছবি দেখে যৌন সন্তুষ্টি লাভ করার চেষ্টা করেন। আর এই মিথ্যার ফলে দু'জনের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হয়। সংসার ছারখার হয়ে গেলেও অবাক হওয়ার কিছু নেই।
দু'জনের মধ্যে একজন নীলছবি দেখতে অভ্যস্ত এবং অন্যজন অভ্যস্ত না হলে বিচ্ছেদের সম্ভাবনা রয়েছে। সমীক্ষা বলছে, প্রতিদিন পর্নোগ্রাফি দেখেন কমপক্ষে ৪৫ শতাংশ যুগল। তাঁদের মধ্যে ৩০ শতাংশ একসঙ্গে নীলছবি দেখেন না। হয় কোনও পুরুষ দেখেন তো কোনও মহিলা। যিনি নীলছবি দেখেন না তিনি চান সেই সময়টি সঙ্গী তাঁকে দেবেন। আর যিনি নীলছবি দেখতে ভালোবাসেন, তিনি এই চাহিদা মানতে চান না। তার ফলে অশান্তি হয়।
নীলছবি দেখার ফলে আপনার খিটখিটে মেজাজ হতে পারে। গবেষণা বলছে, যাঁরা অতিরিক্ত নীলছবি দেখেন তাঁরা একাকীত্বে ভোগেন। মানসিক অবসাদও তাঁদের নিত্য়সঙ্গী হতে পারে। যা বিবাহিত জীবনে প্রভাব ফেলতে বাধ্য। তাই হয় দু'জনেই নীলছবি দেখুন। আর না হলে ভুলেও একা পর্ন দেখবেন না।
মনে রাখবেন, সম্পর্ক গড়তে সময় লাগে। তবে ভাঙতে সময় লাগে না। তাই সম্পর্ককে যত্ন করতে শিখুন। অযথা ছোটখাট কারণে সম্পর্ক ভাঙবেন না।