দেবীপক্ষমহানগররাজ্যবিদেশখেলালাইফস্টাইল

মোবাইল ফোন কাড়লেই বদমেজাজি হচ্ছে ছোট্ট সন্তান, শুধরে দিন এই ৩ উপায়ে

যখন শিশুর থেকে কোনও আকর্ষণীয় জিনিস ছিনিয়ে নেওয়া হচ্ছে, তা সে মোবাইল ফোন হোক, টেলিভিশনের রিমোট হোক বা অন্য কিছু, তখন তার মনে তৈরি হচ্ছে এক শূন্যতা। এই শুন্যতার পূরণের প্রাথমিক দায়িত্ব বাবা-মায়েরই।
Utsa Tarafdar
12:18 PM Jun 14, 2026 IST
যখন শিশুর থেকে কোনও আকর্ষণীয় জিনিস ছিনিয়ে নেওয়া হচ্ছে, তা সে মোবাইল ফোন হোক, টেলিভিশনের রিমোট হোক বা অন্য কিছু, তখন তার মনে তৈরি হচ্ছে এক শূন্যতা। এই শুন্যতার পূরণের প্রাথমিক দায়িত্ব বাবা-মায়েরই।
জোর করে ফোন কেড়ে নিলে বাচ্চা বদরাগী হয়ে ওঠে!

প্রায়শই অভিযোগ করেন বাবা-মায়েরা— আজকালকার বাচ্চারা সর্বক্ষণ স্মার্টফোনে ডুবে থাকে! কিশোর বয়সীরা নয়, এই অভিযোগ মূলত শিশুদের নিয়ে। মোবাইল ফোনে দ্রুতগতির ফোটো-ভিডিও না দেখে নাকি খাবার খেতে চায় না তারা। এমনকী অন্যান্য কাজ করাতে গেলেও কাজে লাগাতে হয় ফোনের প্রলোভনই।

গড়ে তুলতে সাহায্য করুন সন্তানের কল্পনার জগত।

যদি জোর করে তার থেকে ফোন ছিনিয়ে নেওয়া হয়, তবে দেখা যায় অন্য বিপত্তি। বাচ্চাটি বদরাগী একগুয়ে হয়ে যায়। কোনও কথাই শুনতে চায় না। কোনও কোনও শিশু আবার জিনিসপত্র ছুঁড়ে ভাঙে রাগে। বাবা-মায়ের সঙ্গে রীতিমতো যুদ্ধ ঘোষণা করে বসে!
মনোবিদরা বলছেন, এই দোষের সমস্তটা কেবল শিশুদের উপর চাপিয়ে দেওয়া যায় না। যখন তার থেকে কোনও আকর্ষণীয় জিনিস ছিনিয়ে নেওয়া হচ্ছে, তা সে মোবাইল ফোন হোক, টেলিভিশনের রিমোট হোক বা অন্য কিছু, তখন তার মনে তৈরি হচ্ছে এক শূন্যতা। এই শুন্যতার পূরণের প্রাথমিক দায়িত্ব কিন্তু বাবা-মায়েরই।

Advertisement
দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

জরুরি ‘ফ্যামিলি টাইম’
কেবল খেলাধুলোর জিনিসে ব্যস্ত রাখাই যথেষ্ট নয়। শিশুর মনন গঠনে অপরিহার্য ‘ফ্যামিলি টাইম’। অভিভাবক যদি সন্তানকে সময় না দেয়, তবে সে এক সময়ের পর বদরাগী হয়ে ওঠেই। বাবা-মায়ের উচিত প্রত্যেকদিন খানিকটা সময় কেবলমাত্র সন্তানের জন্য রাখা। একসঙ্গে অন্তত একবেলার খাবার খাওয়া।

সন্তানকে এনে দিন রঙিন বই
গল্পের হোক বা ছবির বই এনে দিন সন্তানকে। তার কল্পনার জগতটি শুরুতেই গড়ে তুলুন যত্ন নিয়ে। এতে স্মার্টফোন কিংবা টেলিভিশনের প্রতি তার আকর্ষণ তৈরিই হতে পারবে না। বইয়ের নেশা যতই হোক না কেন, ক্ষতি নেই তাতে।

শিশুর মনন গঠনে অপরিহার্য ‘ফ্যামিলি টাইম’

ছোটখাটো কাজের দায়িত্ব দিন
বড় হয়ে সন্তান শিখবে তো বটেই। কিন্তু ছোট থেকেই যদি বাবা-মায়ের কাজে সাহায্য করে সে, তখন সাহায্যের গুরুত্বও বুঝবে প্রথম থেকেই। হয়তো ঘরের কাজকে তার বাড়তি ঝামেলা বলেই মনে হবে। সাধারণ কাজ যেমন বাবা-মায়ের জন্য গ্লাস ভর্তি করে জল এনে দেওয়া, স্নানের জন্য বালতি জলে ভরে দেওয়া, অথবা কোনও জিনিস এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় রাখার মতো কাজ অবশ্যই শেখানো উচিত শিশুকে।

ভুললে চলে না যে অভিভাবকের দায়িত্ব কেবল দোষারোপ করেই মিটে যায় না। সন্তান যেন সঠিক পথে চালিত হয়, সে দায়িত্ব বাবা-মায়েরই। ছোটবেলার ভিত মজবুত হলে, বড় বয়সেও তার ছাপ থেকে যায়।

Advertisement
দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Tags :
Parenting Tips
Advertisement
Tags :
Parenting Tips

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন